১০:২৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৫ মে ২০২৬

রোজার আগেই অস্থির তেল-চালের বাজার


রমজান মাস সামনে রেখে রাজধানীর বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম ঊর্ধ্বমুখী। বিশেষ করে চাল ও ভোজ্যতেলের বাজারে অস্থিরতা দেখা দিয়েছে।

শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর রামপুরা, যাত্রাবাড়ি, শনির আখড়া ও অন্যান্য বাজার ঘুরে দেখা গেছে, মিনিকেট চাল প্রতি কেজি ৮০-৯০ টাকা, আটাইশ ৫৮-৬৫ টাকা, মোটা স্বর্ণা ৫২-৬০ টাকা, নাজিরশাইল ৭৬-৯০ টাকা এবং পোলাওয়ের চাল ১১৬-১৩০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

তেলের বাজারেও অস্থিরতা বিরাজ করছে। বোতলজাত সয়াবিন তেলের কৃত্রিম সংকট কাটেনি, ফলে নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে। খোলা সয়াবিন তেলের কেজি ১৭৫-১৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

এদিকে, ব্রয়লার মুরগির দাম বেড়ে হয়েছে ১৯০-২২০ টাকা প্রতি কেজি। সোনালি মুরগি ৩০০-৩২০, দেশি মুরগি ৫৫০-৬০০, লেয়ার মুরগি ২৪০-২৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। তবে ডিমের দাম স্থিতিশীল রয়েছে, প্রতি ডজন লাল ও সাদা ডিম ১৩০-১৩৫ টাকায় পাওয়া যাচ্ছে।

মাছের বাজারে কিছুটা স্বস্তি ফিরলেও ইলিশের দাম অপরিবর্তিত। এক কেজি ওজনের ইলিশ ২২০০ টাকা, ৮০০-৯০০ গ্রাম ওজনের ১৮০০-১৯০০ টাকা, এবং ছোট ইলিশ ৭০০-৮০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। অন্যদিকে, রুই, কাতল, পাঙাশ ও অন্যান্য মাছের দাম ২০-৫০ টাকা পর্যন্ত কমেছে।

সবজির বাজারেও নিম্নমুখী প্রবণতা দেখা গেছে। বেগুন ৪০-৫০, করলা ৪০, বরবটি ৫০, মুলা ১৫-২০ এবং পটোল ৩০-৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। পেঁয়াজের দামও কিছুটা কমে খুচরায় ৪৫-৫০ টাকায় নেমেছে।

ক্রেতারা অভিযোগ করছেন, বাজারে মনিটরিং না থাকায় ব্যবসায়ীরা ইচ্ছেমতো দাম বাড়াচ্ছেন। বিক্রেতারাও বলছেন, কিছু অসাধু ব্যবসায়ীর কারণে বাজারে অস্থিরতা তৈরি হচ্ছে। তাই নিত্যপণ্যের বাজার নিয়ন্ত্রণে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

জনপ্রিয়

কোন পথে বাংলাদেশ?

রোজার আগেই অস্থির তেল-চালের বাজার

প্রকাশিত : ১০:০৯:০৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

রমজান মাস সামনে রেখে রাজধানীর বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম ঊর্ধ্বমুখী। বিশেষ করে চাল ও ভোজ্যতেলের বাজারে অস্থিরতা দেখা দিয়েছে।

শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর রামপুরা, যাত্রাবাড়ি, শনির আখড়া ও অন্যান্য বাজার ঘুরে দেখা গেছে, মিনিকেট চাল প্রতি কেজি ৮০-৯০ টাকা, আটাইশ ৫৮-৬৫ টাকা, মোটা স্বর্ণা ৫২-৬০ টাকা, নাজিরশাইল ৭৬-৯০ টাকা এবং পোলাওয়ের চাল ১১৬-১৩০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

তেলের বাজারেও অস্থিরতা বিরাজ করছে। বোতলজাত সয়াবিন তেলের কৃত্রিম সংকট কাটেনি, ফলে নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে। খোলা সয়াবিন তেলের কেজি ১৭৫-১৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

এদিকে, ব্রয়লার মুরগির দাম বেড়ে হয়েছে ১৯০-২২০ টাকা প্রতি কেজি। সোনালি মুরগি ৩০০-৩২০, দেশি মুরগি ৫৫০-৬০০, লেয়ার মুরগি ২৪০-২৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। তবে ডিমের দাম স্থিতিশীল রয়েছে, প্রতি ডজন লাল ও সাদা ডিম ১৩০-১৩৫ টাকায় পাওয়া যাচ্ছে।

মাছের বাজারে কিছুটা স্বস্তি ফিরলেও ইলিশের দাম অপরিবর্তিত। এক কেজি ওজনের ইলিশ ২২০০ টাকা, ৮০০-৯০০ গ্রাম ওজনের ১৮০০-১৯০০ টাকা, এবং ছোট ইলিশ ৭০০-৮০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। অন্যদিকে, রুই, কাতল, পাঙাশ ও অন্যান্য মাছের দাম ২০-৫০ টাকা পর্যন্ত কমেছে।

সবজির বাজারেও নিম্নমুখী প্রবণতা দেখা গেছে। বেগুন ৪০-৫০, করলা ৪০, বরবটি ৫০, মুলা ১৫-২০ এবং পটোল ৩০-৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। পেঁয়াজের দামও কিছুটা কমে খুচরায় ৪৫-৫০ টাকায় নেমেছে।

ক্রেতারা অভিযোগ করছেন, বাজারে মনিটরিং না থাকায় ব্যবসায়ীরা ইচ্ছেমতো দাম বাড়াচ্ছেন। বিক্রেতারাও বলছেন, কিছু অসাধু ব্যবসায়ীর কারণে বাজারে অস্থিরতা তৈরি হচ্ছে। তাই নিত্যপণ্যের বাজার নিয়ন্ত্রণে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।