০৪:২১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬

জেলহত্যা দিবস আজ

  • নিউজ ডেস্ক
  • প্রকাশিত : ১১:২০:৪১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৩ নভেম্বর ২০২৪
  • 100

আজ ৩ নভেম্বর (রোববার) জেল হত্যা দিবস। ১৯৭৫ সালের এই দিনে মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক ও জাতীয় চার নেতা— সৈয়দ নজরুল ইসলাম, তাজউদ্দিন আহমেদ, এ এইচ এম কামারুজ্জামান ও ক্যাপ্টেন মনসুর আলীকে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়।

১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট শেখ মুজিবুর রহমানের হত্যাকাণ্ডের পর একই বছরের ৩ নভেম্বর কেন্দ্রীয় কারাগারের অভ্যন্তরে বিনা বিচারে ও বর্বরোচিতভাবে এ হত্যাকাণ্ড সংগঠিত হয়।

১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধকালীন মুজিবনগর সরকারের গুরুত্বপূর্ণ পদগুলোতে থেকে এ জাতীয় চার নেতা ঐতিহাসিক দায়িত্ব পালন করেছিলেন। কুষ্টিয়া জেলার মেহেরপুরে এ সরকার গঠিত হয় ও শপথ গ্রহণ করে। মুক্তিযুদ্ধের সময় গঠিত বাংলাদেশ সরকারের অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি ছিলেন সৈয়দ নজরুল ইসলাম। ওই সরকারের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন তাজউদ্দিন আহমেদ, অর্থমন্ত্রী ক্যাপ্টেন মুনসুর আলী, খাদ্য ও ত্রাণমন্ত্রী এ এইচ এম কামারুজ্জামান। এ সরকারের নেতৃত্বে দীর্ঘ ৯ মাস মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনার মধ্য দিয়ে ১৬ ডিসেস্বর বিজয় অর্জিত হয়। শুধু মুক্তিযুদ্ধই নয়, স্বাধীনতার জন্য সব আন্দোলন-সংগ্রামেও এ চার নেতা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন।

এদিকে জেলহত্যা দিবসকে জাতীয় শোক দিবস হিসেবে পালনসহ তিন দফা দাবিতে কর্মসূচি ঘোষণা করেছেন তাজউদ্দীন আহমদের ছেলে ও সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী তানজিম আহমদ সোহেল তাজ। ৩ নভেম্বর ওসব দাবি নিয়ে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের কাছে স্মারকলিপি দেবেন তিনি। শুক্রবার নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এসব কথা জানান সোহেল তাজ।

কর্মসূচির অংশ হিসেবে বিকাল ৪টায় রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালের সামনে থেকে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনার উদ্দেশ্যে হেঁটে যাত্রা শুরু করবে। এজন্য স্বাধীনতা-মুক্তিযুদ্ধের-বৈষম্যবিরোধী চেতনায় বিশ্বাসী সবাইকে অংশ নেওয়ার জোর আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

জাতীয় পুনর্গঠন কৌশল (National Reconstruction Strategies)

জেলহত্যা দিবস আজ

প্রকাশিত : ১১:২০:৪১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৩ নভেম্বর ২০২৪

আজ ৩ নভেম্বর (রোববার) জেল হত্যা দিবস। ১৯৭৫ সালের এই দিনে মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক ও জাতীয় চার নেতা— সৈয়দ নজরুল ইসলাম, তাজউদ্দিন আহমেদ, এ এইচ এম কামারুজ্জামান ও ক্যাপ্টেন মনসুর আলীকে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়।

১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট শেখ মুজিবুর রহমানের হত্যাকাণ্ডের পর একই বছরের ৩ নভেম্বর কেন্দ্রীয় কারাগারের অভ্যন্তরে বিনা বিচারে ও বর্বরোচিতভাবে এ হত্যাকাণ্ড সংগঠিত হয়।

১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধকালীন মুজিবনগর সরকারের গুরুত্বপূর্ণ পদগুলোতে থেকে এ জাতীয় চার নেতা ঐতিহাসিক দায়িত্ব পালন করেছিলেন। কুষ্টিয়া জেলার মেহেরপুরে এ সরকার গঠিত হয় ও শপথ গ্রহণ করে। মুক্তিযুদ্ধের সময় গঠিত বাংলাদেশ সরকারের অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি ছিলেন সৈয়দ নজরুল ইসলাম। ওই সরকারের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন তাজউদ্দিন আহমেদ, অর্থমন্ত্রী ক্যাপ্টেন মুনসুর আলী, খাদ্য ও ত্রাণমন্ত্রী এ এইচ এম কামারুজ্জামান। এ সরকারের নেতৃত্বে দীর্ঘ ৯ মাস মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনার মধ্য দিয়ে ১৬ ডিসেস্বর বিজয় অর্জিত হয়। শুধু মুক্তিযুদ্ধই নয়, স্বাধীনতার জন্য সব আন্দোলন-সংগ্রামেও এ চার নেতা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন।

এদিকে জেলহত্যা দিবসকে জাতীয় শোক দিবস হিসেবে পালনসহ তিন দফা দাবিতে কর্মসূচি ঘোষণা করেছেন তাজউদ্দীন আহমদের ছেলে ও সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী তানজিম আহমদ সোহেল তাজ। ৩ নভেম্বর ওসব দাবি নিয়ে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের কাছে স্মারকলিপি দেবেন তিনি। শুক্রবার নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এসব কথা জানান সোহেল তাজ।

কর্মসূচির অংশ হিসেবে বিকাল ৪টায় রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালের সামনে থেকে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনার উদ্দেশ্যে হেঁটে যাত্রা শুরু করবে। এজন্য স্বাধীনতা-মুক্তিযুদ্ধের-বৈষম্যবিরোধী চেতনায় বিশ্বাসী সবাইকে অংশ নেওয়ার জোর আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।