০১:১৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬

কূটনৈতিক শিষ্টাচার লঙ্ঘনের অভিযোগ, শ্রিংলার বক্তব্যের নিন্দা জামায়াতের

  • নিউজ ডেস্ক
  • প্রকাশিত : ০৯:৫৮:২৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৬ জানুয়ারী ২০২৬
  • 376

বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক পরিস্থিতি, আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন এবং বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী সম্পর্কে ভারতের পার্লামেন্টের উচ্চকক্ষ রাজ্যসভার সদস্য ও সাবেক পররাষ্ট্রসচিব হর্ষ বর্ধন শ্রিংলার মন্তব্যকে কূটনৈতিক রীতিনীতিবিরোধী আখ্যা দিয়ে এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী।

গতকাল রবিবাত (২৫ জানুয়ারি) এক বিবৃতিতে দলের সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক সংসদ সদস্য মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, একটি সার্বভৌম ও স্বাধীন রাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক বিষয়, নির্বাচন প্রক্রিয়া এবং একটি বৈধ ও নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল সম্পর্কে এ ধরনের মন্তব্য আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক শিষ্টাচার ও পররাষ্ট্রনীতির সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। বিশেষ করে একজন সাবেক কূটনীতিক ও বর্তমান সংসদ সদস্যের কাছ থেকে এমন বক্তব্য কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।

বিবৃতিতে তিনি আরও বলেন, হর্ষ বর্ধন শ্রিংলা বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী সম্পর্কে যে মন্তব্য করেছেন, তা উদ্দেশ্যপ্রণোদিত, তথ্যবিকৃত ও রাজনৈতিকভাবে পক্ষপাতদুষ্ট। একটি দেশের জনগণ কাকে ভোট দেবে বা দেবে না—তা সম্পূর্ণভাবে সেই দেশের জনগণের এখতিয়ার। কোনো বিদেশি রাজনীতিবিদের এ বিষয়ে মন্তব্য করার বা সিদ্ধান্ত চাপিয়ে দেওয়ার অধিকার নেই।

মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, বাংলাদেশের জনগণই এ দেশের মালিক এবং তারাই অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমে তাদের প্রতিনিধি নির্বাচন করবেন। নির্বাচন কীভাবে হবে কিংবা কোন রাজনৈতিক দল কত ভোট পাবে—এ ধরনের মন্তব্য করে বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াকে প্রশ্নবিদ্ধ করার পাশাপাশি প্রতিবেশী দুই দেশের মধ্যে বিদ্যমান কূটনৈতিক সৌহার্দ্য ও পারস্পরিক শ্রদ্ধার পরিবেশ ক্ষুণ্ন করার অপচেষ্টা করা হয়েছে।

বিবৃতিতে তিনি উল্লেখ করেন, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী একটি নিবন্ধিত, গণতান্ত্রিক ও আদর্শভিত্তিক রাজনৈতিক দল। দেশের জনগণের অধিকার, গণতন্ত্র, ন্যায়বিচার ও সুশাসন প্রতিষ্ঠার প্রশ্নে দলটি বরাবরই আপসহীন ভূমিকা পালন করে আসছে। অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হলে জনগণই তাদের প্রকৃত রায় দেবে—এ বিষয়ে জামায়াতে ইসলামীর কোনো সংশয় নেই বলেও তিনি জানান।

সবশেষে তিনি আশা প্রকাশ করেন, ভারতের দায়িত্বশীল মহল ভবিষ্যতে এ ধরনের বক্তব্য প্রদান থেকে বিরত থাকবেন এবং বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করে পারস্পরিক সম্মান, কূটনৈতিক সৌজন্য ও সুসম্পর্ক বজায় রাখবেন।

জনপ্রিয়

জাতীয় পুনর্গঠন কৌশল (National Reconstruction Strategies)

কূটনৈতিক শিষ্টাচার লঙ্ঘনের অভিযোগ, শ্রিংলার বক্তব্যের নিন্দা জামায়াতের

প্রকাশিত : ০৯:৫৮:২৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৬ জানুয়ারী ২০২৬

বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক পরিস্থিতি, আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন এবং বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী সম্পর্কে ভারতের পার্লামেন্টের উচ্চকক্ষ রাজ্যসভার সদস্য ও সাবেক পররাষ্ট্রসচিব হর্ষ বর্ধন শ্রিংলার মন্তব্যকে কূটনৈতিক রীতিনীতিবিরোধী আখ্যা দিয়ে এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী।

গতকাল রবিবাত (২৫ জানুয়ারি) এক বিবৃতিতে দলের সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক সংসদ সদস্য মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, একটি সার্বভৌম ও স্বাধীন রাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক বিষয়, নির্বাচন প্রক্রিয়া এবং একটি বৈধ ও নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল সম্পর্কে এ ধরনের মন্তব্য আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক শিষ্টাচার ও পররাষ্ট্রনীতির সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। বিশেষ করে একজন সাবেক কূটনীতিক ও বর্তমান সংসদ সদস্যের কাছ থেকে এমন বক্তব্য কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।

বিবৃতিতে তিনি আরও বলেন, হর্ষ বর্ধন শ্রিংলা বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী সম্পর্কে যে মন্তব্য করেছেন, তা উদ্দেশ্যপ্রণোদিত, তথ্যবিকৃত ও রাজনৈতিকভাবে পক্ষপাতদুষ্ট। একটি দেশের জনগণ কাকে ভোট দেবে বা দেবে না—তা সম্পূর্ণভাবে সেই দেশের জনগণের এখতিয়ার। কোনো বিদেশি রাজনীতিবিদের এ বিষয়ে মন্তব্য করার বা সিদ্ধান্ত চাপিয়ে দেওয়ার অধিকার নেই।

মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, বাংলাদেশের জনগণই এ দেশের মালিক এবং তারাই অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমে তাদের প্রতিনিধি নির্বাচন করবেন। নির্বাচন কীভাবে হবে কিংবা কোন রাজনৈতিক দল কত ভোট পাবে—এ ধরনের মন্তব্য করে বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াকে প্রশ্নবিদ্ধ করার পাশাপাশি প্রতিবেশী দুই দেশের মধ্যে বিদ্যমান কূটনৈতিক সৌহার্দ্য ও পারস্পরিক শ্রদ্ধার পরিবেশ ক্ষুণ্ন করার অপচেষ্টা করা হয়েছে।

বিবৃতিতে তিনি উল্লেখ করেন, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী একটি নিবন্ধিত, গণতান্ত্রিক ও আদর্শভিত্তিক রাজনৈতিক দল। দেশের জনগণের অধিকার, গণতন্ত্র, ন্যায়বিচার ও সুশাসন প্রতিষ্ঠার প্রশ্নে দলটি বরাবরই আপসহীন ভূমিকা পালন করে আসছে। অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হলে জনগণই তাদের প্রকৃত রায় দেবে—এ বিষয়ে জামায়াতে ইসলামীর কোনো সংশয় নেই বলেও তিনি জানান।

সবশেষে তিনি আশা প্রকাশ করেন, ভারতের দায়িত্বশীল মহল ভবিষ্যতে এ ধরনের বক্তব্য প্রদান থেকে বিরত থাকবেন এবং বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করে পারস্পরিক সম্মান, কূটনৈতিক সৌজন্য ও সুসম্পর্ক বজায় রাখবেন।