১১:৪২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৫ মে ২০২৬

টুকু, রাজিব, আকরামসহ বিএনপির ২৫ নেতাকর্মীর সাজা

পুলিশের কাজে বাধা দেওয়ার ঘটনায় পল্টন থানার করা মামলায় (মামলা নং- ৪৬/১০/১৭) যুবদলের সভাপতি সুলতাল সালাহ উদ্দিন টুকু ও স্বেচ্ছাসেবক দলের সেক্রেটারি রাজিব আহসান, ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আকরামুল হাসানসহ ২৫ জনের দুই বছরের সাজা দিয়েছেন আদালত।

সোমবার (২০ নভেম্বর) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আতাউল্লাহ এ রায় ঘোষণা করেন। কারাদণ্ডের পাশাপাশি প্রত্যেকের পাঁচ হাজার টাকা জরিমানার আদেশ দেন আদালত। জরিমানা অনাদায়ে তাদের আরও এক মাসের কারাভোগ করতে হবে। তবে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় যুবদলের সাংগঠনিক সম্পাদক ইসহাক সরকারসহ ১২ জনকে খালাস প্রদান করেন আদালত।

মামলার উল্লেখযোগ্য আসামিরা হলেন- বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব হাবীবুন নবী খান সোহেল, তথ্য ও গবেষণাবিষয়ক সম্পাদক আজিজুল বারী হেলাল, যুবদলের সাবেক সভাপতি সাইফুল আলম নীরব, হাবিবুর রশিদ হাবিব, যুবদল দক্ষিণের সভাপতি এনামুল হক এনাম।

মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, ২০১৭ সালের ২৮ অক্টোবর বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া নয়া পল্টন কেন্দ্রীয় কার্যালয় হয়ে ফেনীর যাবেন। বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে আসলে আসামিরা পুলিশের কাজে বাধা দেন। পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করেন। এ ঘটনায় পল্টন মডেল থানার এসআই আবুল কালাম আজাদ বাদী হয়ে একটি মামলা দায়ের করেন। ২০১৯ সালের ৬ আগস্ট বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব হাবীবুন নবী খানসহ ৪০ জনের নামে চার্জশিট দাখিল করেন। এরপর আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন আদালত। মামলায় বিভিন্ন সময় পাঁচজন আদালতে সাক্ষ্য দেন।

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

কোন পথে বাংলাদেশ?

টুকু, রাজিব, আকরামসহ বিএনপির ২৫ নেতাকর্মীর সাজা

প্রকাশিত : ০৪:৪৪:৫৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ নভেম্বর ২০২৩

পুলিশের কাজে বাধা দেওয়ার ঘটনায় পল্টন থানার করা মামলায় (মামলা নং- ৪৬/১০/১৭) যুবদলের সভাপতি সুলতাল সালাহ উদ্দিন টুকু ও স্বেচ্ছাসেবক দলের সেক্রেটারি রাজিব আহসান, ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আকরামুল হাসানসহ ২৫ জনের দুই বছরের সাজা দিয়েছেন আদালত।

সোমবার (২০ নভেম্বর) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আতাউল্লাহ এ রায় ঘোষণা করেন। কারাদণ্ডের পাশাপাশি প্রত্যেকের পাঁচ হাজার টাকা জরিমানার আদেশ দেন আদালত। জরিমানা অনাদায়ে তাদের আরও এক মাসের কারাভোগ করতে হবে। তবে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় যুবদলের সাংগঠনিক সম্পাদক ইসহাক সরকারসহ ১২ জনকে খালাস প্রদান করেন আদালত।

মামলার উল্লেখযোগ্য আসামিরা হলেন- বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব হাবীবুন নবী খান সোহেল, তথ্য ও গবেষণাবিষয়ক সম্পাদক আজিজুল বারী হেলাল, যুবদলের সাবেক সভাপতি সাইফুল আলম নীরব, হাবিবুর রশিদ হাবিব, যুবদল দক্ষিণের সভাপতি এনামুল হক এনাম।

মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, ২০১৭ সালের ২৮ অক্টোবর বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া নয়া পল্টন কেন্দ্রীয় কার্যালয় হয়ে ফেনীর যাবেন। বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে আসলে আসামিরা পুলিশের কাজে বাধা দেন। পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করেন। এ ঘটনায় পল্টন মডেল থানার এসআই আবুল কালাম আজাদ বাদী হয়ে একটি মামলা দায়ের করেন। ২০১৯ সালের ৬ আগস্ট বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব হাবীবুন নবী খানসহ ৪০ জনের নামে চার্জশিট দাখিল করেন। এরপর আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন আদালত। মামলায় বিভিন্ন সময় পাঁচজন আদালতে সাক্ষ্য দেন।