০২:৩১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬

আগামী দিনের দুনিয়ায় বর্ডারগুলো মুখ থুবড়ে পড়বে : প্রীতি


আতিফ আসলাম অসম্ভব সুন্দর গান করেন, এতো সুন্দর যে ছাত্রলীগের সাদ্দাম এবং রাব্বানী দুজনেই এই গান শুনতে চলে গেছেন। এইটাই শিল্পের মাজেজা, আপনি যে দেশ দুই চক্ষে দেখতে পারবেন না, তার শিল্পীর গান ফেলতে পারবেন না। এই কারণেই আগামী দিনের দুনিয়ায় বর্ডারগুলো মুখ থুবড়ে পড়বে। রাজনীতিও চেঞ্জ হবে।

গতকাল ২০ এপ্রিল (শনিবার) নিজের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ভেরিফাইড  ফেসবুক আইডি থেকে প্রকাশিত এক ফেসবুক স্টাটাসে এমন অভিব্যক্তিই প্রকাশ করেন লেখিকা জান্নাতুন নাঈম প্রীতি।

তিনি আরও বলেন, খেয়াল করেন- এ আর রহমান গান করেন, সুর করেন, নামাজও পড়েন। তাতে তাকে আপনি কখনো জাজ করে কূলকিনারা করতে পারবেন না- আপনি গান করেন কেন, সাথে নামাজ পড়েন কেন? গান উনার পেশা, নামাজ ওনার আধ্যাত্মিক ব্যক্তিগত আচরণ। আপনার আমার ভালো লাগার ওপর সেটা নির্ভর করে না। করে ওনার ডিসিশনের ওপর।

এরকম প্রত্যেকের জীবনেই অদ্ভুত সব আচরণ থাকে যেটা আপনি এক ধাক্কায় ভালো মন্দ বলে দিতে পারবেন না। ভালো মন্দের মাঝামাঝি একটা ধূসর এলাকা আছে। সেই এলাকা যুক্তির ধার ধারেনা। আপনার মন বিষণ্ণ হবে জেনেও মেঘের দিকে তাকিয়ে থাকতে ইচ্ছা করতে পারে। কেন?

কারণ মন যে বিষণ্ণ হবে তা জেনেও আপনি ব্যাপারটা উপভোগ করেন। বিষণ্ণতা উপভোগ করাকে আপনি নাম দিয়েছেন- নস্টালজিয়া। অথচ সাইকোলজি বলছে- আপনি বিষণ্ণতা উপভোগ করা মানে সাইকোলজির ভাষায় অসুস্থ!

অথচ বুক হাত দিয়ে বলেন- বিদেশে থাকলে দেশের জন্য যে টান কাজ করে, বাবা-মা’র জন্য যে আবেগ কাজ করে সেটা আপনি উপভোগ করেন না? কষ্টের মধ্যেও সৌন্দর্য দেখন না?

মানুষ মূলত চায় তাঁর একটা কাঁধ হোক, সেটা হতে পারে প্রকৃতি অথবা তার একান্ত ব্যক্তিগত খোদা। কখনো এই জায়গাটা জাজ করতে যেয়েন না প্লিজ। শিল্প মানুষের জন্য একটা কাঁধ- এইজন্যই যে নামাজ পড়ে সেও গান শুনতে যায়। গানে তার দুঃখ সুর হয়ে ঝরে পড়ে। আজানের সুরেও একারণেই আলাউদ্দিন খাঁ খুঁজে পান সানাইয়ের সুর।

আপনি সুর শুনে কাঁদবেন, শত্রুদেশের বন্ধুর হাতে হাত রাখবেন, শিল্পের কাঁধে ভর দেবেন- এটাই স্বাভাবিক। আপনার শুধু মনটা উদার করতে হবে। মন উদার হলে দুনিয়ার কোথাও আপনি অসুন্দর দেখবেন না।

এইজন্যই চোখ মনের না, বরং মনই চোখের আয়না। যার আয়নায় মরচে ধরেছে, সে শতবার চেহারা ধুলেও কি আয়নায় পরিস্কার দেখাবে? আপনিই বলেন?


 

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

আগামী দিনের দুনিয়ায় বর্ডারগুলো মুখ থুবড়ে পড়বে : প্রীতি

প্রকাশিত : ০৭:১৩:০৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২১ এপ্রিল ২০২৪

আতিফ আসলাম অসম্ভব সুন্দর গান করেন, এতো সুন্দর যে ছাত্রলীগের সাদ্দাম এবং রাব্বানী দুজনেই এই গান শুনতে চলে গেছেন। এইটাই শিল্পের মাজেজা, আপনি যে দেশ দুই চক্ষে দেখতে পারবেন না, তার শিল্পীর গান ফেলতে পারবেন না। এই কারণেই আগামী দিনের দুনিয়ায় বর্ডারগুলো মুখ থুবড়ে পড়বে। রাজনীতিও চেঞ্জ হবে।

গতকাল ২০ এপ্রিল (শনিবার) নিজের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ভেরিফাইড  ফেসবুক আইডি থেকে প্রকাশিত এক ফেসবুক স্টাটাসে এমন অভিব্যক্তিই প্রকাশ করেন লেখিকা জান্নাতুন নাঈম প্রীতি।

তিনি আরও বলেন, খেয়াল করেন- এ আর রহমান গান করেন, সুর করেন, নামাজও পড়েন। তাতে তাকে আপনি কখনো জাজ করে কূলকিনারা করতে পারবেন না- আপনি গান করেন কেন, সাথে নামাজ পড়েন কেন? গান উনার পেশা, নামাজ ওনার আধ্যাত্মিক ব্যক্তিগত আচরণ। আপনার আমার ভালো লাগার ওপর সেটা নির্ভর করে না। করে ওনার ডিসিশনের ওপর।

এরকম প্রত্যেকের জীবনেই অদ্ভুত সব আচরণ থাকে যেটা আপনি এক ধাক্কায় ভালো মন্দ বলে দিতে পারবেন না। ভালো মন্দের মাঝামাঝি একটা ধূসর এলাকা আছে। সেই এলাকা যুক্তির ধার ধারেনা। আপনার মন বিষণ্ণ হবে জেনেও মেঘের দিকে তাকিয়ে থাকতে ইচ্ছা করতে পারে। কেন?

কারণ মন যে বিষণ্ণ হবে তা জেনেও আপনি ব্যাপারটা উপভোগ করেন। বিষণ্ণতা উপভোগ করাকে আপনি নাম দিয়েছেন- নস্টালজিয়া। অথচ সাইকোলজি বলছে- আপনি বিষণ্ণতা উপভোগ করা মানে সাইকোলজির ভাষায় অসুস্থ!

অথচ বুক হাত দিয়ে বলেন- বিদেশে থাকলে দেশের জন্য যে টান কাজ করে, বাবা-মা’র জন্য যে আবেগ কাজ করে সেটা আপনি উপভোগ করেন না? কষ্টের মধ্যেও সৌন্দর্য দেখন না?

মানুষ মূলত চায় তাঁর একটা কাঁধ হোক, সেটা হতে পারে প্রকৃতি অথবা তার একান্ত ব্যক্তিগত খোদা। কখনো এই জায়গাটা জাজ করতে যেয়েন না প্লিজ। শিল্প মানুষের জন্য একটা কাঁধ- এইজন্যই যে নামাজ পড়ে সেও গান শুনতে যায়। গানে তার দুঃখ সুর হয়ে ঝরে পড়ে। আজানের সুরেও একারণেই আলাউদ্দিন খাঁ খুঁজে পান সানাইয়ের সুর।

আপনি সুর শুনে কাঁদবেন, শত্রুদেশের বন্ধুর হাতে হাত রাখবেন, শিল্পের কাঁধে ভর দেবেন- এটাই স্বাভাবিক। আপনার শুধু মনটা উদার করতে হবে। মন উদার হলে দুনিয়ার কোথাও আপনি অসুন্দর দেখবেন না।

এইজন্যই চোখ মনের না, বরং মনই চোখের আয়না। যার আয়নায় মরচে ধরেছে, সে শতবার চেহারা ধুলেও কি আয়নায় পরিস্কার দেখাবে? আপনিই বলেন?