আন্তর্জাতিক ডেস্ক
অভিবাসীরা মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছেন কানাডা থেকে। বিশেষজ্ঞদের মতে, জীবনযাত্রার ব্যয় বেড়ে যাওয়ার কারণেই অভিবাসীরা কানাডার প্রতি আগ্রহ হারিয়েছেন। খবরর রয়টার্সের।
এক প্রতিবেদনে রয়টার্স জানিয়েছে, দেশটিতে বয়স্ক মানুষের সংখ্যা বেশি এবং জনসংখ্যা বৃদ্ধির ধীর গতি রয়েছে। এই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো অভিবাসনকে প্রধান অস্ত্র বানিয়েছিলেন এবং সফলও হয়েছিলেন। তাঁর অভিবাসননীতি কানাডার অর্থৈনিতক প্রবৃদ্ধিকে সহায়তা করেছে। কিন্তু গত ছয় শতকের মধ্যে চলতি বছরে সবচেয়ে বেশি অভিবাসী কানাডা ছেড়েছেন।
দেশটির সরকারি পরিসংখ্যানের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের প্রথম ছয় মাসে প্রায় ৪২ হাজার অভিবাসী কানাডা ছেড়েছেন। এর আগে ২০২২ সালে কানাডা ছেড়েছিল ৯৩ হাজার ৮১৮ জন এবং ২০২১ সালে ছেড়েছিল ৮৫ হাজার ৯২৭জন। অর্থাৎ কানাডা ত্যাগ করার হার ক্রমশ ঊর্ধ্বমুখী।
ইনস্টিটিউট ফর কানাডিয়ান সিটিজেনশিপ (আইসিসি) নামের ইমিগ্রেশন অ্যাডভোকেসি গ্রুপ তাদের সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে বলেছে, করোনা মহামারির সময় অভিবাসীদের কানাডা ছাড়ার হার কম ছিল। তবে সম্প্রতি তা আবার বেড়েছে। অভিবাসীদের কানাডা ছাড়ার প্রবণতা সরকারের কপালে চিন্তার ভাঁজ ফেলে দিয়েছে।
রয়টার্স অন্তত ছয়জন অভিবাসীর সঙ্গে কথা বলেছে। তারা জানিয়েছে, জীবন যাপনের ব্যয় বেড়ে যাওয়ার কারণে কানাডায় বসবাস করা দু”সাধ্য হয়ে পড়েছে।
প্রায় ৩০ বছর আগে মিয়ানমার থেকে কানাডায় এসেছেন ৫৫ বছর বয়সী মিয়ো মং। কানাডায় তাঁর রেস্তোরাঁ ব্যবসা রয়েছে। এ ছাড়া তিনিসফল আবাসন এজেন্ট। তারপরও তিনি তাঁর শেষ বয়সের অবসরজীবন থাইল্যান্ডের মতো কোনো দেশে কাটানোর পরিকল্পনা করছেন। কারণ হিসেবে মিয়ো মং বলেন, যা আয় করেছি তা দিয়ে অবসরকালে কানাডায় উচ্চ জীবনযাত্রার ব্যয় মেটাতে পারব না।
নিজস্ব প্রতিবেদক 














