০৫:৪২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬

বিএনপি নেতা সোহেল-হেলাল-নীরব-সপুসহ ১৪ জনের কারাদণ্ড

পুলিশের কাজে বাধা দেওয়ার ঘটনায় রাজধানীর নিউমার্কেট থানার করা মামলায় বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব হাবিব উন নবী খান সোহেল, তথ্যবিষয়ক সম্পাদক আজিজুল বারী হেলাল ও মীর সরাফুজ্জামান আলী সফু, যুবদলের সাবেক সভাপতি সাইফুল আলম নীরবসহ ১৪ জনের দেড় বছরের সাজা দিয়েছেন আদালত। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সোহেলের আইনজীবী জাকির হোসেন জুয়েল।

এর মধ্যে সোহেল, হেলাল ও সপুকে পুলিশের কাজে বাধা দেওয়ার একটি মামলায় দেড় বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। এই মামলায় আরও ১১ জন আসামি রয়েছেন। তাদেরকেও একই দণ্ড দেওয়া হয়েছে।

সোমবার (২০ নভেম্বর) ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিষ্ট্রেট আতাউল্লাহ এ রায় ঘোষণা করেন। রায় ঘোষণার সময় আসামিরা পলাতক থাকায় তাদের বিরুদ্ধে সাজা পরোয়ানাসহ গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন আদালত।

দণ্ডবিধি ১৪৩ ধারায় আসামিদের ছয় মাসের কারাদণ্ডের ও দুই হাজার টাকা অর্থদণ্ডের আদেশ দেন আদালত। অর্থদণ্ড অনাদায়ে তাদের আরও এক মাসের কারাভোগ করতে হবে। দণ্ডবিধি ৩২৩ ধারায় এক বছরের কারাদণ্ড ও পাঁচ হাজার টাকা অর্থদণ্ডের আদেশ দেন আদালত। অর্থদণ্ড অনাদায়ে তাদের আরও দুই মাসের কারাভোগ করতে হবে।

অন্যদিকে দশ বছর আগে রাজধানীর তেজগাঁও থানায় দায়ের করা নাশকতা মামলায় যুবদলের সাবেক সভাপতি নিরবকে আড়াই বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া এই মামলার আরও ৬ আসামিকে একই দণ্ড দেওয়া হয়েছে।

দণ্ডপ্রাপ্ত অপর ৬ আসামি হলেন— সাজেদুল ইসলাম সুমন, গান্ডু শাহিন, বেল্লাল হোসেন, জাকির হোসেন, আনোয়ারুজ্জামান আনোয়ার ও আবু বক্কর সিদ্দিক। পলাতক থাকায় তাদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন আদালত।

২০১৫ সালের বিএনপির হরতাল অবরোধ চলাকালে নিউমার্কেটর নীলক্ষের ৪ গেটের পুলিশের কাজে বাধা প্রদান করেন আসামিরা। পুলিশকে লক্ষ করে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করেন আসামিরা। এ ঘটনায় নিউ মার্কেট থানা পুলিশ বাদী হয়ে একটি মামলা করেন।

তদন্ত শেষে সোহেলসহ ১৪ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করেন পুলিশ। এরপর দণ্ডবিধি ১৪৩ ও ৩২৩ ধারায় আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন আদালত। মামলার বিচার চলাকালে ৫ জন আদালতে সাক্ষ্য দেন।

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

জাতীয় পুনর্গঠন কৌশল (National Reconstruction Strategies)

বিএনপি নেতা সোহেল-হেলাল-নীরব-সপুসহ ১৪ জনের কারাদণ্ড

প্রকাশিত : ০২:১৯:৩৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ নভেম্বর ২০২৩

পুলিশের কাজে বাধা দেওয়ার ঘটনায় রাজধানীর নিউমার্কেট থানার করা মামলায় বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব হাবিব উন নবী খান সোহেল, তথ্যবিষয়ক সম্পাদক আজিজুল বারী হেলাল ও মীর সরাফুজ্জামান আলী সফু, যুবদলের সাবেক সভাপতি সাইফুল আলম নীরবসহ ১৪ জনের দেড় বছরের সাজা দিয়েছেন আদালত। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সোহেলের আইনজীবী জাকির হোসেন জুয়েল।

এর মধ্যে সোহেল, হেলাল ও সপুকে পুলিশের কাজে বাধা দেওয়ার একটি মামলায় দেড় বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। এই মামলায় আরও ১১ জন আসামি রয়েছেন। তাদেরকেও একই দণ্ড দেওয়া হয়েছে।

সোমবার (২০ নভেম্বর) ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিষ্ট্রেট আতাউল্লাহ এ রায় ঘোষণা করেন। রায় ঘোষণার সময় আসামিরা পলাতক থাকায় তাদের বিরুদ্ধে সাজা পরোয়ানাসহ গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন আদালত।

দণ্ডবিধি ১৪৩ ধারায় আসামিদের ছয় মাসের কারাদণ্ডের ও দুই হাজার টাকা অর্থদণ্ডের আদেশ দেন আদালত। অর্থদণ্ড অনাদায়ে তাদের আরও এক মাসের কারাভোগ করতে হবে। দণ্ডবিধি ৩২৩ ধারায় এক বছরের কারাদণ্ড ও পাঁচ হাজার টাকা অর্থদণ্ডের আদেশ দেন আদালত। অর্থদণ্ড অনাদায়ে তাদের আরও দুই মাসের কারাভোগ করতে হবে।

অন্যদিকে দশ বছর আগে রাজধানীর তেজগাঁও থানায় দায়ের করা নাশকতা মামলায় যুবদলের সাবেক সভাপতি নিরবকে আড়াই বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া এই মামলার আরও ৬ আসামিকে একই দণ্ড দেওয়া হয়েছে।

দণ্ডপ্রাপ্ত অপর ৬ আসামি হলেন— সাজেদুল ইসলাম সুমন, গান্ডু শাহিন, বেল্লাল হোসেন, জাকির হোসেন, আনোয়ারুজ্জামান আনোয়ার ও আবু বক্কর সিদ্দিক। পলাতক থাকায় তাদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন আদালত।

২০১৫ সালের বিএনপির হরতাল অবরোধ চলাকালে নিউমার্কেটর নীলক্ষের ৪ গেটের পুলিশের কাজে বাধা প্রদান করেন আসামিরা। পুলিশকে লক্ষ করে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করেন আসামিরা। এ ঘটনায় নিউ মার্কেট থানা পুলিশ বাদী হয়ে একটি মামলা করেন।

তদন্ত শেষে সোহেলসহ ১৪ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করেন পুলিশ। এরপর দণ্ডবিধি ১৪৩ ও ৩২৩ ধারায় আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন আদালত। মামলার বিচার চলাকালে ৫ জন আদালতে সাক্ষ্য দেন।