ডাকসু নির্বাচন নিয়ে কারচুপির অভিযোগ ছাত্রদল সমর্থিত প্যানেলের
-
ঢাবি প্রতিনিধি
-
প্রকাশিত :
০৮:৪৯:৫৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৫
- 312
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনে ব্যাপক কারচুপির অভিযোগ তুলেছে ছাত্রদল সমর্থিত প্যানেল। মঙ্গলবার (৯ সেপ্টেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের ঐতিহাসিক মধুর ক্যান্টিনে আয়োজিত এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে প্যানেলের সহ-সভাপতি (ভিপি) পদপ্রার্থী আবিদুল ইসলাম খান এ অভিযোগ করেন।
সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, “ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন চরম ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছে। অমর একুশে হলে গিয়েছি, সেখানে কারচুপির প্রমাণ পেয়েছি। রোকেয়া হলেও কথা বলেছি, তারাও জানিয়েছেন যে কারচুপি হয়েছে। এটা কোনোভাবেই আশা করিনি।”
আবিদুল ইসলাম আরও বলেন, “আমরা যখন বিভিন্ন ভোটকেন্দ্রে গিয়েছি, আমাদের এতিমের মতো দাঁড় করিয়ে রাখা হয়েছে, সময় নষ্ট করা হয়েছে। রোকেয়া হলের এক ছাত্রী আমাদের কাছে অভিযোগ করেছেন যে, তাদের দেওয়া ব্যালট পেপারে আগে থেকেই নির্দিষ্ট দুই প্রার্থীর নামে (সাদিক কায়েম ও এস এম ফরহাদ) ক্রস চিহ্ন দেওয়া ছিল। এমন ঘটনা শুধু রোকেয়া হলেই নয়, অমর একুশে হলেও ঘটেছে।”
তিনি অভিযোগ করে বলেন, “আমরা কেন্দ্রের চিফ রিটার্নিং কর্মকর্তার অনুমতি নিয়ে অনুসন্ধানে গেলে তারা জানান যে এ ধরনের ঘটনা কীভাবে ঘটেছে, তা তারা জানেন না। দুটি কেন্দ্রে প্রমাণ পাওয়া গেছে, তাই অন্যান্য কেন্দ্রেও এমন কিছু ঘটতে পারে বলে আমাদের সন্দেহ।”
প্যানেলের পোলিং এজেন্টদের কেন্দ্র থেকে বাধা দেওয়ার অভিযোগও করেন তিনি। “সকাল থেকে আমাদের পোলিং এজেন্টদের কেন্দ্রে ঢুকতে দেওয়া হয়নি। প্যানেলের নম্বর শিট দিতে গিয়েও বাধার সম্মুখীন হতে হয়েছে,” বলেন আবিদুল ইসলাম।
তিনি আরও জানান, “সকালে আমার বিরুদ্ধে একটি বিভ্রান্তিমূলক প্রোপাগান্ডা ছড়ানো হয়েছে, যেখানে মূলধারার কিছু গণমাধ্যমও বিভ্রান্ত হয়েছে। পরবর্তী সময়ে তারা সংশোধনী দিয়েছে। রোকেয়া হলের নির্বাচনী কর্মকর্তা আমাদের এক প্রার্থীর ব্যালট নম্বর বিতরণ করায় তার ছাত্রত্ব বাতিলের হুমকি দেন, অথচ একই কাজ শিবিরের কর্মীদের করতে দেওয়া হচ্ছে।”
এ ধরনের অনিয়ম ও কারচুপির প্রতিবাদ জানিয়ে তিনি লিখিত অভিযোগ দাখিল করেছেন বলেও জানান। মিডিয়ার বিভিন্ন প্রতিবেদনে নির্বাচন প্রক্রিয়ার অসঙ্গতি উঠে এসেছে বলেও দাবি করেন তিনি।