০৯:৩১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬

সড়ক অবকাঠামো নিয়ে মন্ত্রীর জবাবে অসন্তোষ, সংসদে ক্ষোভ প্রকাশ এমপি মনিরুলের

  • নিউজ ডেস্ক
  • প্রকাশিত : ১১:১৫:৫৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ৬ এপ্রিল ২০২৬
  • 193

জাতীয় সংসদে বক্তব্য রাখছেন কুমিল্লা-৬ আসনের সরকারদলীয় সদস্য মনিরুল হক চৌধুরী। ছবিঃ সংগৃহীত

জাতীয় সংসদে সড়ক অবকাঠামোর উন্নয়নসংক্রান্ত প্রশ্নের জবাবে সন্তুষ্ট হতে পারেননি কুমিল্লা-৬ আসনের সরকারদলীয় সদস্য মনিরুল হক চৌধুরী। তিনি মন্ত্রীর উত্তরে হতাশা ও ক্ষোভ প্রকাশ করেন।

রোববার জরুরি জনগুরুত্বপূর্ণ নোটিশের আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি কুমিল্লার পদুয়ার বাজার এলাকায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক ও কুমিল্লা–নোয়াখালী সংযোগস্থলের ভয়াবহ অবস্থা তুলে ধরেন। তার অভিযোগ, অবৈধ ব্যারিকেড, আন্ডারপাস ও সার্ভিস লেনের অভাবে এলাকাটি ‘মরণ ফাঁদে’ পরিণত হয়েছে।

জবাবে সড়ক পরিবহনমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম জানান, পদুয়ার বাজার এলাকায় ইউলুপ নির্মাণকাজ চলমান এবং প্রকল্পের প্রায় অর্ধেক শেষ। বর্তমানে ব্যয় বাড়ানোর সুযোগ নেই বলেও তিনি উল্লেখ করেন। এছাড়া মহাসড়ক ১০ লেনে উন্নীত করার সম্ভাব্যতা যাচাই চলছে এবং ওই এলাকায় পাঁচটি আন্ডারপাস নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে।

সম্পূরক প্রশ্নে মনিরুল হক চৌধুরী বলেন, বিপুল অর্থ ব্যয়ের পরও আন্ডারপাস বা ওভারপাসের কাজ হয়নি এবং দুর্ঘটনায় প্রাণহানির পরও কেউ ক্ষতিপূরণ পায়নি।

মন্ত্রী জবাবে বলেন, এটি পূর্ববর্তী প্রকল্প, যেখানে সীমিত পরিসরে নকশা ও বাজেট সমন্বয় করে কাজ এগোচ্ছে। নতুন সরকার বিষয়টি গুরুত্বসহকারে দেখছে এবং সংশ্লিষ্টদের সেখানে পাঠানো হয়েছে। দ্রুত কিছু দৃশ্যমান অগ্রগতি হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

পরে স্পিকারের সরাসরি প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী স্বীকার করেন, গৃহীত পদক্ষেপে সমস্যার “আংশিক” সমাধান হবে।

জনপ্রিয়

সড়ক অবকাঠামো নিয়ে মন্ত্রীর জবাবে অসন্তোষ, সংসদে ক্ষোভ প্রকাশ এমপি মনিরুলের

প্রকাশিত : ১১:১৫:৫৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ৬ এপ্রিল ২০২৬

জাতীয় সংসদে সড়ক অবকাঠামোর উন্নয়নসংক্রান্ত প্রশ্নের জবাবে সন্তুষ্ট হতে পারেননি কুমিল্লা-৬ আসনের সরকারদলীয় সদস্য মনিরুল হক চৌধুরী। তিনি মন্ত্রীর উত্তরে হতাশা ও ক্ষোভ প্রকাশ করেন।

রোববার জরুরি জনগুরুত্বপূর্ণ নোটিশের আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি কুমিল্লার পদুয়ার বাজার এলাকায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক ও কুমিল্লা–নোয়াখালী সংযোগস্থলের ভয়াবহ অবস্থা তুলে ধরেন। তার অভিযোগ, অবৈধ ব্যারিকেড, আন্ডারপাস ও সার্ভিস লেনের অভাবে এলাকাটি ‘মরণ ফাঁদে’ পরিণত হয়েছে।

জবাবে সড়ক পরিবহনমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম জানান, পদুয়ার বাজার এলাকায় ইউলুপ নির্মাণকাজ চলমান এবং প্রকল্পের প্রায় অর্ধেক শেষ। বর্তমানে ব্যয় বাড়ানোর সুযোগ নেই বলেও তিনি উল্লেখ করেন। এছাড়া মহাসড়ক ১০ লেনে উন্নীত করার সম্ভাব্যতা যাচাই চলছে এবং ওই এলাকায় পাঁচটি আন্ডারপাস নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে।

সম্পূরক প্রশ্নে মনিরুল হক চৌধুরী বলেন, বিপুল অর্থ ব্যয়ের পরও আন্ডারপাস বা ওভারপাসের কাজ হয়নি এবং দুর্ঘটনায় প্রাণহানির পরও কেউ ক্ষতিপূরণ পায়নি।

মন্ত্রী জবাবে বলেন, এটি পূর্ববর্তী প্রকল্প, যেখানে সীমিত পরিসরে নকশা ও বাজেট সমন্বয় করে কাজ এগোচ্ছে। নতুন সরকার বিষয়টি গুরুত্বসহকারে দেখছে এবং সংশ্লিষ্টদের সেখানে পাঠানো হয়েছে। দ্রুত কিছু দৃশ্যমান অগ্রগতি হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

পরে স্পিকারের সরাসরি প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী স্বীকার করেন, গৃহীত পদক্ষেপে সমস্যার “আংশিক” সমাধান হবে।