১১:৪৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৫ মে ২০২৬
ইউরোপে মানব পাচার!

ভুয়া ভিসা দিয়ে প্রতারণা, দালালের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ


ইউরোপের দেশ সার্বিয়ায় ভুয়া ভিসা দেওয়ার অভিযোগে দুবাই ইমিগ্রেশন পুলিশের হাতে আটক হয়েছেন এক বাংলাদেশি যাত্রী। এ ঘটনায় ঢাকার মতিঝিল থানায় প্রতারক দালালের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, কুমিল্লার লাকসাম উপজেলার হামিরাবাগ গ্রামের প্রবাসী সেলিম আলমের ছেলে আফরোজ আরেফিন পিয়াশকে সার্বিয়ায় পাঠানোর জন্য দালাল নুরুল ইসলাম নাহিদের সঙ্গে ১৯ লাখ টাকার চুক্তি হয়। এ পর্যন্ত ১২ লাখ টাকা নাহিদ গ্রহণ করে। গত ২৩ মে ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ তারিখে ঢাকা-দুবাই-সার্বিয়া রুটের বিমান টিকিটের ব্যবস্থা করে পিয়াশকে যাত্রায় পাঠানো হয়।

কিন্তু দুবাই ইমিগ্রেশন পুলিশ সার্বিয়া গন্তব্যের ভিসাটি জাল বলে শনাক্ত করলে পিয়াশকে আটক করে কারাগারে প্রেরণ করে। ঘটনার পর পিয়াশের পরিবারের সঙ্গে দালাল নাহিদ যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেয়। মোবাইলে একাধিকবার কল করা হলেও নাহিদ ফোন রিসিভ করেনি।

ভুক্তভোগীর পরিবার ও অভিযোগকারীর দাবি, নুরুল ইসলাম নাহিদ একটি আন্তর্জাতিক মানব পাচার চক্রের সক্রিয় সদস্য। তিনি দীর্ঘদিন ধরে নিরীহ প্রবাস প্রত্যাশীদের জাল ভিসা দিয়ে হয়রানি করে আসছে। রাজধানীর মতিঝিল রহমানিয়া ইন্টারন্যাশনাল কমপ্লেক্সের ৮ম তলায় ড্রিমস ওভারসিজ নামের একটি অফিসের কথিত এমডি হিসেবে তিনি এই প্রতারণা চালিয়ে যাচ্ছেন।

অভিযোগ দায়েরের এক ঘণ্টার মধ্যেই মতিঝিল থানার তদন্তকারী কর্মকর্তা নাহিদের অফিসে অভিযান পরিচালনা শুরু করেছেন বলে জানা গেছে।

এ বিষয়ে প্রবাসী সেলিম আলম বলেন, “নাহিদ আমার ছেলের সঙ্গে ভয়ঙ্কর প্রতারণা করেছে। জাল ভিসা দেওয়ায় আমার ছেলে এখন জেলের ঘানি টানছে। আমি প্রশাসনের কাছে ন্যায়বিচার চাই।”

প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে, মানব পাচার চক্রের সঙ্গে জড়িত নাহিদসহ সংশ্লিষ্ট সকলকে আইনের আওতায় এনে প্রবাসী খ্যাত দেশকে নিরাপদ রাখা হোক।

এ বিষয়ে দালাল নুরুল ইসলাম নাহিদের বক্তব্য নেওয়ার চেষ্টা করা হলে তার মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া যায়।

জনপ্রিয়

কোন পথে বাংলাদেশ?

ইউরোপে মানব পাচার!

ভুয়া ভিসা দিয়ে প্রতারণা, দালালের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ

প্রকাশিত : ০৭:০৮:০৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২০ জুন ২০২৫

ইউরোপের দেশ সার্বিয়ায় ভুয়া ভিসা দেওয়ার অভিযোগে দুবাই ইমিগ্রেশন পুলিশের হাতে আটক হয়েছেন এক বাংলাদেশি যাত্রী। এ ঘটনায় ঢাকার মতিঝিল থানায় প্রতারক দালালের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, কুমিল্লার লাকসাম উপজেলার হামিরাবাগ গ্রামের প্রবাসী সেলিম আলমের ছেলে আফরোজ আরেফিন পিয়াশকে সার্বিয়ায় পাঠানোর জন্য দালাল নুরুল ইসলাম নাহিদের সঙ্গে ১৯ লাখ টাকার চুক্তি হয়। এ পর্যন্ত ১২ লাখ টাকা নাহিদ গ্রহণ করে। গত ২৩ মে ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ তারিখে ঢাকা-দুবাই-সার্বিয়া রুটের বিমান টিকিটের ব্যবস্থা করে পিয়াশকে যাত্রায় পাঠানো হয়।

কিন্তু দুবাই ইমিগ্রেশন পুলিশ সার্বিয়া গন্তব্যের ভিসাটি জাল বলে শনাক্ত করলে পিয়াশকে আটক করে কারাগারে প্রেরণ করে। ঘটনার পর পিয়াশের পরিবারের সঙ্গে দালাল নাহিদ যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেয়। মোবাইলে একাধিকবার কল করা হলেও নাহিদ ফোন রিসিভ করেনি।

ভুক্তভোগীর পরিবার ও অভিযোগকারীর দাবি, নুরুল ইসলাম নাহিদ একটি আন্তর্জাতিক মানব পাচার চক্রের সক্রিয় সদস্য। তিনি দীর্ঘদিন ধরে নিরীহ প্রবাস প্রত্যাশীদের জাল ভিসা দিয়ে হয়রানি করে আসছে। রাজধানীর মতিঝিল রহমানিয়া ইন্টারন্যাশনাল কমপ্লেক্সের ৮ম তলায় ড্রিমস ওভারসিজ নামের একটি অফিসের কথিত এমডি হিসেবে তিনি এই প্রতারণা চালিয়ে যাচ্ছেন।

অভিযোগ দায়েরের এক ঘণ্টার মধ্যেই মতিঝিল থানার তদন্তকারী কর্মকর্তা নাহিদের অফিসে অভিযান পরিচালনা শুরু করেছেন বলে জানা গেছে।

এ বিষয়ে প্রবাসী সেলিম আলম বলেন, “নাহিদ আমার ছেলের সঙ্গে ভয়ঙ্কর প্রতারণা করেছে। জাল ভিসা দেওয়ায় আমার ছেলে এখন জেলের ঘানি টানছে। আমি প্রশাসনের কাছে ন্যায়বিচার চাই।”

প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে, মানব পাচার চক্রের সঙ্গে জড়িত নাহিদসহ সংশ্লিষ্ট সকলকে আইনের আওতায় এনে প্রবাসী খ্যাত দেশকে নিরাপদ রাখা হোক।

এ বিষয়ে দালাল নুরুল ইসলাম নাহিদের বক্তব্য নেওয়ার চেষ্টা করা হলে তার মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া যায়।