গত ৭ই জানুয়ারি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে দেয়া এক পোস্টে নির্বাসিত লেখিকা তসলিমা নাসরিন লিখেন, “শহরের সিনেমায় বাংলা ছবি এলে আমি মিস করি না। সেদিন প্রজাপতি দেখলাম। সাধারণ সামাজিক ছবি। পপকর্ন খাওয়ার সময়টুকুতেই ওড়াওড়ি করেছে প্রজাপতি। পপকর্নও ফুরোলো, প্রজাপতিও ঘুমোলো।”
আজ আবার ২৮ কিলোমিটার পথ পেরিয়ে হাওয়া দেখতে গেলাম। মাছ ধরার নৌকো, মাছ ধরা, মাঝিদের খিস্তি, মলিন কাপড় চোপড়, নৌকোর নোনা জীবন -খুঁটিনাটি অনেককিছুই বাস্তব থেকে পাওয়া। শুধু গল্পটাই হাওয়া থেকে পাওয়া। গল্প শুয়ে বসে থাকে। গল্প ঘুমোয়।
আচমকা, সস্তা ছবির শেষের চমকের মতো, এঁকেবেঁকে একটি সাপ, ছোটবেলায় দেখা ‘নাগিনীর প্রেম’ ছবির সাপের মতো রূপোলি পর্দায় উপস্থিত হন।
সমুদ্রে একা ভাসতে থাকা নৌকোর লংশট দেখে ‘লাইফ অফ পাই’এর লংশটগুলো বারবারই মনে পড়েছে।
ক্যামেরা আর মেকআপ ভালো, সে কারণেই কি লোকেরা হাওয়া হাওয়া করছে? রেহানা মরিয়ম নূর নামের একটি যেন-তেন ছবি নিয়েও আদিখ্যেতা কম করেনি।
সবাইকে ফেলিনি, বার্গ্ম্যান, টারকোভস্কি হতে বলছি না। মৌলবাদী অধ্যুষিত দেশ বেচারা ইরানের দিকেও তো তাকাতে পারেন বাঙালি পরিচালকেরা। আসগার ফারহাদি, আব্বাস কিওরস্তামি, মাজিদ মাজিদি, জাফর পানাহির মতো ছবির পরিচালক গড়ে তুলতেও বাংলার মনে হয় আরও একশ’ বছর লাগবে।
নিজস্ব প্রতিবেদক 















