জাতীয় নির্বাচন ঠেকাতে একটি গোষ্ঠী পরিকল্পিতভাবে নতুন নতুন বয়ান দিচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু। তিনি বলেন, “একাত্তরের যুদ্ধবিরোধী শক্তি এবং ২০২৪ সালের আওয়ামী লীগ—এই দুই গণহত্যাকারী শক্তি যেন আজ এক জায়গায় মিলিত হচ্ছে। তাদের লক্ষ্য একটাই—নির্বাচন ঠেকানো এবং গণতন্ত্র ধ্বংস করা।”
আজ শুক্রবার (১২ সেপ্টেম্বর) দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবে অনুষ্ঠিত ডিপ্লোমা মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ-এর প্রতিনিধি সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন বিএনপির এই শীর্ষস্থানীয় নেতা।
তিনি বলেন, “এরা হচ্ছে অশুভ শক্তি। জনগণের ভোটাধিকার কেড়ে নেওয়ার জন্য বারবার ষড়যন্ত্র করছে। তারা জানে, সুষ্ঠু নির্বাচন হলে জাতীয়তাবাদী শক্তি ভালো করবে।”
দুদু বলেন, “নির্বাচনের জন্য জনগণ প্রস্তুত। দীর্ঘ ১৬ বছর ধরে বিএনপির নেতাকর্মীরা রাস্তায় লড়াই করছে, শহিদ হয়েছে। ছাত্ররাও জীবন দিয়েছে। এই স্বৈরতন্ত্রের পতন না ঘটালে গণতন্ত্র আসবে না।”
তিনি শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকারের নির্বাচন ব্যবস্থার সমালোচনা করে বলেন, “তিনবার নির্বাচনের নামে ভণ্ডামি হয়েছে। এবারো নির্বাচন ঠেকাতে নানা ষড়যন্ত্র হচ্ছে। যদি নির্ধারিত সময়ে নির্বাচন না হয়, তাহলে আধিপত্যবাদীরা সুযোগ নেবে।”
দুদু হুঁশিয়ার করে বলেন, “নির্বাচন প্রতিরোধ করলে দেশে অস্থিরতা সৃষ্টি হবে এবং জনগণের অধিকার হরণ হবে। গণতন্ত্র উত্তরণের জন্য নির্বাচনই একমাত্র পথ।”
এ সময় তিনি দাবি করেন, “দেশকে রক্ষা করতে হলে জিয়া পরিবার ছাড়া বিকল্প নেই। ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে অনুষ্ঠিত নির্বাচনই হবে সবকিছুর ফয়সালার সময়।”
প্রতিনিধি সম্মেলনে উপস্থিত ডিপ্লোমা মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশনের সদস্যদের উদ্দেশে তিনি বলেন, “ভবিষ্যতে যদি বিএনপি ক্ষমতায় আসে এবং সৎ ও সুষ্ঠু নির্বাচন হয়, তাহলে তারেক রহমানই হবেন প্রধানমন্ত্রী। আমি আপনাদের দাবি পূরণের জন্য প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
নিজস্ব প্রতিবেদক 















