১১:০৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৫ মে ২০২৬

সিঙ্গাপুর থেকে ৫০ হাজার টন চাল আমদানির অনুমোদন দিল সরকার

  • নিউজ ডেস্ক
  • প্রকাশিত : ০৭:২৯:৫০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৮ এপ্রিল ২০২৫
  • 197

দেশের খাদ্য চাহিদা পূরণ এবং সরকারি খাদ্য বিতরণ ব্যবস্থা সচল রাখতে সিঙ্গাপুর থেকে ৫০ হাজার টন নন-বাসমতি সিদ্ধ চাল আমদানির অনুমোদন দিয়েছে সরকার। প্রতি কেজি চালের দাম পড়বে ৫০ টাকা ৮১ পয়সা। এ চাল আমদানিতে সরকারের মোট ব্যয় হবে ২৫৪ কোটি ২ লাখ ৮৪ হাজার টাকা।

আজ মঙ্গলবার (৮ এপ্রিল) সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সম্মেলন কক্ষে অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটির বৈঠকে এ সংক্রান্ত প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়।

বৈঠক সূত্রে জানা গেছে, সরকারের নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী খাদ্য অধিদপ্তর থেকে গত ১২ মার্চ আন্তর্জাতিক উন্মুক্ত দরপত্র আহ্বান করা হয়। এতে ১২টি প্রতিষ্ঠান দরপত্র সংগ্রহ করলেও পাঁচটি প্রতিষ্ঠান অংশ নেয়।

দরপত্র মূল্যায়নের পর সিঙ্গাপুরভিত্তিক প্রতিষ্ঠান মেসার্স অ্যাগ্রোকর্প ইন্টারন্যাশনাল প্রাইভেট লিমিটেড প্রতি টন চালের মূল্য ৪১৬.৪৪ ডলার প্রস্তাব করে। এটি অন্যান্য উৎস দেশগুলোর গড় দর (৪৪৪.৯১ ডলার) এর তুলনায় ২৮.৪৭ ডলার কম হওয়ায় প্রতিষ্ঠানটিকে সর্বনিম্ন দরদাতা হিসেবে নির্বাচিত করে মূল্যায়ন কমিটি।

প্রস্তাবিত দরের ভিত্তিতে প্রতি টন চাল আমদানিতে ব্যয় হবে ৪১৬.৪৪ ডলার। ৫০ হাজার টনের মোট আমদানিমূল্য দাঁড়াবে ২ কোটি ৮ লাখ ২২ হাজার ডলার। বাংলাদেশ ব্যাংকের ২৭ মার্চ প্রকাশিত ডলারের বিনিময় হার অনুযায়ী (প্রতি ডলার ১২২ টাকা) এর মোট ব্যয় হবে ২৫৪ কোটি ২ লাখ ৮৪ হাজার টাকা।

সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটির সদস্যরা প্রস্তাবটি পর্যালোচনা করে অনুমোদন দিয়েছেন। এই চাল আমদানির মাধ্যমে দেশের খাদ্য মজুত ও সরবরাহ ব্যবস্থাকে আরও স্থিতিশীল রাখার আশা করা হচ্ছে।

জনপ্রিয়

কোন পথে বাংলাদেশ?

সিঙ্গাপুর থেকে ৫০ হাজার টন চাল আমদানির অনুমোদন দিল সরকার

প্রকাশিত : ০৭:২৯:৫০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৮ এপ্রিল ২০২৫

দেশের খাদ্য চাহিদা পূরণ এবং সরকারি খাদ্য বিতরণ ব্যবস্থা সচল রাখতে সিঙ্গাপুর থেকে ৫০ হাজার টন নন-বাসমতি সিদ্ধ চাল আমদানির অনুমোদন দিয়েছে সরকার। প্রতি কেজি চালের দাম পড়বে ৫০ টাকা ৮১ পয়সা। এ চাল আমদানিতে সরকারের মোট ব্যয় হবে ২৫৪ কোটি ২ লাখ ৮৪ হাজার টাকা।

আজ মঙ্গলবার (৮ এপ্রিল) সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সম্মেলন কক্ষে অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটির বৈঠকে এ সংক্রান্ত প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়।

বৈঠক সূত্রে জানা গেছে, সরকারের নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী খাদ্য অধিদপ্তর থেকে গত ১২ মার্চ আন্তর্জাতিক উন্মুক্ত দরপত্র আহ্বান করা হয়। এতে ১২টি প্রতিষ্ঠান দরপত্র সংগ্রহ করলেও পাঁচটি প্রতিষ্ঠান অংশ নেয়।

দরপত্র মূল্যায়নের পর সিঙ্গাপুরভিত্তিক প্রতিষ্ঠান মেসার্স অ্যাগ্রোকর্প ইন্টারন্যাশনাল প্রাইভেট লিমিটেড প্রতি টন চালের মূল্য ৪১৬.৪৪ ডলার প্রস্তাব করে। এটি অন্যান্য উৎস দেশগুলোর গড় দর (৪৪৪.৯১ ডলার) এর তুলনায় ২৮.৪৭ ডলার কম হওয়ায় প্রতিষ্ঠানটিকে সর্বনিম্ন দরদাতা হিসেবে নির্বাচিত করে মূল্যায়ন কমিটি।

প্রস্তাবিত দরের ভিত্তিতে প্রতি টন চাল আমদানিতে ব্যয় হবে ৪১৬.৪৪ ডলার। ৫০ হাজার টনের মোট আমদানিমূল্য দাঁড়াবে ২ কোটি ৮ লাখ ২২ হাজার ডলার। বাংলাদেশ ব্যাংকের ২৭ মার্চ প্রকাশিত ডলারের বিনিময় হার অনুযায়ী (প্রতি ডলার ১২২ টাকা) এর মোট ব্যয় হবে ২৫৪ কোটি ২ লাখ ৮৪ হাজার টাকা।

সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটির সদস্যরা প্রস্তাবটি পর্যালোচনা করে অনুমোদন দিয়েছেন। এই চাল আমদানির মাধ্যমে দেশের খাদ্য মজুত ও সরবরাহ ব্যবস্থাকে আরও স্থিতিশীল রাখার আশা করা হচ্ছে।