০৭:৫৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬

শরিকদেরকে আসনে ছাড়, জানানো হয়নি বৈঠকে

ডেস্ক নিউজ 

১৪ দলের শরিকদেরকে আসন সমঝোতা নিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বৈঠক করলেও কোন কোন আসনে ছাড় দেওয়া হচ্ছে, বিষয়টি জানানো হয়নি। আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, মঙ্গলবার বেলা ১২টায় সংবাদ সম্মেলন করে এ বিষয়ে জানাবেন দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। আজ রাতে গণভবনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে জোটের শরিক দলের শীর্ষ নেতাদের বৈঠকের সময়ই ক্ষমতাসীন দলের দপ্তর সম্পাদক বিপ্লব বড়ুয়া সাংবাদিকদের ক্ষুদে বার্তা পাঠান।

সোমবার সন্ধ্যায় প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবনে সোমবার (৪ ডিসেম্বর) সন্ধ্যা ৬টায় বৈঠক শুরু হয়। এর আগে বৈঠক শেষে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বিফ্রিং করবেন বলে জানিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রীর উপ প্রেস সচিব হাসান জাহিদ তুষার। তিনি বলেন, ১৪ দলের মিটিং শেষে আওয়ামী লীগ সভাপতির ধানমন্ডির রাজনৈতিক কার্যালয়ে বিফ্রিং করবেন দলের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

নির্বাচনে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের সঙ্গে জোটগত নির্বাচন নিয়ে আলোচনা হয় বৈঠকে। জোটের শরিকরা কয়টি আসন পেতে পারে সেই বিষয়েও আলোচনার বিষয়ে আশাবাদি ছিলেন  শরিক দলগুলোর কয়েকজন নেতা। তবে বৈঠক শেষে তাদের কোন প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। এদিকে বৈঠকে আসন্ন দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে ১৪ দলের জোটের শরিকদের কোন আসন ছেড়ে দেওয়া হবে তা নিয়ে আলোচনা হওয়ার কথা থাকলেও শেষ অবধি সিদ্ধান্ত জানানো হয়নি।

বৈঠকে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের, ১৪ দলের সমন্বয়ক আমির হোসেন আমু, জাতীয় পার্টির (জেপি) সভাপতি আনোয়ার হোসেন মঞ্জু, বাংলাদেশের ওয়াকার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেনন ও ফজলে হোসেন বাদশা, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল জাসদের সভাপতি হাসানুল হক ইনু ও সাধারণ সম্পাদক শিরিন আখতার, সাম্যবাদী দলের সাধারণ সম্পাদক দীলিপ বড়ুয়া, তরিকত ফেডারেশনের চেয়ারম্যান নজিবুল বশর মাইজভান্ডারীসহ অন্য নেতারা অংশ নিচ্ছেন।

রোববার জোটের শরিক তরিকত ফেডারেশনের চেয়ারম্যান নজিবুল বশর মাইজভান্ডারী বলেছিলেন, ‘বৈঠকে দরকষাকষি হবে, সেখান থেকে চূড়ান্তভাবে কে কত আসন পাবে তা ঠিক হবে।’ আগের তিনটি জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আসন ভাগাভাগি করে ভোটে অংশ নিয়েছিল আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন চৌদ্দ দলীয় জোট। নৌকা প্রতীকে নির্বাচনের নিশ্চয়তা পাওয়ার পর মনোনয়নপত্র জমা দেন জোটের নেতারা।

নির্বাচনের মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার সময় পার হলেও আসন বণ্টন করেনি দলটি। শরিকদের মাত্র দুটি আসন ছেড়ে ২৯৮ আসনেই প্রার্থী দিয়েছে আওয়ামী লীগ। তবে তারা জোটবদ্ধ হয়ে নির্বাচনে যাবে, এ কথা নির্বাচন কমিশনে লিখিতভাবে জানিয়েছে আগেই।

১৪ দলের শরিক দলগুলোও আলাদাভাবে প্রার্থী মনোনয়ন দিয়েছে। গত নির্বাচনেও আওয়ামী লীগ ও শরিক দলগুলো প্রথমে আলাদা প্রার্থী দিয়েছিল। শেষ পর্যন্ত ১৬টি আসনে শরিকদের ছাড় দেয় ক্ষমতাসীন দল।

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

জাতীয় পুনর্গঠন কৌশল (National Reconstruction Strategies)

শরিকদেরকে আসনে ছাড়, জানানো হয়নি বৈঠকে

প্রকাশিত : ১০:৪২:৩৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ৪ ডিসেম্বর ২০২৩

ডেস্ক নিউজ 

১৪ দলের শরিকদেরকে আসন সমঝোতা নিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বৈঠক করলেও কোন কোন আসনে ছাড় দেওয়া হচ্ছে, বিষয়টি জানানো হয়নি। আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, মঙ্গলবার বেলা ১২টায় সংবাদ সম্মেলন করে এ বিষয়ে জানাবেন দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। আজ রাতে গণভবনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে জোটের শরিক দলের শীর্ষ নেতাদের বৈঠকের সময়ই ক্ষমতাসীন দলের দপ্তর সম্পাদক বিপ্লব বড়ুয়া সাংবাদিকদের ক্ষুদে বার্তা পাঠান।

সোমবার সন্ধ্যায় প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবনে সোমবার (৪ ডিসেম্বর) সন্ধ্যা ৬টায় বৈঠক শুরু হয়। এর আগে বৈঠক শেষে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বিফ্রিং করবেন বলে জানিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রীর উপ প্রেস সচিব হাসান জাহিদ তুষার। তিনি বলেন, ১৪ দলের মিটিং শেষে আওয়ামী লীগ সভাপতির ধানমন্ডির রাজনৈতিক কার্যালয়ে বিফ্রিং করবেন দলের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

নির্বাচনে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের সঙ্গে জোটগত নির্বাচন নিয়ে আলোচনা হয় বৈঠকে। জোটের শরিকরা কয়টি আসন পেতে পারে সেই বিষয়েও আলোচনার বিষয়ে আশাবাদি ছিলেন  শরিক দলগুলোর কয়েকজন নেতা। তবে বৈঠক শেষে তাদের কোন প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। এদিকে বৈঠকে আসন্ন দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে ১৪ দলের জোটের শরিকদের কোন আসন ছেড়ে দেওয়া হবে তা নিয়ে আলোচনা হওয়ার কথা থাকলেও শেষ অবধি সিদ্ধান্ত জানানো হয়নি।

বৈঠকে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের, ১৪ দলের সমন্বয়ক আমির হোসেন আমু, জাতীয় পার্টির (জেপি) সভাপতি আনোয়ার হোসেন মঞ্জু, বাংলাদেশের ওয়াকার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেনন ও ফজলে হোসেন বাদশা, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল জাসদের সভাপতি হাসানুল হক ইনু ও সাধারণ সম্পাদক শিরিন আখতার, সাম্যবাদী দলের সাধারণ সম্পাদক দীলিপ বড়ুয়া, তরিকত ফেডারেশনের চেয়ারম্যান নজিবুল বশর মাইজভান্ডারীসহ অন্য নেতারা অংশ নিচ্ছেন।

রোববার জোটের শরিক তরিকত ফেডারেশনের চেয়ারম্যান নজিবুল বশর মাইজভান্ডারী বলেছিলেন, ‘বৈঠকে দরকষাকষি হবে, সেখান থেকে চূড়ান্তভাবে কে কত আসন পাবে তা ঠিক হবে।’ আগের তিনটি জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আসন ভাগাভাগি করে ভোটে অংশ নিয়েছিল আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন চৌদ্দ দলীয় জোট। নৌকা প্রতীকে নির্বাচনের নিশ্চয়তা পাওয়ার পর মনোনয়নপত্র জমা দেন জোটের নেতারা।

নির্বাচনের মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার সময় পার হলেও আসন বণ্টন করেনি দলটি। শরিকদের মাত্র দুটি আসন ছেড়ে ২৯৮ আসনেই প্রার্থী দিয়েছে আওয়ামী লীগ। তবে তারা জোটবদ্ধ হয়ে নির্বাচনে যাবে, এ কথা নির্বাচন কমিশনে লিখিতভাবে জানিয়েছে আগেই।

১৪ দলের শরিক দলগুলোও আলাদাভাবে প্রার্থী মনোনয়ন দিয়েছে। গত নির্বাচনেও আওয়ামী লীগ ও শরিক দলগুলো প্রথমে আলাদা প্রার্থী দিয়েছিল। শেষ পর্যন্ত ১৬টি আসনে শরিকদের ছাড় দেয় ক্ষমতাসীন দল।