০৮:৫০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬

শিক্ষামন্ত্রীর ‘গুজব’ দাবির মধ্যেই প্রশ্নফাঁস চক্রের ৪ জন গ্রেপ্তার

চলমান মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) পরীক্ষায় প্রশ্নফাঁসের অভিযোগকে কেন্দ্র করে ভিন্নমুখী বক্তব্য ও আইনি পদক্ষেপের তথ্য পাওয়া গেছে। ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) ইউনিট জানিয়েছে, প্রশ্নফাঁস চক্রের সঙ্গে জড়িত সন্দেহে চারজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

শনিবার (২৫ এপ্রিল) ডিএমপির মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সিটিটিসির যুগ্ম পুলিশ কমিশনার মুনশী শাহাবুদ্দীন এ তথ্য জানান।

গ্রেফতারকৃতরা হলেন— মো. সিফাত আহমেদ সজিব (২২), মো. সালমান (২২), মো. মেছবাউল আলম মাহিন (১৯) এবং মো. মহিদুজ্জামান মুন্না (১৯)।

পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়, এই চক্রটি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস বা পরীক্ষার্থীদের কাছে অবৈধভাবে প্রশ্ন সরবরাহের সঙ্গে যুক্ত ছিল বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলেও জানানো হয়।

এদিকে, প্রশ্নফাঁসের বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভিন্ন আলোচনা চলছে। শিক্ষামন্ত্রী এহসানুল হক তার ফেসবুক পেইজে এক পোস্টে বিষয়টিকে গুজব হিসেবে উল্লেখ করেছেন বলে জানা যায়। তবে পুলিশের অভিযানের পর এ বিষয়ে ভিন্নমুখী প্রতিক্রিয়া ও আলোচনা তৈরি হয়েছে।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে বলে জানানো হয়েছে, এবং পুরো চক্রের সঙ্গে আরও কেউ জড়িত আছে কি না তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে নতুন করে কোনো আনুষ্ঠানিক মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

জনপ্রিয়

শিক্ষামন্ত্রীর ‘গুজব’ দাবির মধ্যেই প্রশ্নফাঁস চক্রের ৪ জন গ্রেপ্তার

প্রকাশিত : ১২:২৮:৩০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬

চলমান মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) পরীক্ষায় প্রশ্নফাঁসের অভিযোগকে কেন্দ্র করে ভিন্নমুখী বক্তব্য ও আইনি পদক্ষেপের তথ্য পাওয়া গেছে। ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) ইউনিট জানিয়েছে, প্রশ্নফাঁস চক্রের সঙ্গে জড়িত সন্দেহে চারজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

শনিবার (২৫ এপ্রিল) ডিএমপির মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সিটিটিসির যুগ্ম পুলিশ কমিশনার মুনশী শাহাবুদ্দীন এ তথ্য জানান।

গ্রেফতারকৃতরা হলেন— মো. সিফাত আহমেদ সজিব (২২), মো. সালমান (২২), মো. মেছবাউল আলম মাহিন (১৯) এবং মো. মহিদুজ্জামান মুন্না (১৯)।

পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়, এই চক্রটি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস বা পরীক্ষার্থীদের কাছে অবৈধভাবে প্রশ্ন সরবরাহের সঙ্গে যুক্ত ছিল বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলেও জানানো হয়।

এদিকে, প্রশ্নফাঁসের বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভিন্ন আলোচনা চলছে। শিক্ষামন্ত্রী এহসানুল হক তার ফেসবুক পেইজে এক পোস্টে বিষয়টিকে গুজব হিসেবে উল্লেখ করেছেন বলে জানা যায়। তবে পুলিশের অভিযানের পর এ বিষয়ে ভিন্নমুখী প্রতিক্রিয়া ও আলোচনা তৈরি হয়েছে।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে বলে জানানো হয়েছে, এবং পুরো চক্রের সঙ্গে আরও কেউ জড়িত আছে কি না তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে নতুন করে কোনো আনুষ্ঠানিক মন্তব্য পাওয়া যায়নি।