০৮:১৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬
পরিবর্তন আসছে নেতৃত্বে

ভেঙে দেওয়া হচ্ছে স্বেচ্ছাসেবক দলের বর্তমান কমিটি


ভেঙে দেওয়া হচ্ছে বিএনপির অন্যতম অঙ্গসংগঠন স্বেচ্ছাসেবক দলের বর্তমান কমিটি। বিএনপির গুরুত্বপূর্ণ এই অঙ্গ সংগঠনটির নতুন নেতৃত্ব যে কোনো সময় ঘোষণা হতে পারে। নেতৃত্বে আনা হবে পরিবর্তন।

দলীয় সূত্রে জানা গেছে, ইতোমধ্যে হাইকমান্ডের কাছে পরীক্ষিত ও ত্যাগী নেতা-কর্মীদের একটি তালিকাও পাঠানো হয়েছে। যেখানে নেতৃত্বের গুরুত্বপূর্ণ পদে প্রাধান্য পেয়েছেন সাবেক ছাত্র নেতারা।

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর থেকেই ব্যর্থ নেতৃত্বের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক অ্যাকশন শুরু করেছে বিএনপি। রাজপথে সরকার পতন আন্দোলনে ব্যর্থতার পর নতুন উদ্যমে ঘুরে দাঁড়াতে চায় বিএনপি। এরই মধ্যে দলকে নতুন ভাবে রাজপথে সক্রিয়, বিগত দিনের আন্দোলন সংগ্রামে ভূমিকা রাখা ত্যাগী পরীক্ষিত নেতাকর্মীদের দিয়ে ঢেলে সাজানো হচ্ছে দল।

এ প্রক্রিয়ার অংশ হিসাবে দলের বিভিন্ন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনকে ঢেলে সাজানোর কার্যক্রম শুরু করা হয়। বিএনপি’র ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ, চট্টগ্রাম ও বরিশাল মহানগর, জাতীয়তাবাদী যুবদলের কেন্দ্রীয় আংশিক আহবায়ক কমিটি গঠন করা হয়েছে।

নানা কারণে জৌলুস হারিয়েছে জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দল। সংগঠনটিকে বিএনপির ভ্যানগার্ড মনে করা হলেও সাম্প্রতিক সময়ে রাজপথে সরকার পতন আন্দোলন কর্মসূচিতে সেই চিত্র অনেকটা মলিন ছিল। এর পেছনে সরকারের দমনপীড়নকে বড় কারণ হিসেবে সামনে আনছেন নেতারা। অনেকে সাংগঠনিক দুর্বলতাকেও বড় করে দেখতে চান।

২০২৩ সালের ২০ এপ্রিল এস এম জিলানীকে সভাপতি ও রাজীব আহসানকে সাধারণ সম্পাদক করে স্বেচ্ছাসেবক দলের ২১৩ সদস্যবিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠিত হয়। ২৮ অক্টোবরের পর সভাপতি-সম্পাদকসহ অনেকেই আড়ালেই ছিলেন। এখনো তাদের কর্মসূচিতে দেখা যায়নি। যদিও নেতাদের দাবি, গ্রেপ্তার এড়ানোর কৌশল হিসেবেই তারা ভার্চুয়ালি দিকনির্দেশনা দিয়েছেন।


 

জনপ্রিয়

পরিবর্তন আসছে নেতৃত্বে

ভেঙে দেওয়া হচ্ছে স্বেচ্ছাসেবক দলের বর্তমান কমিটি

প্রকাশিত : ০৭:৫৫:৪৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১২ জুলাই ২০২৪

ভেঙে দেওয়া হচ্ছে বিএনপির অন্যতম অঙ্গসংগঠন স্বেচ্ছাসেবক দলের বর্তমান কমিটি। বিএনপির গুরুত্বপূর্ণ এই অঙ্গ সংগঠনটির নতুন নেতৃত্ব যে কোনো সময় ঘোষণা হতে পারে। নেতৃত্বে আনা হবে পরিবর্তন।

দলীয় সূত্রে জানা গেছে, ইতোমধ্যে হাইকমান্ডের কাছে পরীক্ষিত ও ত্যাগী নেতা-কর্মীদের একটি তালিকাও পাঠানো হয়েছে। যেখানে নেতৃত্বের গুরুত্বপূর্ণ পদে প্রাধান্য পেয়েছেন সাবেক ছাত্র নেতারা।

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর থেকেই ব্যর্থ নেতৃত্বের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক অ্যাকশন শুরু করেছে বিএনপি। রাজপথে সরকার পতন আন্দোলনে ব্যর্থতার পর নতুন উদ্যমে ঘুরে দাঁড়াতে চায় বিএনপি। এরই মধ্যে দলকে নতুন ভাবে রাজপথে সক্রিয়, বিগত দিনের আন্দোলন সংগ্রামে ভূমিকা রাখা ত্যাগী পরীক্ষিত নেতাকর্মীদের দিয়ে ঢেলে সাজানো হচ্ছে দল।

এ প্রক্রিয়ার অংশ হিসাবে দলের বিভিন্ন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনকে ঢেলে সাজানোর কার্যক্রম শুরু করা হয়। বিএনপি’র ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ, চট্টগ্রাম ও বরিশাল মহানগর, জাতীয়তাবাদী যুবদলের কেন্দ্রীয় আংশিক আহবায়ক কমিটি গঠন করা হয়েছে।

নানা কারণে জৌলুস হারিয়েছে জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দল। সংগঠনটিকে বিএনপির ভ্যানগার্ড মনে করা হলেও সাম্প্রতিক সময়ে রাজপথে সরকার পতন আন্দোলন কর্মসূচিতে সেই চিত্র অনেকটা মলিন ছিল। এর পেছনে সরকারের দমনপীড়নকে বড় কারণ হিসেবে সামনে আনছেন নেতারা। অনেকে সাংগঠনিক দুর্বলতাকেও বড় করে দেখতে চান।

২০২৩ সালের ২০ এপ্রিল এস এম জিলানীকে সভাপতি ও রাজীব আহসানকে সাধারণ সম্পাদক করে স্বেচ্ছাসেবক দলের ২১৩ সদস্যবিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠিত হয়। ২৮ অক্টোবরের পর সভাপতি-সম্পাদকসহ অনেকেই আড়ালেই ছিলেন। এখনো তাদের কর্মসূচিতে দেখা যায়নি। যদিও নেতাদের দাবি, গ্রেপ্তার এড়ানোর কৌশল হিসেবেই তারা ভার্চুয়ালি দিকনির্দেশনা দিয়েছেন।