১৯৭১ সালে শেখ মুজিবুর রহমান নামের একজন অখ্যাত সুযোগ সন্ধানী পাতি নেতা যিনি সোহরাওয়ারদী সাহেবের বডিগার্ড হিসেবে উনার পাঁশে দাঁড়িয়ে থাকতেন। তার ও রাষ্ট্র প্রধান হিসেবে দখলদার, প্রতারক ও মিথ্যাবাদী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছবি না হয় বুঝলাম। কিন্তু যে কোন উপায়েই হোক না কেনো, সেসময়ে পাদপ্রদীপের আলোয় চলে আসা সুযোগ সন্ধানী মুজিবের পাশে জয় আর পুতুলের ছবি আসে কিভাবে?

এটা আসে কোটায়। আমার নিজের জীবদ্দশায় দেখেছি আমাদের ছাত্রলীগের সহপাঠী/ বন্ধুরা যখন এরশাদের স্বৈরশাসনের বিরুদ্ধে রাজপথে লড়াই করেছে, তখন জয়-পুতুল ভারতে আর আমেরিকায় স্বাচ্ছন্দ্যে বিলাসী জীবনযাপন করেছে। এরপর নাতির কোটায় এসে জায়গামতো বসে গিয়েছে। ছাত্রজনতার রক্ত ঝরিয়ে হলেও কোটা ও নাতির অধিকার সম্পর্কে মুজিবের ভন্ড কন্যা ফ্যাসিস্ট ও ছাত্রলীগ এতটা ভয়ংকর অবিচল থাকবে সেটাই তো স্বাভাবিক।আমাদের কারোরই এটা বুঝতে নুন্যতম অসুবিধা হয় না যে এটার পিছনে লুকিয়ে আছে সুদুর প্রসারী দেশবিরোধী পরিকল্পনা ও ধান্ধাবাজি। ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে ৭ জন বীরশ্রেষ্ঠর মধ্যে ১ জনও আওয়ামীলিগের নেই, ১২ জন সেক্টর কমান্ডারের মধ্যে ১ জনও আওয়ামীলিগের নেই, ৬৮ জন বীরউত্তমের মধ্যেও ১ জন আওয়ামীলিগের নেই।
এমনকি ৩০ লক্ষ শহীদের মধ্যে আওয়ামী লীগের উল্লেখযোগ্য কোন বড় নেতা নেই। তাহলে আওয়ামী লীগ যুদ্ধটা করেছে কোথায়?
শেখ হাসিনার মেয়ে সায়মা ওয়াজেদ পুতুলের স্বামী রাজাকারের ছেলে। ছেলের বৌ আমেরিকার খ্রিস্টান। বোনের মেয়ের স্বামী ব্রিটিশ। বোনের ছেলে বিয়ে করেছে ব্রিটিশ মেয়ে। আর এই পরিবারই এদেশের মানুষকে শেখায় মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, দেশপ্রেম এবং ধর্মীয় আদর্শ এ মুল্যবোধ! কি নির্মম মশকরা, কি ভয়ানক প্রতারনা এই জনপদের ২০ কোটি মানুষের সাথে।
কাজল জালালী 














