০৫:৪২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬

অধ্যাদেশ রক্ষায় ড. মোহাম্মদ ইউনূসকে মাঠে নামার আহ্বান নাহিদ ইসলামের

জাতীয় নাগরিক পার্টির আহবায়ক নাহিদ ইসলাম। ছবিঃ সংগৃহীত

পবিত্র ওমরাহ পালন শেষে দেশে ফিরে জাতীয় নাগরিক পার্টির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম গুরুত্বপূর্ণ কিছু অধ্যাদেশ বাতিলের সম্ভাবনা নিয়ে তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন। তিনি অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক উপদেষ্টাদের, বিশেষ করে ড. মোহাম্মদ ইউনূসকে, এ বিষয়ে প্রকাশ্যে অবস্থান নেওয়ার আহ্বান জানান।

শনিবার (৪ এপ্রিল) নাহিদ ইসলাম বলেন, শোনা যাচ্ছে যে ১০-১১টি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যাদেশ আইনে রূপান্তর করা হবে না। এর মধ্যে গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার, মানবাধিকার কমিশন, বিচারপতি নিয়োগ এবং সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় সংক্রান্ত অধ্যাদেশ উল্লেখযোগ্য। তার মতে, এসব বাতিলের মাধ্যমে পূর্বের স্বৈরাচারী ব্যবস্থাকেই টিকিয়ে রাখার চেষ্টা করা হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, অন্তর্বর্তী সরকার এসব অধ্যাদেশ প্রণয়ন করেছিল, তাই এখন সেগুলো বাতিলের উদ্যোগ নেওয়া হলে তাদের নীরব থাকা উচিত নয়। কেন এগুলো করা হয়েছিল এবং এখন কেন তা বাতিল হচ্ছে—এসব বিষয়ে জনগণের কাছে ব্যাখ্যা দিতে হবে।

নাহিদের অভিযোগ, একটি নির্বাচনী প্রকৌশলের মাধ্যমে ক্ষমতা হস্তান্তর করে তারা সরে গেছেন। এখন যদি সংস্কারের উদ্যোগ ভেস্তে যায় এবং সবাই নিজ নিজ জীবনে ফিরে যান, তবে তা মেনে নেওয়া হবে না। তিনি বলেন, জনগণের কাছে তাদেরও জবাবদিহি করতে হবে।

তিনি আরও যোগ করেন, জনগণের ত্যাগের বিনিময়ে যে অগ্রগতি হয়েছিল, তা রক্ষার দায়িত্ব সংশ্লিষ্ট সবার। এ কারণে ড. ইউনূসসহ সাবেক উপদেষ্টাদের রাজপথে নেমে প্রতিবাদে অংশ নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

জনপ্রিয়

জাতীয় পুনর্গঠন কৌশল (National Reconstruction Strategies)

অধ্যাদেশ রক্ষায় ড. মোহাম্মদ ইউনূসকে মাঠে নামার আহ্বান নাহিদ ইসলামের

প্রকাশিত : ০৬:০২:১৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ৪ এপ্রিল ২০২৬

পবিত্র ওমরাহ পালন শেষে দেশে ফিরে জাতীয় নাগরিক পার্টির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম গুরুত্বপূর্ণ কিছু অধ্যাদেশ বাতিলের সম্ভাবনা নিয়ে তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন। তিনি অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক উপদেষ্টাদের, বিশেষ করে ড. মোহাম্মদ ইউনূসকে, এ বিষয়ে প্রকাশ্যে অবস্থান নেওয়ার আহ্বান জানান।

শনিবার (৪ এপ্রিল) নাহিদ ইসলাম বলেন, শোনা যাচ্ছে যে ১০-১১টি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যাদেশ আইনে রূপান্তর করা হবে না। এর মধ্যে গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার, মানবাধিকার কমিশন, বিচারপতি নিয়োগ এবং সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় সংক্রান্ত অধ্যাদেশ উল্লেখযোগ্য। তার মতে, এসব বাতিলের মাধ্যমে পূর্বের স্বৈরাচারী ব্যবস্থাকেই টিকিয়ে রাখার চেষ্টা করা হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, অন্তর্বর্তী সরকার এসব অধ্যাদেশ প্রণয়ন করেছিল, তাই এখন সেগুলো বাতিলের উদ্যোগ নেওয়া হলে তাদের নীরব থাকা উচিত নয়। কেন এগুলো করা হয়েছিল এবং এখন কেন তা বাতিল হচ্ছে—এসব বিষয়ে জনগণের কাছে ব্যাখ্যা দিতে হবে।

নাহিদের অভিযোগ, একটি নির্বাচনী প্রকৌশলের মাধ্যমে ক্ষমতা হস্তান্তর করে তারা সরে গেছেন। এখন যদি সংস্কারের উদ্যোগ ভেস্তে যায় এবং সবাই নিজ নিজ জীবনে ফিরে যান, তবে তা মেনে নেওয়া হবে না। তিনি বলেন, জনগণের কাছে তাদেরও জবাবদিহি করতে হবে।

তিনি আরও যোগ করেন, জনগণের ত্যাগের বিনিময়ে যে অগ্রগতি হয়েছিল, তা রক্ষার দায়িত্ব সংশ্লিষ্ট সবার। এ কারণে ড. ইউনূসসহ সাবেক উপদেষ্টাদের রাজপথে নেমে প্রতিবাদে অংশ নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।