১০:৩৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬

৪৭ বছর ধরে সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের আলোকিত করছে ‘সুরভি’: পরিদর্শনে ডা. জুবাইদা রহমান

ধানমন্ডিস্থ ‘সুরভি’র প্রধান কার্যালয় পরিদর্শন করেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান-এর সহধর্মিণী ও বিশিষ্ট চিকিৎসক ডা. জুবাইদা রহমান। ছবিঃ সংগৃহীত


সুবিধাবঞ্চিত ও ছিন্নমূল শিশু-কিশোরদের শিক্ষায় আলোকিত করতে ৪৭ বছর ধরে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে সমাজসেবামূলক প্রতিষ্ঠান ‘সুরভি’।

আজ মঙ্গলবার দুপুরে ধানমন্ডিস্থ ‘সুরভি’র প্রধান কার্যালয় পরিদর্শন করেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান-এর সহধর্মিণী ও বিশিষ্ট চিকিৎসক ডা. জুবাইদা রহমান।

সেখানে পৌঁছালে ফুলেল শুভেচ্ছা ও উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান ‘সুরভি’র শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও কর্মকর্তারা। পরিদর্শনকালে তিনি প্রতিষ্ঠানটির বিভিন্ন শ্রেণিকক্ষ ঘুরে দেখেন এবং শিক্ষার্থীদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কথা বলেন। শিশুদের আবৃত্তি, কুরআন তেলাওয়াত, সাংস্কৃতিক পরিবেশনা মনোযোগ দিয়ে উপভোগ করেন তিনি।

‘সুরভি’র একটি শ্রেণিকক্ষে ছাত্রীদের সঙ্গে কথা বলছেন ডা. জুবাইদা রহমান। মেয়েরা মনোযোগসহকারে তার কথা শুনছে, আর তার উপস্থিতিতে তাদের মুখে ফুটে উঠেছে আগ্রহ ও অনুপ্রেরণার ছাপ। ছবি: সংগৃহীত

ডা. জুবাইদা রহমান শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে বলেন, “তোমাদের স্বপ্ন পূরণে আমি পাশে আছি। তোমরা নিয়মিত পড়াশোনা করো, মনোযোগী হও। সুরভির মতো প্রতিষ্ঠান তোমাদের আলোকিত ভবিষ্যতের পথ দেখাচ্ছে।”

ধানমন্ডিস্থ ‘সুরভি’র প্রধান কার্যালয় পরিদর্শনকালে শিক্ষার্থীদের সাথে ঘনিষ্ঠভাবে কথা বলেন ডা জুবাইদা রহমান। ছবিঃ সংগৃহীত

তিনি এরপর ‘সুরভি’র ৪৭ বছরের দীর্ঘ পথচলার আলোকচিত্র ও প্রতিষ্ঠাতা সৈয়দা ইকবাল মান্দ বানু’র আঁকা ছবির প্রদর্শনী ঘুরে দেখেন। শেষে ‘সুরভি’ নিয়ে নির্মিত একটি প্রামাণ্যচিত্রও উপভোগ করেন।

উল্লেখ্য, স্বাধীনতা পদকপ্রাপ্ত সমাজসেবক সৈয়দা ইকবাল মান্দ বানু ১৯৭৯ সালে ‘সুরভি’ প্রতিষ্ঠা করেন। প্রতিষ্ঠার পর থেকে এখন পর্যন্ত প্রায় ৪০ লাখ শিশু-কিশোরের জীবন গঠনে ভূমিকা রেখেছে এই প্রতিষ্ঠান।

শুধু শিক্ষা নয়, ‘সুরভি’ সমাজসেবার বিভিন্ন ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে চলেছে। এর মধ্যে রয়েছে দেশের ৪১ জেলায় টিউবওয়েল স্থাপন, বন্যার্তদের সহায়তা, নারীদের কম্পিউটার প্রশিক্ষণ, উচ্চশিক্ষায় বৃত্তি, মেডিকেল সরঞ্জাম সরবরাহ, রক্তদান কর্মসূচি এবং স্বাস্থ্য পরীক্ষা ইত্যাদি।

ডা. জুবাইদা রহমান তার বক্তব্যে বলেন, “শুধু শিক্ষায় নয়, সমাজের নানা সংকটে এগিয়ে আসছে ‘সুরভি’। শিশুদের আত্মবিশ্বাস গড়ে তোলা, মানবিকতা শেখানো এবং দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ করাই এই প্রতিষ্ঠানের মূল উদ্দেশ্য।”

ডা. জুবাইদা রহমান ধানমন্ডিস্থ ‘সুরভি’ কার্যালয়ে সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের হাতে উপহার তুলে দিচ্ছেন। পাশে দাঁড়িয়ে আছেন প্রতিষ্ঠানটির কর্মকর্তারা। শিশুরা আনন্দ ও কৃতজ্ঞতার সাথে উপহার গ্রহণ করছে। ছবি: সংগৃহীত

‘সুরভি’ নির্বাহী পরিচালক মো. আবু তাহের, শিক্ষক-কর্মচারী ও অন্যান্য অতিথিবৃন্দ এসময় উপস্থিত ছিলেন।

বাংলাদেশে সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের নিয়ে কাজ করা প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে ‘সুরভি’ এখন এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত।

জনপ্রিয়

জাতীয় পুনর্গঠন কৌশল (National Reconstruction Strategies)

৪৭ বছর ধরে সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের আলোকিত করছে ‘সুরভি’: পরিদর্শনে ডা. জুবাইদা রহমান

প্রকাশিত : ০৯:৫৬:৫১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ মে ২০২৫

সুবিধাবঞ্চিত ও ছিন্নমূল শিশু-কিশোরদের শিক্ষায় আলোকিত করতে ৪৭ বছর ধরে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে সমাজসেবামূলক প্রতিষ্ঠান ‘সুরভি’।

আজ মঙ্গলবার দুপুরে ধানমন্ডিস্থ ‘সুরভি’র প্রধান কার্যালয় পরিদর্শন করেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান-এর সহধর্মিণী ও বিশিষ্ট চিকিৎসক ডা. জুবাইদা রহমান।

সেখানে পৌঁছালে ফুলেল শুভেচ্ছা ও উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান ‘সুরভি’র শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও কর্মকর্তারা। পরিদর্শনকালে তিনি প্রতিষ্ঠানটির বিভিন্ন শ্রেণিকক্ষ ঘুরে দেখেন এবং শিক্ষার্থীদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কথা বলেন। শিশুদের আবৃত্তি, কুরআন তেলাওয়াত, সাংস্কৃতিক পরিবেশনা মনোযোগ দিয়ে উপভোগ করেন তিনি।

‘সুরভি’র একটি শ্রেণিকক্ষে ছাত্রীদের সঙ্গে কথা বলছেন ডা. জুবাইদা রহমান। মেয়েরা মনোযোগসহকারে তার কথা শুনছে, আর তার উপস্থিতিতে তাদের মুখে ফুটে উঠেছে আগ্রহ ও অনুপ্রেরণার ছাপ। ছবি: সংগৃহীত

ডা. জুবাইদা রহমান শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে বলেন, “তোমাদের স্বপ্ন পূরণে আমি পাশে আছি। তোমরা নিয়মিত পড়াশোনা করো, মনোযোগী হও। সুরভির মতো প্রতিষ্ঠান তোমাদের আলোকিত ভবিষ্যতের পথ দেখাচ্ছে।”

ধানমন্ডিস্থ ‘সুরভি’র প্রধান কার্যালয় পরিদর্শনকালে শিক্ষার্থীদের সাথে ঘনিষ্ঠভাবে কথা বলেন ডা জুবাইদা রহমান। ছবিঃ সংগৃহীত

তিনি এরপর ‘সুরভি’র ৪৭ বছরের দীর্ঘ পথচলার আলোকচিত্র ও প্রতিষ্ঠাতা সৈয়দা ইকবাল মান্দ বানু’র আঁকা ছবির প্রদর্শনী ঘুরে দেখেন। শেষে ‘সুরভি’ নিয়ে নির্মিত একটি প্রামাণ্যচিত্রও উপভোগ করেন।

উল্লেখ্য, স্বাধীনতা পদকপ্রাপ্ত সমাজসেবক সৈয়দা ইকবাল মান্দ বানু ১৯৭৯ সালে ‘সুরভি’ প্রতিষ্ঠা করেন। প্রতিষ্ঠার পর থেকে এখন পর্যন্ত প্রায় ৪০ লাখ শিশু-কিশোরের জীবন গঠনে ভূমিকা রেখেছে এই প্রতিষ্ঠান।

শুধু শিক্ষা নয়, ‘সুরভি’ সমাজসেবার বিভিন্ন ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে চলেছে। এর মধ্যে রয়েছে দেশের ৪১ জেলায় টিউবওয়েল স্থাপন, বন্যার্তদের সহায়তা, নারীদের কম্পিউটার প্রশিক্ষণ, উচ্চশিক্ষায় বৃত্তি, মেডিকেল সরঞ্জাম সরবরাহ, রক্তদান কর্মসূচি এবং স্বাস্থ্য পরীক্ষা ইত্যাদি।

ডা. জুবাইদা রহমান তার বক্তব্যে বলেন, “শুধু শিক্ষায় নয়, সমাজের নানা সংকটে এগিয়ে আসছে ‘সুরভি’। শিশুদের আত্মবিশ্বাস গড়ে তোলা, মানবিকতা শেখানো এবং দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ করাই এই প্রতিষ্ঠানের মূল উদ্দেশ্য।”

ডা. জুবাইদা রহমান ধানমন্ডিস্থ ‘সুরভি’ কার্যালয়ে সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের হাতে উপহার তুলে দিচ্ছেন। পাশে দাঁড়িয়ে আছেন প্রতিষ্ঠানটির কর্মকর্তারা। শিশুরা আনন্দ ও কৃতজ্ঞতার সাথে উপহার গ্রহণ করছে। ছবি: সংগৃহীত

‘সুরভি’ নির্বাহী পরিচালক মো. আবু তাহের, শিক্ষক-কর্মচারী ও অন্যান্য অতিথিবৃন্দ এসময় উপস্থিত ছিলেন।

বাংলাদেশে সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের নিয়ে কাজ করা প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে ‘সুরভি’ এখন এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত।