১১:০৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৫ মে ২০২৬

লাকসামে স্বামীকে আটকে রেখে গৃহবধূকে দলবদ্ধ ধর্ষণ, গ্রেপ্তার ৫


কুমিল্লার লাকসামে স্বামীকে আটকে রেখে এক গৃহবধূকে দুই দফায় দলবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগে পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ভুক্তভোগী নারী নোয়াখালীর বাসিন্দা।

পুলিশ জানায়, গত ১৩ মার্চ ওই দম্পতি লাকসামে তাদের আত্মীয়ের বাড়িতে আসেন। পরদিন সকালে বাড়ি ফেরার উদ্দেশ্যে লাকসাম বাইপাস মোড় থেকে একটি সিএনজিতে ওঠেন। চালক মো. মাসুদ তাদের স্বামী-স্ত্রী সম্পর্ক নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করে কৌশলে গন্ডামারা এলাকায় নিয়ে যায়। সেখানে অভিযুক্তরা তাদের ব্যাগ তল্লাশি করে এবং স্বামীকে আটকে রেখে গৃহবধূকে অপহরণ করে লাকসামের পাইকপাড়া এলাকায় নিয়ে যায়।

পরিত্যক্ত একটি বাড়িতে মো. মাসুদ ও মোহাম্মদ আলী প্রথম দফায় ভুক্তভোগীকে ধর্ষণ করে। এরপর তালুকদার ভিলার একটি ভাড়া বাসায় নিয়ে দ্বিতীয় দফায় ধর্ষণ করা হয়। স্থানীয়দের সহায়তায় ওই নারীকে উদ্ধার করা হয় এবং তার মা লাকসাম থানায় মামলা দায়ের করেন।

অভিযানে লাকসামের বিভিন্ন এলাকা থেকে পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তারা হলেন—মনোহরপুরের মোহাম্মদ আলী (২৫), শ্রীপুর মধ্যপাড়ার মো. মাসুদ (২৩), বাতাখালীর মনির হোসেন হৃদয় (২৩), উত্তর বিনই এলাকার আল আমিন (২৩) এবং মধ্য লাকসামের বিলকিছ আক্তার কল্পনা (৪০)।

ভুক্তভোগী বর্তমানে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওয়ান-স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে (ওসিসি) চিকিৎসাধীন। লাকসাম থানার ওসি নাজনীন সুলতানা জানান, আসামিদের বিরুদ্ধে ধর্ষণ ও সহায়তার অভিযোগে মামলা হয়েছে এবং তাদের সোমবার আদালতে পাঠানো হবে।

জনপ্রিয়

কোন পথে বাংলাদেশ?

লাকসামে স্বামীকে আটকে রেখে গৃহবধূকে দলবদ্ধ ধর্ষণ, গ্রেপ্তার ৫

প্রকাশিত : ০৮:২২:০৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৭ মার্চ ২০২৫

কুমিল্লার লাকসামে স্বামীকে আটকে রেখে এক গৃহবধূকে দুই দফায় দলবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগে পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ভুক্তভোগী নারী নোয়াখালীর বাসিন্দা।

পুলিশ জানায়, গত ১৩ মার্চ ওই দম্পতি লাকসামে তাদের আত্মীয়ের বাড়িতে আসেন। পরদিন সকালে বাড়ি ফেরার উদ্দেশ্যে লাকসাম বাইপাস মোড় থেকে একটি সিএনজিতে ওঠেন। চালক মো. মাসুদ তাদের স্বামী-স্ত্রী সম্পর্ক নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করে কৌশলে গন্ডামারা এলাকায় নিয়ে যায়। সেখানে অভিযুক্তরা তাদের ব্যাগ তল্লাশি করে এবং স্বামীকে আটকে রেখে গৃহবধূকে অপহরণ করে লাকসামের পাইকপাড়া এলাকায় নিয়ে যায়।

পরিত্যক্ত একটি বাড়িতে মো. মাসুদ ও মোহাম্মদ আলী প্রথম দফায় ভুক্তভোগীকে ধর্ষণ করে। এরপর তালুকদার ভিলার একটি ভাড়া বাসায় নিয়ে দ্বিতীয় দফায় ধর্ষণ করা হয়। স্থানীয়দের সহায়তায় ওই নারীকে উদ্ধার করা হয় এবং তার মা লাকসাম থানায় মামলা দায়ের করেন।

অভিযানে লাকসামের বিভিন্ন এলাকা থেকে পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তারা হলেন—মনোহরপুরের মোহাম্মদ আলী (২৫), শ্রীপুর মধ্যপাড়ার মো. মাসুদ (২৩), বাতাখালীর মনির হোসেন হৃদয় (২৩), উত্তর বিনই এলাকার আল আমিন (২৩) এবং মধ্য লাকসামের বিলকিছ আক্তার কল্পনা (৪০)।

ভুক্তভোগী বর্তমানে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওয়ান-স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে (ওসিসি) চিকিৎসাধীন। লাকসাম থানার ওসি নাজনীন সুলতানা জানান, আসামিদের বিরুদ্ধে ধর্ষণ ও সহায়তার অভিযোগে মামলা হয়েছে এবং তাদের সোমবার আদালতে পাঠানো হবে।