আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বাংলাদেশসহ বিশ্বের সকল নারীকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন।
শুক্রবার (৭ মার্চ) তারেক রহমান তার ব্যক্তিগত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে বিবৃতিটি প্রকাশ করেন।
তিনি নারীদের অব্যাহত সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করে এক বিবৃতিতে বলেন, আন্তর্জাতিক নারী দিবস একটি তাৎপর্যময় দিন, যা বিশ্বব্যাপী নারীদের আর্থিক, রাজনৈতিক ও সামাজিক প্রতিষ্ঠার গুরুত্ব তুলে ধরে।
বিবৃতিতে তারেক রহমান বলেন, বাংলাদেশের অর্ধেক জনগোষ্ঠী নারী, তাই নারী সমাজের অগ্রগতি নিশ্চিত হলে জাতির সামগ্রিক উন্নয়ন সম্ভব হবে। এই উপলব্ধি থেকেই শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান নারীদের সামাজিক ও রাষ্ট্রীয় কর্মকাণ্ডে অধিকতর অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে যুগান্তকারী পদক্ষেপ গ্রহণ করেছিলেন। তার ধারাবাহিকতায় বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বাধীন সরকার নারীদের শিক্ষা ও আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে ব্যাপক কর্মসূচি বাস্তবায়ন করে।
নারীদের শিক্ষা প্রসারে খালেদা জিয়া সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগ তুলে ধরে তারেক রহমান বলেন, “তৎকালীন বিএনপি সরকার প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ভর্তির হার ৯৭ শতাংশে উন্নীত করেছিল, ছাত্রীদের শিক্ষাবৃত্তির আওতায় এনেছিল এবং স্কুলে লিঙ্গসমতা প্রতিষ্ঠা করেছিল। পাশাপাশি মেয়েদের জন্য নতুন ক্যাডেট কলেজ ও পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট স্থাপনসহ উচ্চশিক্ষার সুযোগ সম্প্রসারিত করা হয়।”
তিনি আরও উল্লেখ করেন, ১৯৯৩ সালে প্রাথমিক শিক্ষা বাধ্যতামূলক করা হয় এবং দরিদ্র জনগোষ্ঠীকে শিক্ষার প্রতি আগ্রহী করে তুলতে ‘শিক্ষার বিনিময়ে খাদ্য’ কর্মসূচি চালু করা হয়। এছাড়া, পল্লী অঞ্চলে মেয়েদের মাধ্যমিক শিক্ষা অবৈতনিক করা এবং ছাত্রীদের জন্য উপবৃত্তি কর্মসূচি চালু করার ফলে নারীর ক্ষমতায়ন ও অর্থনৈতিক স্বাবলম্বিতা নিশ্চিত হয়।
নারীদের প্রতি সহিংসতা, বৈষম্য ও অবহেলার অবসান ঘটিয়ে নারীর অধিকার ও সমতাকে সর্বপ্রথম এজেন্ডা হিসেবে গ্রহণের আহ্বান জানিয়ে তারেক রহমান বলেন, “শান্তি, নিরাপত্তা, মানবাধিকার এবং টেকসই উন্নয়নের জন্য নারীর অধিকার নিশ্চিত করা অপরিহার্য।”
তিনি এবারের নারী দিবসের মূল প্রতিপাদ্য ‘অধিকার, সমতা, ক্ষমতায়ন: নারী ও কন্যার উন্নয়ন” -এর সফলতা কামনা করেন এবং নারী সমাজের কল্যাণে সক্রিয়ভাবে কাজ করার জন্য সবার প্রতি আহ্বান জানান।
নিউজ ডেস্ক 











