০১:৩১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬
নতুন বই, ঐতিহাসিক আবহ ও কড়া নিরাপত্তার মাঝে শুরু হচ্ছে একুশে বইমেলা ২০২৫

বইমেলায় নতুন সংযোজন ‘জুলাই চত্বর’, উঠে আসবে গণঅভ্যুত্থানের চিত্র


অমর একুশে বইমেলা ২০২৫ আগামীকাল (শনিবার, ১ ফেব্রুয়ারি) থেকে শুরু হতে যাচ্ছে। এবারের বইমেলা আরও বর্ণিল ও আয়োজনসমৃদ্ধ হতে চলেছে, যেখানে বিশেষভাবে তুলে ধরা হবে ১৯ জুলাই ও আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের নানা দিক। এ উপলক্ষে মেলায় থাকছে ‘জুলাই চত্বর’, যেখানে ঐতিহাসিক সেই আন্দোলনের চিত্র ফুটিয়ে তোলা হবে। বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণ ও সোহরাওয়ার্দী উদ্যানজুড়ে এখন শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি চলছে।

শুক্রবার (৩১ জানুয়ারি) সরেজমিনে ঘুরে দেখা গেছে, স্টল সাজানো থেকে শুরু করে বই গোছানোর কাজে ব্যস্ত সময় পার করছেন প্রকাশক ও শ্রমিকরা। তবে অনেক স্টলের কাজ এখনো শেষ হয়নি।

বইমেলার মাসব্যাপী আয়োজনের উদ্বোধন করবেন নোবেল বিজয়ী অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস। বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক অধ্যাপক মোহাম্মদ আজম এক সংবাদ সম্মেলনে জানান, এবারের মেলায় স্টলের সংখ্যা বৃদ্ধি করা হয়েছে এবং বইয়ের মানের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, “যদিও সম্প্রতি কিছু মব কালচার সম্পর্কিত ঘটনা ঘটেছে, তবে বইমেলায় কোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতি যেন না ঘটে, সে জন্য যথাযথ নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।”

মেলা ঘিরে কঠোর নিরাপত্তার ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। শুক্রবার সকালে পুরো এলাকা পরিদর্শন করে নিরাপত্তাব্যবস্থা পর্যবেক্ষণ করেছেন ডিএমপি কমিশনার শেখ মো. সাজ্জাত আলী। তিনি জানান, পুরো মেলা প্রাঙ্গণ ২৪ ঘণ্টাই বিশেষ নজরদারির আওতায় থাকবে।

এবারের বইমেলা পলিথিনমুক্ত থাকবে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ। পরিবেশবান্ধব এই উদ্যোগের পাশাপাশি দর্শনার্থীদের জন্য থাকছে পরিচ্ছন্ন ও আরামদায়ক পরিবেশ।

বইপ্রেমী ও প্রকাশকদের প্রত্যাশা, গত বছরের তুলনায় এবারের বইমেলা আরও বেশি বাণিজ্যিক সফলতা পাবে এবং পাঠকদের আগ্রহে নতুন মাত্রা যোগ করবে।

জনপ্রিয়

জাতীয় পুনর্গঠন কৌশল (National Reconstruction Strategies)

নতুন বই, ঐতিহাসিক আবহ ও কড়া নিরাপত্তার মাঝে শুরু হচ্ছে একুশে বইমেলা ২০২৫

বইমেলায় নতুন সংযোজন ‘জুলাই চত্বর’, উঠে আসবে গণঅভ্যুত্থানের চিত্র

প্রকাশিত : ০৭:৫৪:৩২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩১ জানুয়ারী ২০২৫

অমর একুশে বইমেলা ২০২৫ আগামীকাল (শনিবার, ১ ফেব্রুয়ারি) থেকে শুরু হতে যাচ্ছে। এবারের বইমেলা আরও বর্ণিল ও আয়োজনসমৃদ্ধ হতে চলেছে, যেখানে বিশেষভাবে তুলে ধরা হবে ১৯ জুলাই ও আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের নানা দিক। এ উপলক্ষে মেলায় থাকছে ‘জুলাই চত্বর’, যেখানে ঐতিহাসিক সেই আন্দোলনের চিত্র ফুটিয়ে তোলা হবে। বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণ ও সোহরাওয়ার্দী উদ্যানজুড়ে এখন শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি চলছে।

শুক্রবার (৩১ জানুয়ারি) সরেজমিনে ঘুরে দেখা গেছে, স্টল সাজানো থেকে শুরু করে বই গোছানোর কাজে ব্যস্ত সময় পার করছেন প্রকাশক ও শ্রমিকরা। তবে অনেক স্টলের কাজ এখনো শেষ হয়নি।

বইমেলার মাসব্যাপী আয়োজনের উদ্বোধন করবেন নোবেল বিজয়ী অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস। বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক অধ্যাপক মোহাম্মদ আজম এক সংবাদ সম্মেলনে জানান, এবারের মেলায় স্টলের সংখ্যা বৃদ্ধি করা হয়েছে এবং বইয়ের মানের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, “যদিও সম্প্রতি কিছু মব কালচার সম্পর্কিত ঘটনা ঘটেছে, তবে বইমেলায় কোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতি যেন না ঘটে, সে জন্য যথাযথ নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।”

মেলা ঘিরে কঠোর নিরাপত্তার ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। শুক্রবার সকালে পুরো এলাকা পরিদর্শন করে নিরাপত্তাব্যবস্থা পর্যবেক্ষণ করেছেন ডিএমপি কমিশনার শেখ মো. সাজ্জাত আলী। তিনি জানান, পুরো মেলা প্রাঙ্গণ ২৪ ঘণ্টাই বিশেষ নজরদারির আওতায় থাকবে।

এবারের বইমেলা পলিথিনমুক্ত থাকবে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ। পরিবেশবান্ধব এই উদ্যোগের পাশাপাশি দর্শনার্থীদের জন্য থাকছে পরিচ্ছন্ন ও আরামদায়ক পরিবেশ।

বইপ্রেমী ও প্রকাশকদের প্রত্যাশা, গত বছরের তুলনায় এবারের বইমেলা আরও বেশি বাণিজ্যিক সফলতা পাবে এবং পাঠকদের আগ্রহে নতুন মাত্রা যোগ করবে।