০৮:১৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬
আন্দোলনে মাঠে নেই মেয়াদোত্তীর্ণ কমিটির শীর্ষ নেতৃত্ব

মহিলাদলে নতুন কমিটির দাবী


২৮ অক্টোবরের পর রাজপথে আবারো নতুন উদ্যমে ঘুরে দাঁড়াতে মরিয়া বিএনপি। জোরেশোরেই চলছে দল গোছানোর কাজ। ঢেলে সাজানো হচ্ছে ঢাকা মহানগর, জেলা সহ অঙ্গসংগঠনের কমিটিগুলো। 

এদিকে মেয়াদোত্তীর্ণ কমিটির মাধ্যমে খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে চলছে মহিলা দলের কেন্দ্রীয় কমিটির কার্যক্রম। কোন আন্দোলনেই মাঠে নেই দলটির শীর্ষ নেতৃত্ব। দাবী উঠেছে জাতীয়তাবাদী মহিলাদলের নতুন কমিটির।

২০১৬ সালের ২৭ সেপ্টেম্বর আফরোজা আব্বাসকে সভাপতি ও সুলতানা আহমেদকে সাধারণ সম্পাদক করে দুই বছর মেয়াদে মহিলা দলের আংশিক কমিটি দেয় বিএনপি। ২০১৮ সালের ২৭ সেপ্টেম্বর ওই কমিটি মেয়াদোত্তীর্ণ হওয়ার পরপরই বিএনপির হাইকমান্ড মহিলা দলের নতুন কমিটি গঠনের উদ্যোগ নেয়। কিন্তু আকস্মিকভাবে ওই প্রক্রিয়া বন্ধ হয়ে যায়। তিন বছরের মাথায় ২০১৯ সালের ৪ এপ্রিল সংগঠনটির ২৬৫ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা করা হয়। তারপর পেরিয়েছে আরও চার বছরের অধিক সময়।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক সংগঠনের কেন্দ্রীয় এক নেত্রী দেশবার্তাকে বলেন, বিএনপির আন্দোলন-সংগ্রামে সামনের সারিতে থাকা জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের কেন্দ্রীয় কমিটি মেয়াদোত্তীর্ণ হওয়ায় ভেঙে পড়েছে চেইন অব কমান্ড। শীর্ষ নেতৃত্বের সাংগঠনিক অদক্ষতা ও স্বেচ্ছাচারিতার কারণে সংগঠনের  হ-য-ব-র-ল অবস্থা।

শীর্ষ নেতৃত্বকে উদ্দেশ্য কেন্দ্রীয় আরেক নেত্রী বলেন, উনি আজীবন সভাপতি থাকার লিজ নিয়েছে। দল উনার পারিবারিক প্রপার্টিতে পরিণত হয়েছে। এসব নিয়ে কথা বললে সমস্যা, দলে তাদের প্রভাব অনেক। কোন আন্দোলন সংগ্রামেই উনাকে পাওয়া যায় না। উনি বিগত দিনের আন্দোলন সংগ্রামে কোথায় ছিলো? যদি এত অসুস্থই থাকেন পদ ছেড়ে বিশ্রামে যাচ্ছে না কেন। এভাবে তো দল চলতে পারে না।

দলটির আরেক নেত্রী অভিযোগ করে বলেন, কোনো কোনো ক্ষেত্রে দায়িত্বশীলদের অসৌজন্যমূলক আচরণে সংগঠন থেকে মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছেন দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক কর্মীরা।

বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান আন্দোলন সংগ্রামে সামনের সারিতে থাকা জাতীয়তাবাদী মহিলাদলকে নতুন করে সুসংগঠিত করতে অবশ্যই উদ্যোগ গ্রহণ করবেন বলে প্রত্যাশার কথাও জানান দলটির বিভিন্ন পর্যায়ের নেত্রীরা।

উদ্ভূত পরিস্থিতিতে মেয়াদোত্তীর্ণ কমিটি ভেঙে যোগ্য, ত্যাগী ও নবীন-প্রবীণের সমন্বয়ে অবিলম্বে নতুন কমিটি গঠনের দাবি উঠেছে। এই পরিপ্রেক্ষিতে সংগঠন সুদৃঢ় করতে এবং সাংগঠনিক তৎপরতা বাড়াতে নিষ্ক্রিয় হয়ে পড়া নারী নেত্রীদের যত দ্রুত সম্ভব সক্রিয় করতে উদ্যোগ গ্রহণের দাবী নেতাকর্মীদের। সূত্র বলছে, গুরুত্বপূর্ণ ও সঠিক ব্যক্তিদের মূল্যায়ন করে সংগঠনকে ঢেলে সাজাতে সচেষ্ট বিএনপির হাইকমান্ড।

জনপ্রিয়

আন্দোলনে মাঠে নেই মেয়াদোত্তীর্ণ কমিটির শীর্ষ নেতৃত্ব

মহিলাদলে নতুন কমিটির দাবী

প্রকাশিত : ০৮:১৮:৩৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৪ জুলাই ২০২৪

২৮ অক্টোবরের পর রাজপথে আবারো নতুন উদ্যমে ঘুরে দাঁড়াতে মরিয়া বিএনপি। জোরেশোরেই চলছে দল গোছানোর কাজ। ঢেলে সাজানো হচ্ছে ঢাকা মহানগর, জেলা সহ অঙ্গসংগঠনের কমিটিগুলো। 

এদিকে মেয়াদোত্তীর্ণ কমিটির মাধ্যমে খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে চলছে মহিলা দলের কেন্দ্রীয় কমিটির কার্যক্রম। কোন আন্দোলনেই মাঠে নেই দলটির শীর্ষ নেতৃত্ব। দাবী উঠেছে জাতীয়তাবাদী মহিলাদলের নতুন কমিটির।

২০১৬ সালের ২৭ সেপ্টেম্বর আফরোজা আব্বাসকে সভাপতি ও সুলতানা আহমেদকে সাধারণ সম্পাদক করে দুই বছর মেয়াদে মহিলা দলের আংশিক কমিটি দেয় বিএনপি। ২০১৮ সালের ২৭ সেপ্টেম্বর ওই কমিটি মেয়াদোত্তীর্ণ হওয়ার পরপরই বিএনপির হাইকমান্ড মহিলা দলের নতুন কমিটি গঠনের উদ্যোগ নেয়। কিন্তু আকস্মিকভাবে ওই প্রক্রিয়া বন্ধ হয়ে যায়। তিন বছরের মাথায় ২০১৯ সালের ৪ এপ্রিল সংগঠনটির ২৬৫ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা করা হয়। তারপর পেরিয়েছে আরও চার বছরের অধিক সময়।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক সংগঠনের কেন্দ্রীয় এক নেত্রী দেশবার্তাকে বলেন, বিএনপির আন্দোলন-সংগ্রামে সামনের সারিতে থাকা জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের কেন্দ্রীয় কমিটি মেয়াদোত্তীর্ণ হওয়ায় ভেঙে পড়েছে চেইন অব কমান্ড। শীর্ষ নেতৃত্বের সাংগঠনিক অদক্ষতা ও স্বেচ্ছাচারিতার কারণে সংগঠনের  হ-য-ব-র-ল অবস্থা।

শীর্ষ নেতৃত্বকে উদ্দেশ্য কেন্দ্রীয় আরেক নেত্রী বলেন, উনি আজীবন সভাপতি থাকার লিজ নিয়েছে। দল উনার পারিবারিক প্রপার্টিতে পরিণত হয়েছে। এসব নিয়ে কথা বললে সমস্যা, দলে তাদের প্রভাব অনেক। কোন আন্দোলন সংগ্রামেই উনাকে পাওয়া যায় না। উনি বিগত দিনের আন্দোলন সংগ্রামে কোথায় ছিলো? যদি এত অসুস্থই থাকেন পদ ছেড়ে বিশ্রামে যাচ্ছে না কেন। এভাবে তো দল চলতে পারে না।

দলটির আরেক নেত্রী অভিযোগ করে বলেন, কোনো কোনো ক্ষেত্রে দায়িত্বশীলদের অসৌজন্যমূলক আচরণে সংগঠন থেকে মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছেন দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক কর্মীরা।

বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান আন্দোলন সংগ্রামে সামনের সারিতে থাকা জাতীয়তাবাদী মহিলাদলকে নতুন করে সুসংগঠিত করতে অবশ্যই উদ্যোগ গ্রহণ করবেন বলে প্রত্যাশার কথাও জানান দলটির বিভিন্ন পর্যায়ের নেত্রীরা।

উদ্ভূত পরিস্থিতিতে মেয়াদোত্তীর্ণ কমিটি ভেঙে যোগ্য, ত্যাগী ও নবীন-প্রবীণের সমন্বয়ে অবিলম্বে নতুন কমিটি গঠনের দাবি উঠেছে। এই পরিপ্রেক্ষিতে সংগঠন সুদৃঢ় করতে এবং সাংগঠনিক তৎপরতা বাড়াতে নিষ্ক্রিয় হয়ে পড়া নারী নেত্রীদের যত দ্রুত সম্ভব সক্রিয় করতে উদ্যোগ গ্রহণের দাবী নেতাকর্মীদের। সূত্র বলছে, গুরুত্বপূর্ণ ও সঠিক ব্যক্তিদের মূল্যায়ন করে সংগঠনকে ঢেলে সাজাতে সচেষ্ট বিএনপির হাইকমান্ড।