খিলগাঁওয়ে যেইখানে ট্রেনের ঘাট নাই সেইখানেও ট্রেন স্লো করা হয়। কেন এই রকম স্লো করে ট্রেন? আশেপাশে কোনো বারমুডা ট্রায়াঙ্গেল আছে কি, যার রহস্যময় শক্তিতে স্তিমিত হইয়া আসে রেলের চাকা?
না, ভাইসব। এমনকি পাবলিক যাতে নাইমা পড়তে পারে সুবিধামত, সেই নাগরিক মঙ্গলের কথাও মাথায় রাখা হয় না।
সাধারণত এই এলাকার বাজারিদের জন্যে দূরদূরান্ত থিকা আনা পাইকারি বস্তাগুলি ফেলানো হয় ট্রেন স্লো কইরা, লাইনের পাশে। যাতে কমলাপুর থিকা আবার বাড়তি ভাড়া গুইনা বস্তা আনতে না হয় বাজারে। তাতে মালের দাম বাইড়া যাবে অনেক, মধ্যবিত্ত ক্রেতাসাধারণের জন্যেও সেইটা আরামদায়ক হবে না।
হয়ত এই সিস্টেমে রেলের কর্মচারীদের কেউ কেউ কিছু খায়। স্বাভাবিক, পেশা তো নানা রকম। উন্নয়নশীল দেশে তার সব বৈধ হয় না, হবেও না। এবং হয়ত বৈধ হইলে তা আরো বেশি খারাপ হবে।
সেই সুযোগে খিলগাঁওবাসীরাও নাইমা পড়ে এইখানে, ছোট-গতি-চলমান-ট্রেন-স্টেশনে।
এইটা খারাপ। রিস্কিও, তাতো দেখাই যাইতেছে। তবে সেই আলাপে এখন যাইতেছি না।
২.
কথা হইল সকলে যখন চান্সে নাইমা পড়ে, একজন দামাল অ্যাকটিভিস্ট, রাস্তার মানুষ, মিছিল করেন, যার পা ভাইঙা দেওয়া হইছিল ২০০৯ সালে, তিনি কি সরকারী ভদ্রলোকদের ধরনে চলাফেলা করবেন, নাকি নিজের জীবনের নিজস্ব গতিতে চলবেন?
যারা আনু মুহাম্মদরে বিধিসম্মত ভাবে ট্রেনে চলাফেরা শিখাইতে চান, তা যদি তিনি শিখতেনই তবে সরকারের অর্থমন্ত্রীই তো উনি হইতে পারতেন। তার আর ট্রেনে চড়তে হইত না। তা তিনি হইতে চান না বইলাই তো আর সব লোকে যা করতে পারে, তিনিও তা করতে গেছিলেন।
তবে এই ব্যাপারে তার আরো সাবধান হওয়ার দরকার ছিল!
তবে যারা কেবল জাস্ট খিলগাঁওয়েও ট্রেন স্লো করা বন্ধ করতে চান, তাদের আমি পক্ষেই আছি, আন্দোলন শুরু করেন, বুদ্ধিজীবীরা।
আমি একটি ভোট দিব তাতে।
নিজস্ব প্রতিবেদক 














