কোটা সংস্কার আন্দোলনকারীদের সঙ্গে বরিশালের কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল এলাকায় পুলিশের ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। সাধারণ শিক্ষার্থীদের উপর চওড়া হয় পুলিশ।
এই সময় ছাত্রদের নিক্ষিপ্ত ইটের আঘাতে আলী আশরাফ ভুঞা গুরুতর আহত হন। এছাড়াও আন্দোলনকারীদের মারধরে ও নিক্ষিপ্ত ইটে আরও দুই সাংবাদিক আহত হয়েছেন।
বুধবার দুপুর থেকে বরিশাল নগরীর হাতেম আলী কলেজ চৌমাথা, নথুল্লাবাদ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে শুরু হওয়া শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ এবং পুলিশের সঙ্গে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া, অগ্নিসংযোগ, টিয়ারসেল ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপের ঘটনা রাত পর্যন্ত চলে।

বরিশাল মহানগর পুলিশ কমিশনার জিহাদুল কবির বলেন, নগরীর নথুল্লাবাদ বাস টার্মিনালের সামনে সড়কে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ঘটনা ঘটে।
তিনি জানান, এই সময় শিক্ষার্থীদের নিক্ষিপ্ত ইট এসে উপ-পুলিশ কমিশনার (দক্ষিণ) আলী আশরাফ ভুঞার মুখের উপর আঘাত করে। এতে গুরুতর আহত হয়েছেন তিনি। বর্তমানে বরিশালে তার চিকিৎসা চলছে।
তিনি আরও জানান, শিক্ষার্থীদের হামলায় তাদের আরো অন্তত ৭/৮ জন পুলিশ সদস্য আহত হয়েছে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, দুপুরে বরিশাল নগরীর সরকারী সৈয়দ হাতেম আলী কলেজের সামনে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ শুরু করে।
এছাড়াও একই সময়ে নগরীর নথুল্লাবাদ কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনালের সামনে অবস্থান নেয় সরকারি বিএম কলেজসহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা।
এরপর উভয় পক্ষের মধ্যে দিনভর থেমে থেমে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া চলে।
বরিশাল প্রতিনিধি 















