১০:১০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬
বাংলাদেশে ২০-২৪ বছর বয়সী নারীদের মধ্যে ৫১ দশমিক ৪ শতাংশের বিয়ে হয়েছে ১৮ বছরের আগে

বাল্যবিবাহে এশিয়ায় শীর্ষে বাংলাদেশ, ৫১% মেয়ের বিয়ে হয় ১৮’র আগে

বাংলাদেশে বাল্যবিবাহের হার উদ্বেগজনকভাবে উচ্চ। ইউনিসেফের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে বাংলাদেশের ৫১ শতাংশ মেয়ের বয়স ১৮ বছর পূর্ণ হওয়ার আগেই বিয়ে হয়ে যায়। এই হার দক্ষিণ এশিয়ায় সর্বোচ্চ এবং বিশ্বে অষ্টম স্থানে।

বাল্যবিবাহ কিশোরী মেয়েদের স্বাস্থ্যের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। বাংলাদেশে ১৮ বছর পূর্ণ হওয়ার আগেই ২৪ শতাংশ মেয়ে সন্তান জন্ম দেয়, যা তাদের স্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ। এছাড়া, ১৫-১৯ বছর বয়সী মেয়েদের মধ্যে ২৮ শতাংশ গত ১২ মাসে তাদের সঙ্গীর দ্বারা শারীরিক বা যৌন সহিংসতার শিকার হয়েছে। প্রজনন স্বাস্থ্য সম্পর্কিত সিদ্ধান্ত গ্রহণে সক্ষম মাত্র ৪৭ শতাংশ মেয়ে।

ডিজিটাল দক্ষতার ক্ষেত্রেও বাংলাদেশের মেয়েরা পিছিয়ে আছে। বিশ্বের সাতটি দেশে কিশোরী মেয়ে ও তরুণ নারীদের ডিজিটাল দক্ষতার হার ২ শতাংশ বা তারও কম, যার মধ্যে বাংলাদেশও রয়েছে।

এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় ইউনিসেফ, প্ল্যান ইন্টারন্যাশনাল ও ইউএন উইমেন কিশোরী মেয়েদের ক্ষমতায়নে বিনিয়োগ ও নীতি পরিবর্তনের ওপর গুরুত্বারোপ করেছে। তারা ‘গার্লস গোলস: হোয়াট হ্যাজ চেঞ্জড ফর গার্লস? অ্যাডোলেসেন্ট গার্লস রাইটস ওভার ৩০ ইয়ার্স’ শীর্ষক প্রতিবেদনে এই বিষয়গুলো তুলে ধরেছে।

বাংলাদেশ সরকার ও সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলো বাল্যবিবাহ নিরসনে বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করছে। তবে, এই সমস্যার সমাধানে সমাজের সকল স্তরের সম্মিলিত প্রচেষ্টা প্রয়োজন।

জনপ্রিয়

বাংলাদেশে ২০-২৪ বছর বয়সী নারীদের মধ্যে ৫১ দশমিক ৪ শতাংশের বিয়ে হয়েছে ১৮ বছরের আগে

বাল্যবিবাহে এশিয়ায় শীর্ষে বাংলাদেশ, ৫১% মেয়ের বিয়ে হয় ১৮’র আগে

প্রকাশিত : ০১:৩৬:৩৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ৯ মার্চ ২০২৫

বাংলাদেশে বাল্যবিবাহের হার উদ্বেগজনকভাবে উচ্চ। ইউনিসেফের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে বাংলাদেশের ৫১ শতাংশ মেয়ের বয়স ১৮ বছর পূর্ণ হওয়ার আগেই বিয়ে হয়ে যায়। এই হার দক্ষিণ এশিয়ায় সর্বোচ্চ এবং বিশ্বে অষ্টম স্থানে।

বাল্যবিবাহ কিশোরী মেয়েদের স্বাস্থ্যের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। বাংলাদেশে ১৮ বছর পূর্ণ হওয়ার আগেই ২৪ শতাংশ মেয়ে সন্তান জন্ম দেয়, যা তাদের স্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ। এছাড়া, ১৫-১৯ বছর বয়সী মেয়েদের মধ্যে ২৮ শতাংশ গত ১২ মাসে তাদের সঙ্গীর দ্বারা শারীরিক বা যৌন সহিংসতার শিকার হয়েছে। প্রজনন স্বাস্থ্য সম্পর্কিত সিদ্ধান্ত গ্রহণে সক্ষম মাত্র ৪৭ শতাংশ মেয়ে।

ডিজিটাল দক্ষতার ক্ষেত্রেও বাংলাদেশের মেয়েরা পিছিয়ে আছে। বিশ্বের সাতটি দেশে কিশোরী মেয়ে ও তরুণ নারীদের ডিজিটাল দক্ষতার হার ২ শতাংশ বা তারও কম, যার মধ্যে বাংলাদেশও রয়েছে।

এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় ইউনিসেফ, প্ল্যান ইন্টারন্যাশনাল ও ইউএন উইমেন কিশোরী মেয়েদের ক্ষমতায়নে বিনিয়োগ ও নীতি পরিবর্তনের ওপর গুরুত্বারোপ করেছে। তারা ‘গার্লস গোলস: হোয়াট হ্যাজ চেঞ্জড ফর গার্লস? অ্যাডোলেসেন্ট গার্লস রাইটস ওভার ৩০ ইয়ার্স’ শীর্ষক প্রতিবেদনে এই বিষয়গুলো তুলে ধরেছে।

বাংলাদেশ সরকার ও সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলো বাল্যবিবাহ নিরসনে বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করছে। তবে, এই সমস্যার সমাধানে সমাজের সকল স্তরের সম্মিলিত প্রচেষ্টা প্রয়োজন।