০৯:৩১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬

ভোটারপ্রতি ১০ টাকা ব্যয়ের সীমা: আরপিও সংশোধন করে অধ্যাদেশ জারি করেছে আইন মন্ত্রণালয়

  • নিউজ ডেস্ক
  • প্রকাশিত : ০৯:১৫:৫৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৫ নভেম্বর ২০২৫
  • 286

উপদেষ্টা পরিষদের নীতিগত অনুমোদনের পর গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও) সংশোধন করে অধ্যাদেশ জারি করেছে আইন মন্ত্রণালয়। গত সোমবার (৩ নভেম্বর) আইন মন্ত্রণালয় থেকে জারি করা ওই অধ্যাদেশের গেজেট প্রকাশ করা হয়। মঙ্গলবার (৪ নভেম্বর) সকালে বিষয়টি জানা যায়।

অধ্যাদেশ অনুযায়ী, আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে কোনো সংসদ সদস্য প্রার্থী তার নির্বাচনি এলাকায় প্রতি ভোটারের জন্য সর্বোচ্চ ১০ টাকা পর্যন্ত খরচ করতে পারবেন। নির্ধারিত সীমার বেশি ব্যয় করলে প্রার্থীর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে পারবে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

সংশোধিত আরপিওতে রাজনৈতিক দলগুলোকেও নির্বাচনি ব্যয়ের আওতায় যুক্ত করা হয়েছে। অনুদান হিসেবে পাওয়া অর্থের বিস্তারিত তালিকা ও ব্যয়ের বিবরণ সংশ্লিষ্ট দলের ওয়েবসাইটে প্রকাশের বাধ্যবাধকতা যুক্ত করা হয়েছে।

চূড়ান্ত আরপিওর অনুচ্ছেদ ৪৪–এ বলা হয়েছে, “প্রার্থীর নির্বাচনি ব্যয় ভোটারপ্রতি ১০ টাকা অতিক্রম করতে পারবে না।”

এছাড়া, অনুচ্ছেদ ১৩–তে প্রার্থিতা দাখিলের সময় জামানতের পরিমাণও বাড়ানো হয়েছে। আগে যেখানে জামানত ছিল ২০ হাজার টাকা, নতুন সংশোধন অনুযায়ী তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫০ হাজার টাকায়।

আইন মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এই সংশোধনের মাধ্যমে নির্বাচনি ব্যয় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি আরও জোরদার হবে, এবং নির্বাচনে অর্থের প্রভাব সীমিত করা সম্ভব হবে।

জনপ্রিয়

ভোটারপ্রতি ১০ টাকা ব্যয়ের সীমা: আরপিও সংশোধন করে অধ্যাদেশ জারি করেছে আইন মন্ত্রণালয়

প্রকাশিত : ০৯:১৫:৫৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৫ নভেম্বর ২০২৫

উপদেষ্টা পরিষদের নীতিগত অনুমোদনের পর গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও) সংশোধন করে অধ্যাদেশ জারি করেছে আইন মন্ত্রণালয়। গত সোমবার (৩ নভেম্বর) আইন মন্ত্রণালয় থেকে জারি করা ওই অধ্যাদেশের গেজেট প্রকাশ করা হয়। মঙ্গলবার (৪ নভেম্বর) সকালে বিষয়টি জানা যায়।

অধ্যাদেশ অনুযায়ী, আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে কোনো সংসদ সদস্য প্রার্থী তার নির্বাচনি এলাকায় প্রতি ভোটারের জন্য সর্বোচ্চ ১০ টাকা পর্যন্ত খরচ করতে পারবেন। নির্ধারিত সীমার বেশি ব্যয় করলে প্রার্থীর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে পারবে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

সংশোধিত আরপিওতে রাজনৈতিক দলগুলোকেও নির্বাচনি ব্যয়ের আওতায় যুক্ত করা হয়েছে। অনুদান হিসেবে পাওয়া অর্থের বিস্তারিত তালিকা ও ব্যয়ের বিবরণ সংশ্লিষ্ট দলের ওয়েবসাইটে প্রকাশের বাধ্যবাধকতা যুক্ত করা হয়েছে।

চূড়ান্ত আরপিওর অনুচ্ছেদ ৪৪–এ বলা হয়েছে, “প্রার্থীর নির্বাচনি ব্যয় ভোটারপ্রতি ১০ টাকা অতিক্রম করতে পারবে না।”

এছাড়া, অনুচ্ছেদ ১৩–তে প্রার্থিতা দাখিলের সময় জামানতের পরিমাণও বাড়ানো হয়েছে। আগে যেখানে জামানত ছিল ২০ হাজার টাকা, নতুন সংশোধন অনুযায়ী তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫০ হাজার টাকায়।

আইন মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এই সংশোধনের মাধ্যমে নির্বাচনি ব্যয় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি আরও জোরদার হবে, এবং নির্বাচনে অর্থের প্রভাব সীমিত করা সম্ভব হবে।