০৯:১৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬

“এথিস্ট নোট” সম্পাদক ও লেখকদের বিরুদ্ধে ধর্ম অবমাননার মামলা, শুনানি ২৪ মার্চ


আদালত সূত্র জানায়, মামলাটি ফৌজদারি দণ্ডবিধি ১৮৬০ (সংশোধিত) আইনের ২৯৫, ৫০০ ও ৩৪ ধারার অধীনে গৃহীত হয়েছে, যার মামলা নম্বর – সি.আর.-৯৮/২০২৫। মামলায় মোট ৩৫ জনকে আসামি করা হয়েছে।

মামলায় অভিযুক্তদের মধ্যে রয়েছেন— সম্পাদক কমল চন্দ্র দাস, উপ-সম্পাদক নুসরাত সুজানা নওরিন, এমডি আল আমিন কায়সার, সহ-সম্পাদক আজমাইন শাহরিয়ার অর্ণব, লিপটন কুমার দেব দাস। অন্যান্য অভিযুক্ত আসামীরা হলেন যাদের বিরুদ্ধে ওয়েবসাইট এ বিবিধ ইসলাম ধর্মকে লক্ষ্য করে আক্রমনাত্মক লিখা লিখেছেন বলে মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে- ফাহিন আলম, আব্দুল কাদের সুমেল, শামীম আল মামুন, শিপলু কুমার বর্মণ, মোর্শেদ আলম, মোঃ জাকির হোসাইন, আবু বকর সিদ্দিক, এমডি সাব্বির হোসাইন, এমডি আবির হোসাইন, মনিরা পারভীন, এমডি ফাহাদ হোসাইন, এমডি মিজানুর রহমান, মোঃ আল আমিন কায়সার, এমডি আব্দুল রাজ্জাক, মুকিত চৌধুরী, মোহাম্মাদ শহীদুল ইসলাম জায়গীরদার, এমডি রাজিম হোসাইন, মুসা আহমেদ জায়গীরদার, আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ ফরিদ, এমডি মাজহারুল ইসলাম, গাজী মোহাম্মাদ সাইফুল ইসলাম, রোমানা আক্তার রুমকি, মোহাম্মাদ আল মামূর, মোঃ মারজানুল ইসলাম, প্রীতম পাল, মোহাম্মদ মোশাররফ হোসেন, বিপেন রাজবংশী, মোহাম্মদ ফয়েজ হোসেন, হৃদয় কৃষ্ণ যাদব, আব্দুল ওয়াহিদ কিরণ, মোহাম্মদ রুবেল, ওমর ফারুক।

সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আফরোজা সুলতানা সুইটি মামলার শুনানিতে অভিযুক্তদের প্রকাশিত বক্তব্য সমাজ ও রাষ্ট্রের শৃঙ্খলা বিঘ্ন করতে পারে এবং ধর্মীয় সম্প্রীতি বাধাগ্রস্ত হতে পারে বলে উল্লেখ করেন। আদালত টুঙ্গিপাড়া থানার অফিসার ইন-চার্জকে মামলাটি তদন্ত করে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন।

এছাড়াও মামলাটি তদন্তের জন্যে দায়িত্বপ্রাপ্ত সংশ্লিষ্ট থানাকে আইন-শৃঙ্খলা বজায় রাখার জন্যে অতিরিক্ত তৎপর এবং সজাগ থাকতে নির্দেশ দিয়েছেন সিনিয়র জুডিশিয়্যাল ম্যাজিস্ট্রেট আফরোজা সুলতানা সুইটি।

এ বিষয়ে যোগাযোগ করা হলে টুঙ্গিপাড়া থানার অফিসার-ইন-চার্জ (ওসি) খোন্দকার আমিনুর রহমান মামলাটি তদন্তাধীন থাকায় তিনি কোনো মন্তব্য করতে রাজি নন। তবে তিনি বলেন, “তদন্তে অভিযোগ প্রমাণিত হলে অভিযুক্তদের কঠোর শাস্তির আওতায় আনা হবে। কারণ তারা সামাজিক ও ধর্মীয় সম্প্রীতির অন্তরায়। এ ধরনের অপরাধীদের কোনোভাবেই ছাড় দেওয়া হবে না।”

এ মামলার বিষয়ে “এথিস্ট নোট” ওয়েবসাইটের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাদের পক্ষ থেকে কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

জনপ্রিয়

জাতীয় পুনর্গঠন কৌশল (National Reconstruction Strategies)

“এথিস্ট নোট” সম্পাদক ও লেখকদের বিরুদ্ধে ধর্ম অবমাননার মামলা, শুনানি ২৪ মার্চ

প্রকাশিত : ০৭:৫৬:১৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ মার্চ ২০২৫

আদালত সূত্র জানায়, মামলাটি ফৌজদারি দণ্ডবিধি ১৮৬০ (সংশোধিত) আইনের ২৯৫, ৫০০ ও ৩৪ ধারার অধীনে গৃহীত হয়েছে, যার মামলা নম্বর – সি.আর.-৯৮/২০২৫। মামলায় মোট ৩৫ জনকে আসামি করা হয়েছে।

মামলায় অভিযুক্তদের মধ্যে রয়েছেন— সম্পাদক কমল চন্দ্র দাস, উপ-সম্পাদক নুসরাত সুজানা নওরিন, এমডি আল আমিন কায়সার, সহ-সম্পাদক আজমাইন শাহরিয়ার অর্ণব, লিপটন কুমার দেব দাস। অন্যান্য অভিযুক্ত আসামীরা হলেন যাদের বিরুদ্ধে ওয়েবসাইট এ বিবিধ ইসলাম ধর্মকে লক্ষ্য করে আক্রমনাত্মক লিখা লিখেছেন বলে মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে- ফাহিন আলম, আব্দুল কাদের সুমেল, শামীম আল মামুন, শিপলু কুমার বর্মণ, মোর্শেদ আলম, মোঃ জাকির হোসাইন, আবু বকর সিদ্দিক, এমডি সাব্বির হোসাইন, এমডি আবির হোসাইন, মনিরা পারভীন, এমডি ফাহাদ হোসাইন, এমডি মিজানুর রহমান, মোঃ আল আমিন কায়সার, এমডি আব্দুল রাজ্জাক, মুকিত চৌধুরী, মোহাম্মাদ শহীদুল ইসলাম জায়গীরদার, এমডি রাজিম হোসাইন, মুসা আহমেদ জায়গীরদার, আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ ফরিদ, এমডি মাজহারুল ইসলাম, গাজী মোহাম্মাদ সাইফুল ইসলাম, রোমানা আক্তার রুমকি, মোহাম্মাদ আল মামূর, মোঃ মারজানুল ইসলাম, প্রীতম পাল, মোহাম্মদ মোশাররফ হোসেন, বিপেন রাজবংশী, মোহাম্মদ ফয়েজ হোসেন, হৃদয় কৃষ্ণ যাদব, আব্দুল ওয়াহিদ কিরণ, মোহাম্মদ রুবেল, ওমর ফারুক।

সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আফরোজা সুলতানা সুইটি মামলার শুনানিতে অভিযুক্তদের প্রকাশিত বক্তব্য সমাজ ও রাষ্ট্রের শৃঙ্খলা বিঘ্ন করতে পারে এবং ধর্মীয় সম্প্রীতি বাধাগ্রস্ত হতে পারে বলে উল্লেখ করেন। আদালত টুঙ্গিপাড়া থানার অফিসার ইন-চার্জকে মামলাটি তদন্ত করে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন।

এছাড়াও মামলাটি তদন্তের জন্যে দায়িত্বপ্রাপ্ত সংশ্লিষ্ট থানাকে আইন-শৃঙ্খলা বজায় রাখার জন্যে অতিরিক্ত তৎপর এবং সজাগ থাকতে নির্দেশ দিয়েছেন সিনিয়র জুডিশিয়্যাল ম্যাজিস্ট্রেট আফরোজা সুলতানা সুইটি।

এ বিষয়ে যোগাযোগ করা হলে টুঙ্গিপাড়া থানার অফিসার-ইন-চার্জ (ওসি) খোন্দকার আমিনুর রহমান মামলাটি তদন্তাধীন থাকায় তিনি কোনো মন্তব্য করতে রাজি নন। তবে তিনি বলেন, “তদন্তে অভিযোগ প্রমাণিত হলে অভিযুক্তদের কঠোর শাস্তির আওতায় আনা হবে। কারণ তারা সামাজিক ও ধর্মীয় সম্প্রীতির অন্তরায়। এ ধরনের অপরাধীদের কোনোভাবেই ছাড় দেওয়া হবে না।”

এ মামলার বিষয়ে “এথিস্ট নোট” ওয়েবসাইটের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাদের পক্ষ থেকে কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।