১১:৩৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৫ মে ২০২৬
রাজনৈতিক দ্বন্দ্বের অভিযোগ পরিবারের

মধ্যবাড্ডায় বিএনপি নেতা কামরুলকে গুলি করে হত্যা

  • নিউজ ডেস্ক
  • প্রকাশিত : ০৬:৫৩:৪২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ মে ২০২৫
  • 102

ছবিঃ সংগৃহীত


ঢাকার মধ্যবাড্ডায় চায়ের দোকানে বসে আড্ডা দেওয়ার সময় গুলি করে হত্যা করা হয়েছে গুলশান থানা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক কামরুল আহসান সাধনকে।

রোববার (২৫ মে) রাত সাড়ে ৯টার দিকে গুদারাঘাট ৪ নম্বর রোডের সাবেক কমিশনার কাইয়ুমের কার্যালয়ের বিপরীতে এ ঘটনা ঘটে। প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, মাস্ক পরা দুই যুবক পেছন দিক থেকে হেঁটে এসে খুব কাছ থেকে কামরুলকে এলোপাতাড়ি গুলি করে পালিয়ে যায়।

গুলিবিদ্ধ অবস্থায় কামরুল আহসানকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। তার বুক, পিঠ ও ঘাড়ে গুলির চিহ্ন পাওয়া গেছে।

নিহতের স্ত্রী দাবি করেছেন, রাজনৈতিক শত্রুতার জেরেই তাকে হত্যা করা হয়েছে। তিনি স্বামী হত্যার সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার দাবি করেছেন। নিহত কামরুল আহসানের গ্রামের বাড়ি লক্ষ্মীপুর সদরে।

বাড্ডা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল ইসলাম জানান, নিহত কামরুল পেশায় ডিশ ব্যবসায়ী ছিলেন। তার মরদেহ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। ঘটনা তদন্তে কাজ শুরু করেছে পুলিশ।

জনপ্রিয়

কোন পথে বাংলাদেশ?

রাজনৈতিক দ্বন্দ্বের অভিযোগ পরিবারের

মধ্যবাড্ডায় বিএনপি নেতা কামরুলকে গুলি করে হত্যা

প্রকাশিত : ০৬:৫৩:৪২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ মে ২০২৫

ঢাকার মধ্যবাড্ডায় চায়ের দোকানে বসে আড্ডা দেওয়ার সময় গুলি করে হত্যা করা হয়েছে গুলশান থানা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক কামরুল আহসান সাধনকে।

রোববার (২৫ মে) রাত সাড়ে ৯টার দিকে গুদারাঘাট ৪ নম্বর রোডের সাবেক কমিশনার কাইয়ুমের কার্যালয়ের বিপরীতে এ ঘটনা ঘটে। প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, মাস্ক পরা দুই যুবক পেছন দিক থেকে হেঁটে এসে খুব কাছ থেকে কামরুলকে এলোপাতাড়ি গুলি করে পালিয়ে যায়।

গুলিবিদ্ধ অবস্থায় কামরুল আহসানকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। তার বুক, পিঠ ও ঘাড়ে গুলির চিহ্ন পাওয়া গেছে।

নিহতের স্ত্রী দাবি করেছেন, রাজনৈতিক শত্রুতার জেরেই তাকে হত্যা করা হয়েছে। তিনি স্বামী হত্যার সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার দাবি করেছেন। নিহত কামরুল আহসানের গ্রামের বাড়ি লক্ষ্মীপুর সদরে।

বাড্ডা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল ইসলাম জানান, নিহত কামরুল পেশায় ডিশ ব্যবসায়ী ছিলেন। তার মরদেহ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। ঘটনা তদন্তে কাজ শুরু করেছে পুলিশ।