বিএনপি নেতা কাজল আহমেদ জালালী’কে দুনিয়া থেকে চিরতরে বিদায়ের পায়তারা করছেন আওয়ামীলীগ ঘরনার লোকজন। বিশেষ করে আওয়ামিলীগ ঘরনার ব্যবসায়ী আমানত শাহ গ্রুপের মালিক মোঃ হেলাল মিয়া বহু বৎসর আগে থেকেই কাজল জালালীকে রাজনৈতিকভাবে ধাবিয়ে রাখার জন্য সোচ্চার আছেন।
জনতার নেতা কাজল আহমেদ জালালীর গ্রামের বাড়ী বান্ছারামপুর থানাধীন রুপসদী গ্রামের সাধারন মানুষের সাথে কথা বলে জানতে পারা যায়; আমানত শাহ গ্রুপের মালিক হেলাল মিয়ার ঈর্ষান্বিত হওয়ার কারণ।
কাজল আহমেদ জালালী ১৯৮৭ সালে ঢাকা কলেজ নর্থ হোস্টেল শাখার আহ্বায়ক, ১৯৮৮ সালে ঢাকা কলেজ শাখার নাট্য ও প্রকাশনা সম্পাদক, ও ছাত্রদল কেন্দ্রীয় কমিটির সহ সাধারন সম্পাদকপদে সম্মানের সাথে দায়িত্ব পালন করেছেন।
এই সকল দায়িত্বের ধারাবাহিকতার সাথে বিএনপির যুবদল ঢাকা মহানগর শাখার সহ প্রচার সম্পাদক, যুবদল ঢাকা মহানগর উঃ শাখার সহ সভাপতি ছিলেন। সর্বশেষ সেচ্ছাসেবক দলের কেন্রীয় কমিটি সহ সভাপতি পদ মর্যাদায় উপদেষ্টা ছিলেন।ধারাবাহিক রাজনৈতিক উত্থান আওয়ামিলীগ তথা আওয়ামি ব্যাবসায়ি হানিফ মিয়া এবং হেলাল মিয়াদের মাথাব্যাথার অন্যতম কারন।
মোঃ হেলাল মিয়ার নির্দেশে কাজল আহম্নেদ জালালীর পিতা সর্বজন শ্রদ্ধেয় আধ্যাতিক মহাসাধক ফকির সুলতান আহমেদ জালালীর মাজার স্থানীয় বড় মাপের আওয়ামীসন্ত্রাসী বাহিনী নারকীয় হামলা করে ব্যাপক ভাংচুর করেন এবং কাজল জালালীর ভাই ভাতিজা সহ জালালী পরিবারের অনেকে মারাত্মকভাবে আহত করেন। আমানত শাহ গ্রুপের মালিক আওয়ামিলীগ ঘরনার ব্যবসায়ী হেলাল মিয়ার নির্দেশেই ঘটানো হয়েছে বলে জানান স্থানীয় জনগন।
বিএনপির রাজনীতির সাথে জড়িত কাজল আহমেদ জালালীর দলীয় পদোন্নতি কোনভাবেই আওয়ামিলীগ মেনে নিতে পারছিলো না বিধায় বিএনপি নেতা কাজল জালালীকে রাজনৈতিক ভাবে দমিয়ে রাখার উদ্দেশ্যে এইসব হামলা ঘটনা ঘটানো হয় বলে জানতে পারা যায়।
তারই ধারাবাহিকতায় কাজল জালালীকে প্রানে মেরে ফেলার উদ্দেশ্যে গত ১৭’ই ফেব্রুয়ারি ২০২৪ ইং কাজল জালালীর ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান জালালী টেলিকম (বিকাশ ডিস্ট্রবিউশন হাউজ) খিলগাঁও অফিসে স্থানীয় আওয়ামিলীগ নেতার নির্দেশে এবং ছাত্রলীগ নেতা ফরহাদের নেতৃত্বে একদল সন্ত্রাসী কাজল জালালীকে মারাত্মকভাবে মারধর করে।
নিজস্ব প্রতিবেদক 

























