০১:১৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবহন ব্যয় ১ বছরে প্রায় ৩ কোটি টাকা


কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবহন বিভাগে ২০২৩-২৪ অর্থ বছরে ব্যয় হয়েছে প্রায় ২ কোটি ২৮ লক্ষ ২৫ হাজার টাকা। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক নথিপত্র থেকে জানা গেছে, এক বছরের পরিবহন ব্যয় প্রায় ৩ কোটি টাকার কাছাকাছি পৌঁছেছে, যা নিয়ে শিক্ষার্থী ও সচেতন মহলে প্রশ্ন উঠেছে।

ব্যয়ের বিবরণী অনুযায়ী, বিআরটিসি বাসে ছাত্র-ছাত্রী পরিবহনে ব্যয়: ১,৩১,৩১,০০০ টাকা, পেট্রোল, অয়েল ও লুব্রিকেন্ট খাতে ব্যয়: ৬৭,১৪,০০০ টাকা, যানবাহন জ্বালানি ব্যয়: ৩,৮৮,০০০ টাকা, মোটরযান মেরামত ব্যয়: ২৫,৯২,০০০ টাকা

এই ব্যয় সংক্রান্ত বিষয়ে মন্তব্য করেন সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) কুমিল্লা শাখার সভাপতি শাহ মোহাম্মদ আলমগীর খান। তিনি বলেন—

“পরিবহন বিভাগের ব্যয় যদি বাস্তব ও যথার্থ হয় তাহলে কোনো সমস্যা নেই। তবে এই অর্থ ছাত্র-ছাত্রী ও অভিভাবকদের কাছ থেকে আসা। যদি ভুয়া বিল বা ভাউচারের মাধ্যমে অতিরিক্ত ব্যয় দেখানো হয়, তাহলে তা হবে দুর্নীতি। এজন্য স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি।”

বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবহন খাতে ব্যয়ের এই অঙ্ক কতটা যৌক্তিক, তা নিয়ে তদন্ত ও বিশ্লেষণ দাবি করছেন সংশ্লিষ্ট অনেকেই। সাধারণ শিক্ষার্থীদের সুবিধার্থে বরাদ্দকৃত অর্থ সঠিক খাতে ব্যয় হয়েছে কি না—এ নিয়ে প্রশাসনের পক্ষ থেকে স্বচ্ছ ব্যাখ্যার দাবি উঠেছে।

জনপ্রিয়

জাতীয় পুনর্গঠন কৌশল (National Reconstruction Strategies)

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবহন ব্যয় ১ বছরে প্রায় ৩ কোটি টাকা

প্রকাশিত : ০৩:৪৮:২৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ জুন ২০২৫

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবহন বিভাগে ২০২৩-২৪ অর্থ বছরে ব্যয় হয়েছে প্রায় ২ কোটি ২৮ লক্ষ ২৫ হাজার টাকা। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক নথিপত্র থেকে জানা গেছে, এক বছরের পরিবহন ব্যয় প্রায় ৩ কোটি টাকার কাছাকাছি পৌঁছেছে, যা নিয়ে শিক্ষার্থী ও সচেতন মহলে প্রশ্ন উঠেছে।

ব্যয়ের বিবরণী অনুযায়ী, বিআরটিসি বাসে ছাত্র-ছাত্রী পরিবহনে ব্যয়: ১,৩১,৩১,০০০ টাকা, পেট্রোল, অয়েল ও লুব্রিকেন্ট খাতে ব্যয়: ৬৭,১৪,০০০ টাকা, যানবাহন জ্বালানি ব্যয়: ৩,৮৮,০০০ টাকা, মোটরযান মেরামত ব্যয়: ২৫,৯২,০০০ টাকা

এই ব্যয় সংক্রান্ত বিষয়ে মন্তব্য করেন সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) কুমিল্লা শাখার সভাপতি শাহ মোহাম্মদ আলমগীর খান। তিনি বলেন—

“পরিবহন বিভাগের ব্যয় যদি বাস্তব ও যথার্থ হয় তাহলে কোনো সমস্যা নেই। তবে এই অর্থ ছাত্র-ছাত্রী ও অভিভাবকদের কাছ থেকে আসা। যদি ভুয়া বিল বা ভাউচারের মাধ্যমে অতিরিক্ত ব্যয় দেখানো হয়, তাহলে তা হবে দুর্নীতি। এজন্য স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি।”

বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবহন খাতে ব্যয়ের এই অঙ্ক কতটা যৌক্তিক, তা নিয়ে তদন্ত ও বিশ্লেষণ দাবি করছেন সংশ্লিষ্ট অনেকেই। সাধারণ শিক্ষার্থীদের সুবিধার্থে বরাদ্দকৃত অর্থ সঠিক খাতে ব্যয় হয়েছে কি না—এ নিয়ে প্রশাসনের পক্ষ থেকে স্বচ্ছ ব্যাখ্যার দাবি উঠেছে।