০৬:৪১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬

বিএনপি নেতা কাজল আহমেদ জালালীকে হত্যার হুমকি

বিএনপি নেতা কাজল আহমেদ জালালী ও তার বাড়িঘরে আওয়ামী সন্ত্রাসীদের হামলার দৃশ্য। ছবিঃ সংগৃহীত


সরকারবিরোধী আন্দোলনে জড়িত থাকার অভিযোগে বিএনপি’র কেন্দ্রীয় নেতা কাজল আহমেদ জালালী বিগত ১৫ বছর ধরে আওয়ামী লীগ শাসনামলে নির্যাতনের শিকার। রাজনীতিতে সক্রিয় ভূমিকা ও স্বৈরিণী শেখ হাসিনার দুঃশাসনের নিপীড়নের বিরুদ্ধে সোচ্চার ও প্রতিবাদী ভূমিকা রাখায় জালালী এবং তার পরিবারের উপর জুলুম নির্যাতন ও আওয়ামী লীগের দমন পীড়নের টার্গেটে পরিণত হয়। শেখ হাসিনার ১৫ বছরের স্বৈরশাসনে পুরো জালালী পরিবারে বিভিন্ন সময় হামলা-মামলা অন্যায়-অত্যাচার ও শোষণ নির্যাতন চালায় পরিকল্পিত ভাবে।

কাজল আহমেদ জালালী তার জাতীয়তাবাদী রাজনৈতিক জীবনে – সাবেক সহ-সাধারণ সম্পাদক জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল কেন্দ্রীয় সংসদ, সাবেক সহ-প্রচার সম্পাদক জাতীয়তাবাদী যুবদল (ঢাকা মহানগর উত্তর), সাবেক সহ-সভাপতি জাতীয়তাবাদী যুবদল (মহানগর উত্তর), উপদেষ্টা জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দল কেন্দ্রীয় কমিটিসহ বহু পদ পদবিতে ছিলেন। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার বিশ্বস্ত ভ্যানগার্ড এবং বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের অতি প্রিয় ও আস্থাভাজন ব্যক্তি কাজল আহমেদ জালালী।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার (৬) বাঞ্ছারামপুর উপজেলার সাবেক এমপি ও মুক্তিযুদ্ধা বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ক্যাপ্টেন এবি তাজুল ইসলাম বাঞ্ছারামপুর বিএনপি রাজনীতিতে না আসার জন্য জালালীকে হুমকি প্রদান করেন এবং তার জালালী পরিবারের উপর নানা ভাবে অত্যাচার নির্যাতন ও গায়েবি মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করে আসছিলেন দীর্ঘদিন ধরে।

ক্যাপ্টেন এবি তাজুল ইসলাম বলেন, কাজল জালালী বাঞ্ছারামপুর বিএনপির রাজনীতিতে আসলে বাঞ্ছারামপুর বিএনপি চাঙ্গা হয়ে যাবে সুতরাং কাজলকে বাঞ্ছারামপুর আসতে দেওয়া হবে না। আর যদি সে বাঞ্ছারামপুর রাজনীতি করতে আসে তাহলে তাকে হত্যা করে লাশ নদীতে ভাসিয়ে দেওয়ার পরিকল্পনা করেন।

তিনি আরও বলেন, কাজল আহমেদ জালালী যেন তার জন্মস্থান বাঞ্ছারামপুর কখনোই না আসে। আওয়ামী লীগ সন্ত্রাসী বাহিনীর কারণে বাধ্য হয়ে কাজল আহমেদ জালালী তার জন্মস্থান বাঞ্ছারামপুর নিজ বাড়িতে বিগত ১৫ বছর যেতে পারেনি এবং জালালীকে আসতে দেওয়া হয়নি পরিকল্পিতভাবে হত্যার পরিকল্পনার মাধ্যমে। শহরে থেকেও মেলেনি তার জীবনের নিশ্চয়তা ও নিরাপত্তা। এক পর্যায়ে প্রাণ নাশের শঙ্কায় বাধ্য হন তার সকল ব্যাবসা প্রতিষ্ঠান রেখে লন্ডনে নির্বাসিত জীবন বেছে নিতে।

কাজল আহমেদ জালালী-কে কেন্দ্র করে এমপি তাজুল ইসলাম ও তার দলের পোষা সন্ত্রাস বাহিনী জালালী বাড়ির সাধারণ মানুষদের উপর হামলা, মামলা অন্যায় অত্যাচার ও নির্মম নির্যাতন চালিয়েছেন। প্রশাসনের আশ্রয় নিতে চাইলে আসতো নানাবিধ বাধা বিপত্তি। ফলে প্রশাসনের সহায়তা ও মেলেনি। অতি ক্ষুদ্র এবং তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে আওয়ামী নেতাকর্মীগন বাড়িতে ভাংচুর চালাতেন এবং বাড়িতে থাকা টাকা পয়সাসহ স্বর্ণ অলংকার লুট করে নিয়ে যেতেন।

২০১৩ সালে একটি ক্ষুদ্র ক্রিকেট খেলাকে কেন্দ্র করে আওয়ামী লীগের নেতা হানিফ মিয়া ও আমানত শাহ্ গ্রুপের চেয়ারম্যান হেলাল মিয়ার নির্দেশে ভেঙ্গে ফেলে ঘড়-বাড়িসহ দুটি মাইক্রোবাস ও একটি মটর সাইকেল এবং কুপিয়ে যখম করেন বাড়িতে থাকা মহিলাদের। এতেও আইনের সহায়তা চাইলে মেলেনি সহায়তা ও পাওয়া যায়নি সুষ্ঠু বিচার।

২০২০ সালে জুন মাসে ক্যাপ্টেন এবি তাজুল ইসলামের ভাগিনা কাজী জাদিদ আল রহমান জনি-র নির্দেশে এবং আমানত শাহ্ গ্রুপের চেয়ারম্যান হেলাল মিয়ার বড় ভাই হাজী মোঃ ফরিদ মিয়ার নেতৃত্বে ভেঙ্গে ফেলা হয় হযরত সরেকুম মযরত ফকির শাহ্‌ সুলতাল আহমেদ জালালী-র দরবার শরিফ। এসময় প্রতিবাদ করলে আওয়ামী সন্ত্রাসী বাহিনী হত্যার উদ্দেশ্য কুপিয়ে মারাত্মকভাবে জখম করে উপস্থিত জালালী বাড়ির প্রায় ৪-৫ জনকে এবং আরো আহত হয় ১০-১৫ জন। এই ঘটনায় আইনের সহায়তা চাইলে মেলেনি কোনো প্রতিকার, পাওয়া যায়নি সুষ্ঠ বিচার।

উল্লেখ্য, ২০১৮ সালে কাজল আহমেদ জালালীর ভাতিজা মো বায়েছ জালালী ছাত্রদলের রাজনীতির সাথে জড়িত থাকায় স্থানীয় এমপি তাজুল ইসলামের নির্দেশে মালিবাগ মোড় থেকে ০৬ নভেম্বর ২০১৮ সালে গ্রেফতার করে পুলিশ। শাহজাহানপুর থানা মামলা নং – ০৬/১১/২০১৮ । মোঃ বায়েছ জালালী তৎকালীন ঢাকা কলেজ শাখার ছাত্রদলের সহ-সাধারণ সম্পাদক পদে ছিলেন । শাহজাহানপুর থানা পুলিশ বায়েছ জালালীকে গ্রেফতারের পর তিন দিনের রিমান্ড এনে তার উপর অমানুষিক নির্যাতন চালায় আইনশৃঙ্খলার পোশাকে থাকা আওয়ামী পুলিশ।

কাজল আহমেদ জালালী-র আরেক ভাতিজা শাহাবুদ্দিন জালালী রূপসদী ইউনিয়ন “পরিবার পরিকল্পনা পরিদর্শক” অফিস চলাকালীন সময়ে নিজ অফিসের ভেতর ১৮ অক্টোবর ২০২০ সালে স্থানীয় ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি ফেরদৌস মিয়া ও তার সন্ত্রাস বাহিনী নিয়ে আতর্কিত হামলা ও ছুড়িকাঘাত করে প্রাণে মারিয়া ফেলার চেষ্ঠা করেন। পরবর্তীতে শাহবুদ্দিন জালালী বাঞ্ছারামপুর থানায় মামলা করলে তাকে আবারো হত্যার ভয় দেখিয়ে এবং মামলার আপোষ করতে বাধ্য করেন। বাঞ্ছারামপুর থানা, মামলা নং-১৪ তারিখ ১৮-১০-২০ জি. আর-১৪২/২০

২০২৪ সালে কাজল আহমেদ জালালী ভাতিজা অন্তর আহমেদ জালালী সহ ১০ জনের সমন্বয়ে ছাত্র আন্দোলন শুরু করলে আসে নানান বাধা বিপত্তি। অন্তর আহমেদ জালালী নেতৃত্ব দেওয়ার কারনে নানা অত্যাচার নির্যাতন সহ্য করতে হয়। পরবর্তীতে ১ দফা দাবি জানালে আওয়ামী লীগের চেয়ারম্যান আব্দুল হাকিম ও তার তথাকথিত সন্ত্রাস বাহিনী নিয়ে ছাত্র-ছাত্রীদের উপর হামলা করেন। এই গঠনাকে কেন্দ্র করে ক্যাপ্টেন তাজুল ইসলামের নির্দেশে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান অন্তর আহমেদ জালালীকে আসামী করে থানায় মামলা দেন।

এছাড়াও গত ৫ই আগস্ট ২০২৪ সকাল ১০ ঘটিকায় অন্তর আহমেদ জালালী-কে ছাত্রলীগ কর্মীগন হত্যা করার উদ্দেশ্য খুঁজতে থাকেন এবং ফোন আলাপের মাধ্যমে হত্যার হুমকি দেন এবং রিয়াদুল হাসান বাবুর নেতৃত্বে এখনো অন্তর আহমেদ জালালী-কে হত্যার চেষ্টা চলিয়ে যাচ্ছেন।

শুধু মাত্র রাজনৈতিক ভিন্ন মত পোষণের জন্য ফ্যাসিস্ট সরকারের তীব্র রোষানলে পড়তে হয় জালালী পরিবারকে। ব্যবসা-বানিজ্য, চাকুরি ও সকল কর্মক্ষেত্রে নির্যাতন ও বৈষম্যের শিকার হয় জালালী পরিবার। এই জালেম সরকারের এমপি ও আওয়ামী লীগ সন্ত্রাস বাহিনী জালালী পরিবারের প্রত্যেকটা মানুষের জীবন দুর্বিষহ করে তুলেছিল।

কাজল আহমেদ জালালী সুদক্ষ নেতৃত্বে স্বৈরাচার পতন আন্দোলন জালালী পরিবারের প্রত্যেকটি মানুষ মরণকে বৃদ্ধাগুলি দেখিয়ে স্বৈরাচার পতনে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে। অতি সম্প্রতি সেনাবাহিনীকে মেজিট্রেসি ক্ষমতা দেওয়ার পর হেলাল মিয়ার লোকজন হুমকি দিয়ে বলে বেড়াচ্ছেন যে কাজল জালালী দেশে গেলে সাবেক সেনা প্রধানের মাধ্যমে তাকে প্রাণে মেরে ফেলবে।

জনপ্রিয়

জাতীয় পুনর্গঠন কৌশল (National Reconstruction Strategies)

বিএনপি নেতা কাজল আহমেদ জালালীকে হত্যার হুমকি

প্রকাশিত : ০৫:৪৮:২৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৪

সরকারবিরোধী আন্দোলনে জড়িত থাকার অভিযোগে বিএনপি’র কেন্দ্রীয় নেতা কাজল আহমেদ জালালী বিগত ১৫ বছর ধরে আওয়ামী লীগ শাসনামলে নির্যাতনের শিকার। রাজনীতিতে সক্রিয় ভূমিকা ও স্বৈরিণী শেখ হাসিনার দুঃশাসনের নিপীড়নের বিরুদ্ধে সোচ্চার ও প্রতিবাদী ভূমিকা রাখায় জালালী এবং তার পরিবারের উপর জুলুম নির্যাতন ও আওয়ামী লীগের দমন পীড়নের টার্গেটে পরিণত হয়। শেখ হাসিনার ১৫ বছরের স্বৈরশাসনে পুরো জালালী পরিবারে বিভিন্ন সময় হামলা-মামলা অন্যায়-অত্যাচার ও শোষণ নির্যাতন চালায় পরিকল্পিত ভাবে।

কাজল আহমেদ জালালী তার জাতীয়তাবাদী রাজনৈতিক জীবনে – সাবেক সহ-সাধারণ সম্পাদক জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল কেন্দ্রীয় সংসদ, সাবেক সহ-প্রচার সম্পাদক জাতীয়তাবাদী যুবদল (ঢাকা মহানগর উত্তর), সাবেক সহ-সভাপতি জাতীয়তাবাদী যুবদল (মহানগর উত্তর), উপদেষ্টা জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দল কেন্দ্রীয় কমিটিসহ বহু পদ পদবিতে ছিলেন। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার বিশ্বস্ত ভ্যানগার্ড এবং বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের অতি প্রিয় ও আস্থাভাজন ব্যক্তি কাজল আহমেদ জালালী।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার (৬) বাঞ্ছারামপুর উপজেলার সাবেক এমপি ও মুক্তিযুদ্ধা বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ক্যাপ্টেন এবি তাজুল ইসলাম বাঞ্ছারামপুর বিএনপি রাজনীতিতে না আসার জন্য জালালীকে হুমকি প্রদান করেন এবং তার জালালী পরিবারের উপর নানা ভাবে অত্যাচার নির্যাতন ও গায়েবি মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করে আসছিলেন দীর্ঘদিন ধরে।

ক্যাপ্টেন এবি তাজুল ইসলাম বলেন, কাজল জালালী বাঞ্ছারামপুর বিএনপির রাজনীতিতে আসলে বাঞ্ছারামপুর বিএনপি চাঙ্গা হয়ে যাবে সুতরাং কাজলকে বাঞ্ছারামপুর আসতে দেওয়া হবে না। আর যদি সে বাঞ্ছারামপুর রাজনীতি করতে আসে তাহলে তাকে হত্যা করে লাশ নদীতে ভাসিয়ে দেওয়ার পরিকল্পনা করেন।

তিনি আরও বলেন, কাজল আহমেদ জালালী যেন তার জন্মস্থান বাঞ্ছারামপুর কখনোই না আসে। আওয়ামী লীগ সন্ত্রাসী বাহিনীর কারণে বাধ্য হয়ে কাজল আহমেদ জালালী তার জন্মস্থান বাঞ্ছারামপুর নিজ বাড়িতে বিগত ১৫ বছর যেতে পারেনি এবং জালালীকে আসতে দেওয়া হয়নি পরিকল্পিতভাবে হত্যার পরিকল্পনার মাধ্যমে। শহরে থেকেও মেলেনি তার জীবনের নিশ্চয়তা ও নিরাপত্তা। এক পর্যায়ে প্রাণ নাশের শঙ্কায় বাধ্য হন তার সকল ব্যাবসা প্রতিষ্ঠান রেখে লন্ডনে নির্বাসিত জীবন বেছে নিতে।

কাজল আহমেদ জালালী-কে কেন্দ্র করে এমপি তাজুল ইসলাম ও তার দলের পোষা সন্ত্রাস বাহিনী জালালী বাড়ির সাধারণ মানুষদের উপর হামলা, মামলা অন্যায় অত্যাচার ও নির্মম নির্যাতন চালিয়েছেন। প্রশাসনের আশ্রয় নিতে চাইলে আসতো নানাবিধ বাধা বিপত্তি। ফলে প্রশাসনের সহায়তা ও মেলেনি। অতি ক্ষুদ্র এবং তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে আওয়ামী নেতাকর্মীগন বাড়িতে ভাংচুর চালাতেন এবং বাড়িতে থাকা টাকা পয়সাসহ স্বর্ণ অলংকার লুট করে নিয়ে যেতেন।

২০১৩ সালে একটি ক্ষুদ্র ক্রিকেট খেলাকে কেন্দ্র করে আওয়ামী লীগের নেতা হানিফ মিয়া ও আমানত শাহ্ গ্রুপের চেয়ারম্যান হেলাল মিয়ার নির্দেশে ভেঙ্গে ফেলে ঘড়-বাড়িসহ দুটি মাইক্রোবাস ও একটি মটর সাইকেল এবং কুপিয়ে যখম করেন বাড়িতে থাকা মহিলাদের। এতেও আইনের সহায়তা চাইলে মেলেনি সহায়তা ও পাওয়া যায়নি সুষ্ঠু বিচার।

২০২০ সালে জুন মাসে ক্যাপ্টেন এবি তাজুল ইসলামের ভাগিনা কাজী জাদিদ আল রহমান জনি-র নির্দেশে এবং আমানত শাহ্ গ্রুপের চেয়ারম্যান হেলাল মিয়ার বড় ভাই হাজী মোঃ ফরিদ মিয়ার নেতৃত্বে ভেঙ্গে ফেলা হয় হযরত সরেকুম মযরত ফকির শাহ্‌ সুলতাল আহমেদ জালালী-র দরবার শরিফ। এসময় প্রতিবাদ করলে আওয়ামী সন্ত্রাসী বাহিনী হত্যার উদ্দেশ্য কুপিয়ে মারাত্মকভাবে জখম করে উপস্থিত জালালী বাড়ির প্রায় ৪-৫ জনকে এবং আরো আহত হয় ১০-১৫ জন। এই ঘটনায় আইনের সহায়তা চাইলে মেলেনি কোনো প্রতিকার, পাওয়া যায়নি সুষ্ঠ বিচার।

উল্লেখ্য, ২০১৮ সালে কাজল আহমেদ জালালীর ভাতিজা মো বায়েছ জালালী ছাত্রদলের রাজনীতির সাথে জড়িত থাকায় স্থানীয় এমপি তাজুল ইসলামের নির্দেশে মালিবাগ মোড় থেকে ০৬ নভেম্বর ২০১৮ সালে গ্রেফতার করে পুলিশ। শাহজাহানপুর থানা মামলা নং – ০৬/১১/২০১৮ । মোঃ বায়েছ জালালী তৎকালীন ঢাকা কলেজ শাখার ছাত্রদলের সহ-সাধারণ সম্পাদক পদে ছিলেন । শাহজাহানপুর থানা পুলিশ বায়েছ জালালীকে গ্রেফতারের পর তিন দিনের রিমান্ড এনে তার উপর অমানুষিক নির্যাতন চালায় আইনশৃঙ্খলার পোশাকে থাকা আওয়ামী পুলিশ।

কাজল আহমেদ জালালী-র আরেক ভাতিজা শাহাবুদ্দিন জালালী রূপসদী ইউনিয়ন “পরিবার পরিকল্পনা পরিদর্শক” অফিস চলাকালীন সময়ে নিজ অফিসের ভেতর ১৮ অক্টোবর ২০২০ সালে স্থানীয় ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি ফেরদৌস মিয়া ও তার সন্ত্রাস বাহিনী নিয়ে আতর্কিত হামলা ও ছুড়িকাঘাত করে প্রাণে মারিয়া ফেলার চেষ্ঠা করেন। পরবর্তীতে শাহবুদ্দিন জালালী বাঞ্ছারামপুর থানায় মামলা করলে তাকে আবারো হত্যার ভয় দেখিয়ে এবং মামলার আপোষ করতে বাধ্য করেন। বাঞ্ছারামপুর থানা, মামলা নং-১৪ তারিখ ১৮-১০-২০ জি. আর-১৪২/২০

২০২৪ সালে কাজল আহমেদ জালালী ভাতিজা অন্তর আহমেদ জালালী সহ ১০ জনের সমন্বয়ে ছাত্র আন্দোলন শুরু করলে আসে নানান বাধা বিপত্তি। অন্তর আহমেদ জালালী নেতৃত্ব দেওয়ার কারনে নানা অত্যাচার নির্যাতন সহ্য করতে হয়। পরবর্তীতে ১ দফা দাবি জানালে আওয়ামী লীগের চেয়ারম্যান আব্দুল হাকিম ও তার তথাকথিত সন্ত্রাস বাহিনী নিয়ে ছাত্র-ছাত্রীদের উপর হামলা করেন। এই গঠনাকে কেন্দ্র করে ক্যাপ্টেন তাজুল ইসলামের নির্দেশে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান অন্তর আহমেদ জালালীকে আসামী করে থানায় মামলা দেন।

এছাড়াও গত ৫ই আগস্ট ২০২৪ সকাল ১০ ঘটিকায় অন্তর আহমেদ জালালী-কে ছাত্রলীগ কর্মীগন হত্যা করার উদ্দেশ্য খুঁজতে থাকেন এবং ফোন আলাপের মাধ্যমে হত্যার হুমকি দেন এবং রিয়াদুল হাসান বাবুর নেতৃত্বে এখনো অন্তর আহমেদ জালালী-কে হত্যার চেষ্টা চলিয়ে যাচ্ছেন।

শুধু মাত্র রাজনৈতিক ভিন্ন মত পোষণের জন্য ফ্যাসিস্ট সরকারের তীব্র রোষানলে পড়তে হয় জালালী পরিবারকে। ব্যবসা-বানিজ্য, চাকুরি ও সকল কর্মক্ষেত্রে নির্যাতন ও বৈষম্যের শিকার হয় জালালী পরিবার। এই জালেম সরকারের এমপি ও আওয়ামী লীগ সন্ত্রাস বাহিনী জালালী পরিবারের প্রত্যেকটা মানুষের জীবন দুর্বিষহ করে তুলেছিল।

কাজল আহমেদ জালালী সুদক্ষ নেতৃত্বে স্বৈরাচার পতন আন্দোলন জালালী পরিবারের প্রত্যেকটি মানুষ মরণকে বৃদ্ধাগুলি দেখিয়ে স্বৈরাচার পতনে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে। অতি সম্প্রতি সেনাবাহিনীকে মেজিট্রেসি ক্ষমতা দেওয়ার পর হেলাল মিয়ার লোকজন হুমকি দিয়ে বলে বেড়াচ্ছেন যে কাজল জালালী দেশে গেলে সাবেক সেনা প্রধানের মাধ্যমে তাকে প্রাণে মেরে ফেলবে।