আফ্রিকার হৃদয়ে সূর্যোদয় চেয়েছিলেন প্যাট্রিস লুমুম্বা।
নেলসন ম্যানডেলা আনলেন পরিষ্কার দিন।
আর সিরিল রামাফোসা গণহত্যাকারী ইসরাইলকে
কান ধরে নিয়ে গেলেন আন্তর্জাতিক আদালতে।
আফ্রিকা, এই কালো আফ্রিকা থেকেই
একদিন বিশ্বময় ছড়িয়েছিল মানুষ।
মানুষের আদি ভূমি আফ্রিকার কাছে তাই পৃথিবীর অজস্র ঋণ।
ফিলিস্তিনের নারী হত্যাকারীদের বিরুদ্ধে আফ্রিকা দাঁড়ায়।
গাজার শিশু হত্যাকারীদের বিরুদ্ধে আফ্রিকা দাঁড়ায়।
মানুষ হত্যাকারীদের বিরুদ্ধে আফ্রিকা দাঁড়ায়।
—আর আবুধাবি, বাহরাইনে হত্যাকারীদের কোমর জড়িয়ে ধরে
নৈশভোজ করে আরবরা।
ফিলিস্তিনে মানবতার বধ্যভূমির বিরুদ্ধে
ঘৃণার তুফান তোলে বলিভিয়া।
ক্রোধের বিস্ফোরণ ঘটে কলম্বিয়ায়।
চিলি পেরু আর ফিদেলের দেশে
নির্বিরাম অশ্রু ঝরে মানুষকে ভালোবেসে।
—আর মুসলিম শাসকেরা ইয়াংকিদের পায়ের উপর সিজদায় পড়ে আছে।
ইসরাইলি ঘাতকদের পক্ষে দাঁড়ায় লিংকনের দেশ।
পশ্চিমা ক্রসেডাররা তেলআবিবে পিকনিক করে,
যেনো ফিলিস্তিনিদের হত্যা করা অতিশয় পুণ্যের কাজ।
—আর মুসলিম শাসকরা আমেরিকার পায়ের তলায় বেহেস্ত তালাশ করে।
রক্তস্রোতে লাল হয়ে যায় ভূ-মধ্যসাগর।
মুসলিম শাসকরা প্রমোদতরী নিয়ে সফরে বের হয়,
ঘাতকদের চশমা দিয়ে বলিউডের নায়িকা চাখে।
যৌনতার বাণিজ্য নিয়ে দিন-রাত বাহাস করে।
—উটের বাচ্চাদের হাতে পেট্রোডলার।
লোহিত সাগরে হুতিদের হৃদয় চিৎকার করে,
ইসরাইলি ড্রাকুলার বিরুদ্ধে গর্জে ওঠে শেষ রক্তবিন্দু।
প্রাণোৎসর্গ করে মমতাময়ী দরিদ্র ইয়েমেন।
আর মুসলিম রাজারা পোষা বিড়ালের মতো
আমেরিকার পাপোশ হতে মিউমিউ করে।
অথই রক্তের নিচে ডুবতে ডুবতে ফিলিস্তিন কাঁদে,
মুসলিম দেশে দেশে সূর্যোদয় হয় না কেন?
সিনাইয়ের মরুভূমি হাহাকার করে,
রাজতন্ত্রের গায়ে কেন ইসলামি লেবাস?
ফারাক্কা লাঞ্ছিত পদ্মার জিজ্ঞাসা,
গণতন্ত্রের শত্রুরা কিভাবে মানুষ হয়?
—ফ্যাসিবাদ কি পুষ্প ও পরাগের প্রতিপক্ষ নয়?
পশ্চিমা কপটতা নয়,
ইয়াংকিদের মানবতা নয়,
মোদি কিংবা নেতানিয়াহু নয়,
রাজা যুবরাজাদের ভণ্ডামী নয়,
লাঞ্ছিত ইহকাল লোভনীয় পরকাল নয়,
অর্থহীন বোলচাল নয়,
তত্ত্বের কচকচানী নয়,
আফ্রিকার ঘোষণা অক্ষয়—
নিঃশেষে প্রাণ যারা করে দান
মানুষের ভাই আজ হামাস।
হুতি আর হিজবুল্লাহ মজলুমের আলোর আকাশ।
—গাজার কবরগুলো দিয়ে যায় সেই বার্তা, সে শপথ, দৃঢ় বিশ্বাস।
নিজস্ব প্রতিবেদক 

























