০৬:৫৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬

বহুরূপী প্রতারক মুন্না কারাগারে; এলাকাবাসীর স্বস্তি


সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজার উপজেলার বহুরূপী প্রতারক এনামুল কবির মুন্নাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। তার বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের জন্য এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে আতঙ্ক বিরাজ করছিল। এ ঘটনায় এলাকাবাসীর মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে।

গতকাল দুপুরে সুনামগঞ্জের চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে আত্মসমর্পণের পর বিচারক তার এক মাসের কারাদণ্ডাদেশ কার্যকরের নির্দেশ দেন। আদালত সূত্রে জানা যায়, চাঁদাবাজি, চোরাকারবার, ভয়ভীতি প্রদর্শন, এবং কথিত সাংবাদিক পরিচয়ে প্রতারণাসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে লিপ্ত ছিলেন মুন্না।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মহব্বতপুর এলাকার বাসিন্দা এনামুল কবির মুন্না সীমান্তে চোরাকারবার, চাঁদাবাজি, এবং নিরীহ মানুষকে হয়রানির সঙ্গে সরাসরি জড়িত ছিলেন। ২০১৯ সালের ১০ জানুয়ারি সুরমা ইউনিয়নের এক পরিবারে হামলা চালিয়ে তাদের টাকা, স্বর্ণালংকার এবং আসবাবপত্র লুট করার অভিযোগে তার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়। মামলায় তিনি দোষী সাব্যস্ত হয়ে এক মাসের দণ্ডাদেশ পান।

তবে দণ্ডপ্রাপ্ত হওয়া সত্ত্বেও তিনি চাঁদাবাজি ও অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাচ্ছিলেন। ২০২৩ সালের ৫ আগস্ট সিলেটের কোতোয়ালি থানায় ছাত্র জনতার উপর হামলার ঘটনায় বিস্ফোরক মামলার আসামি হিসেবেও তার নাম উঠে আসে।

সুনামগঞ্জ জেলা কারাপরিদর্শক হুমায়ুন কবির জানান, সাজাপ্রাপ্ত আসামি এনামুল কবির মুন্নাকে আদালতের নির্দেশে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। একই কথা নিশ্চিত করেছেন সুনামগঞ্জ কোর্ট ইন্সপেক্টর মো. আকবর হোসেন।

মুন্নার গ্রেপ্তার ও কারাগারে প্রেরণের খবরে দোয়ারাবাজার এলাকাবাসীর মধ্যে স্বস্তি বিরাজ করছে। তার অপকর্মের শিকার অসংখ্য পরিবার এই পদক্ষেপকে স্বাগত জানিয়েছে। এলাকাবাসী আশা করছেন, তার দণ্ড কার্যকর হওয়ার মাধ্যমে এলাকার পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে এবং অন্যান্য অপরাধী চক্রের অপতৎপরতাও বন্ধ হবে।

মুন্নার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, চোরাকারবারি, থানার দালালি, ডাকাতি, এবং সাংবাদিক পরিচয়ে প্রতারণাসহ বহু অপরাধমূলক কাজের অভিযোগ রয়েছে।

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

বহুরূপী প্রতারক মুন্না কারাগারে; এলাকাবাসীর স্বস্তি

প্রকাশিত : ০৭:৪৪:৪৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জানুয়ারী ২০২৫

সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজার উপজেলার বহুরূপী প্রতারক এনামুল কবির মুন্নাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। তার বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের জন্য এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে আতঙ্ক বিরাজ করছিল। এ ঘটনায় এলাকাবাসীর মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে।

গতকাল দুপুরে সুনামগঞ্জের চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে আত্মসমর্পণের পর বিচারক তার এক মাসের কারাদণ্ডাদেশ কার্যকরের নির্দেশ দেন। আদালত সূত্রে জানা যায়, চাঁদাবাজি, চোরাকারবার, ভয়ভীতি প্রদর্শন, এবং কথিত সাংবাদিক পরিচয়ে প্রতারণাসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে লিপ্ত ছিলেন মুন্না।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মহব্বতপুর এলাকার বাসিন্দা এনামুল কবির মুন্না সীমান্তে চোরাকারবার, চাঁদাবাজি, এবং নিরীহ মানুষকে হয়রানির সঙ্গে সরাসরি জড়িত ছিলেন। ২০১৯ সালের ১০ জানুয়ারি সুরমা ইউনিয়নের এক পরিবারে হামলা চালিয়ে তাদের টাকা, স্বর্ণালংকার এবং আসবাবপত্র লুট করার অভিযোগে তার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়। মামলায় তিনি দোষী সাব্যস্ত হয়ে এক মাসের দণ্ডাদেশ পান।

তবে দণ্ডপ্রাপ্ত হওয়া সত্ত্বেও তিনি চাঁদাবাজি ও অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাচ্ছিলেন। ২০২৩ সালের ৫ আগস্ট সিলেটের কোতোয়ালি থানায় ছাত্র জনতার উপর হামলার ঘটনায় বিস্ফোরক মামলার আসামি হিসেবেও তার নাম উঠে আসে।

সুনামগঞ্জ জেলা কারাপরিদর্শক হুমায়ুন কবির জানান, সাজাপ্রাপ্ত আসামি এনামুল কবির মুন্নাকে আদালতের নির্দেশে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। একই কথা নিশ্চিত করেছেন সুনামগঞ্জ কোর্ট ইন্সপেক্টর মো. আকবর হোসেন।

মুন্নার গ্রেপ্তার ও কারাগারে প্রেরণের খবরে দোয়ারাবাজার এলাকাবাসীর মধ্যে স্বস্তি বিরাজ করছে। তার অপকর্মের শিকার অসংখ্য পরিবার এই পদক্ষেপকে স্বাগত জানিয়েছে। এলাকাবাসী আশা করছেন, তার দণ্ড কার্যকর হওয়ার মাধ্যমে এলাকার পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে এবং অন্যান্য অপরাধী চক্রের অপতৎপরতাও বন্ধ হবে।

মুন্নার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, চোরাকারবারি, থানার দালালি, ডাকাতি, এবং সাংবাদিক পরিচয়ে প্রতারণাসহ বহু অপরাধমূলক কাজের অভিযোগ রয়েছে।