১১:০২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৫ মে ২০২৬

শীর্ষ সন্ত্রাসী সবুজ মিয়ার বিএনপিতে যোগদানের পায়তারা


কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক সভাপতি শীর্ষ সন্ত্রাসী ইলিয়াস হোসাইন ওরফে সবুজ মিয়া (৩৩) মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে বিএনপিতে যোগদানের বিষয়ে গুঞ্জন উঠেছে। সবুজ মিয়া কে বিএনপিতে যোগদান করাতে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক সভাপতি মনিরুল হক চৌধুরীর বিরুদ্ধে সহযোগিতার অভিযোগ রয়েছে। 

মনিরুল হক চৌধুরী এর পর স্বৈরশাসক এরশাদ সরকারের কুমিল্লা ৯ সংসদীয় আসনের এমপি নির্বাচিত হন। ২০০১ সালে বিএনপিতে যোগদান করে বিএনপি’র এমপি হন। বর্তমানে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য হিসেবে মনিরুল হক চৌধুরী রয়েছেন।

মনিরুল হক চৌধুরীর এলাকায় জনসমর্থন কম থাকায় এখন সবুজ মিয়াকে ব্যবহার করে নিয়ে জনসমর্থন আদায়ের চেষ্টা করছেন। সবুজ মিয়ার কাছে অবৈধ অস্ত্রের বিশাল মজুদ রয়েছে। জুলাইয়ে ছাত্র জনতার উপর সরাসরি গুলি চালানোর অভিযোগ রয়েছে। চলমান অভিযানে যৌথ বাহিনী কোন অস্ত্র উদ্ধার করতে পারেনি। সবুজ মিয়ার বিরুদ্ধে কুমিল্লা জেলা আদালত অস্ত্র মামলায় ১২ বছরের সাজা দিয়েছে। সূত্রঃ দৈনিক প্রথম আলো, ইং ৯/৮/২০২৩খ্রিঃ। তবে সবুজ এখন জামিনে রয়েছেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০০৭ সাল থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত সবুজ কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করছে। সবুজ বিরোধী দলের ছাত্রদের মারধর ও স্থানীয় সংবাদকর্মীদের হুমকি ধামকি নির্যাতন নিপিড়ন হামলা মামলা শিকার হয়ে কেউ কেউ এলাকা ছাড়া হয়েছেন। এমনকি মাসুদ আলী আযম নামে এক সাংবাদিক নির্যাতনে হামলা মামলায় জর্জরিত হয়ে দেশ ছেড়ে পালিয়ে বিদেশে অবস্থান করছেন।

শিক্ষক, কর্মকর্তা- কর্মচারী নিয়োগ বানিজ্য, পরিবহন ব্যবসা, হলে আধিপত্য বিস্তারসহ নানা অপরাধে অভিযুক্ত সবুজ। নির্বাচনে কুমিল্লা জেলায় কেন্দ্র দখল করা ছিল সবুজ মিয়ার নতুন বানিজ্য, যা বিগত ১৬ বছর সবুজ মিয়া করে আসছে। আগষ্টের প্রথম সপ্তাহে সবুজ মিয়ার গডফাদার আ হ ম মুস্তফা কামাল সিঙ্গাপুর পালিয়ে গেলেও সবুজ পালিয়ে যায়নি।

সবুজ মিয়া লালমাই উপজেলার বদরপুর গ্রামের ইসমাইল হোসেন এর ছেলে। কুমিল্লাবাসীর দাবি সবুজ মিয়ার বিরুদ্ধে যে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া ও বিএনপির হাইকমান্ডের দৃষ্টি আকর্ষণ করে নিয়ে দ্রুত সম্ভব দলের সিদ্ধান্ত নেওয়া জরুরি নয়তো কুমিল্লা বিএনপির রাজনীতিতে গ্রুপ সৃষ্টি সহ বিশৃঙ্খলা বেড়ে যাবে।

জনপ্রিয়

কোন পথে বাংলাদেশ?

শীর্ষ সন্ত্রাসী সবুজ মিয়ার বিএনপিতে যোগদানের পায়তারা

প্রকাশিত : ০৬:০৭:৫২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৪

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক সভাপতি শীর্ষ সন্ত্রাসী ইলিয়াস হোসাইন ওরফে সবুজ মিয়া (৩৩) মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে বিএনপিতে যোগদানের বিষয়ে গুঞ্জন উঠেছে। সবুজ মিয়া কে বিএনপিতে যোগদান করাতে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক সভাপতি মনিরুল হক চৌধুরীর বিরুদ্ধে সহযোগিতার অভিযোগ রয়েছে। 

মনিরুল হক চৌধুরী এর পর স্বৈরশাসক এরশাদ সরকারের কুমিল্লা ৯ সংসদীয় আসনের এমপি নির্বাচিত হন। ২০০১ সালে বিএনপিতে যোগদান করে বিএনপি’র এমপি হন। বর্তমানে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য হিসেবে মনিরুল হক চৌধুরী রয়েছেন।

মনিরুল হক চৌধুরীর এলাকায় জনসমর্থন কম থাকায় এখন সবুজ মিয়াকে ব্যবহার করে নিয়ে জনসমর্থন আদায়ের চেষ্টা করছেন। সবুজ মিয়ার কাছে অবৈধ অস্ত্রের বিশাল মজুদ রয়েছে। জুলাইয়ে ছাত্র জনতার উপর সরাসরি গুলি চালানোর অভিযোগ রয়েছে। চলমান অভিযানে যৌথ বাহিনী কোন অস্ত্র উদ্ধার করতে পারেনি। সবুজ মিয়ার বিরুদ্ধে কুমিল্লা জেলা আদালত অস্ত্র মামলায় ১২ বছরের সাজা দিয়েছে। সূত্রঃ দৈনিক প্রথম আলো, ইং ৯/৮/২০২৩খ্রিঃ। তবে সবুজ এখন জামিনে রয়েছেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০০৭ সাল থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত সবুজ কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করছে। সবুজ বিরোধী দলের ছাত্রদের মারধর ও স্থানীয় সংবাদকর্মীদের হুমকি ধামকি নির্যাতন নিপিড়ন হামলা মামলা শিকার হয়ে কেউ কেউ এলাকা ছাড়া হয়েছেন। এমনকি মাসুদ আলী আযম নামে এক সাংবাদিক নির্যাতনে হামলা মামলায় জর্জরিত হয়ে দেশ ছেড়ে পালিয়ে বিদেশে অবস্থান করছেন।

শিক্ষক, কর্মকর্তা- কর্মচারী নিয়োগ বানিজ্য, পরিবহন ব্যবসা, হলে আধিপত্য বিস্তারসহ নানা অপরাধে অভিযুক্ত সবুজ। নির্বাচনে কুমিল্লা জেলায় কেন্দ্র দখল করা ছিল সবুজ মিয়ার নতুন বানিজ্য, যা বিগত ১৬ বছর সবুজ মিয়া করে আসছে। আগষ্টের প্রথম সপ্তাহে সবুজ মিয়ার গডফাদার আ হ ম মুস্তফা কামাল সিঙ্গাপুর পালিয়ে গেলেও সবুজ পালিয়ে যায়নি।

সবুজ মিয়া লালমাই উপজেলার বদরপুর গ্রামের ইসমাইল হোসেন এর ছেলে। কুমিল্লাবাসীর দাবি সবুজ মিয়ার বিরুদ্ধে যে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া ও বিএনপির হাইকমান্ডের দৃষ্টি আকর্ষণ করে নিয়ে দ্রুত সম্ভব দলের সিদ্ধান্ত নেওয়া জরুরি নয়তো কুমিল্লা বিএনপির রাজনীতিতে গ্রুপ সৃষ্টি সহ বিশৃঙ্খলা বেড়ে যাবে।