১১:১৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬
শিক্ষিত নেতৃত্ব নিশ্চিত করতে নির্বাচন ব্যবস্থায় বড় পরিবর্তনের প্রস্তাব

জনপ্রতিনিধি হতে স্নাতক ডিগ্রি বাধ্যতামূলক, সরাসরি ভোটের প্রথা বাতিলের সুপারিশ

  • নিউজ ডেস্ক
  • প্রকাশিত : ০৮:১৯:৩০ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৫
  • 122

জনপ্রতিনিধি নির্বাচনে নতুন যোগ্যতার মানদণ্ড নির্ধারণের প্রস্তাব আনতে যাচ্ছে স্থানীয় সরকার সংস্কার কমিশন। পৌরসভা ও সিটি করপোরেশনের মেয়র এবং ইউনিয়ন, উপজেলা ও জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করতে হলে প্রার্থীকে ন্যূনতম স্নাতক ডিগ্রিধারী হতে হবে। এছাড়া এসব পদে সরাসরি ভোটের ব্যবস্থা বাতিলেরও সুপারিশ করা হয়েছে।

কমিশনের প্রধান ড. তোফায়েল আহমদ জানিয়েছেন, বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের মতামত ও রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলোচনা করে এই সুপারিশ প্রস্তুত করা হয়েছে। ফেব্রুয়ারির শেষের দিকে এ সংক্রান্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।

ড. তোফায়েল গণমাধ্যমকে বলেন, “সাধারণ মানুষের অভিযোগ হলো দল-পেশিশক্তি ও টাকার দাপটের কারণে শিক্ষিত ও যোগ্য মানুষ জনপ্রতিনিধি হতে পারেন না। তাই এমন প্রস্তাব আনা হচ্ছে, যাতে শিক্ষিত ও দক্ষ প্রার্থীরা নির্বাচনে আসতে আগ্রহী হন এবং বিজয়ী হয়ে আসেন।”

নির্বাচন পদ্ধতিতে বড় পরিবর্তনের প্রস্তাব
সংস্কার প্রস্তাব অনুযায়ী, ইউপি সদস্যরা সরাসরি ভোটে নির্বাচিত হবেন। পরে এসব নির্বাচিত সদস্যরা ভোট দিয়ে চেয়ারম্যান নির্বাচন করবেন। ইউপি চেয়ারম্যান ও সভাধ্যক্ষের ক্ষেত্রে স্নাতক ডিগ্রি বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। একই নিয়ম সিটি করপোরেশন ও পৌরসভায় প্রযোজ্য হবে।

জনপ্রতিনিধিদের বেতন কাঠামোতেও পরিবর্তন
নতুন প্রস্তাব অনুযায়ী, সার্বক্ষণিক দায়িত্ব পালন করতে হবে মেয়র ও চেয়ারম্যানদের। এ জন্য তাদের বেতন কাঠামোতেও পরিবর্তন আনা হয়েছে। ইউপি চেয়ারম্যানদের বেতন উপজেলা পর্যায়ের প্রথম শ্রেণির কর্মকর্তার সমান এবং পৌর মেয়রদের বেতন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার সমান নির্ধারণের প্রস্তাব করা হয়েছে।

নির্বাচন পদ্ধতিতে এই সংস্কারের প্রস্তাব বাস্তবায়িত হলে স্থানীয় সরকার ব্যবস্থায় বড় ধরনের পরিবর্তন আসবে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

জনপ্রিয়

শিক্ষিত নেতৃত্ব নিশ্চিত করতে নির্বাচন ব্যবস্থায় বড় পরিবর্তনের প্রস্তাব

জনপ্রতিনিধি হতে স্নাতক ডিগ্রি বাধ্যতামূলক, সরাসরি ভোটের প্রথা বাতিলের সুপারিশ

প্রকাশিত : ০৮:১৯:৩০ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৫

জনপ্রতিনিধি নির্বাচনে নতুন যোগ্যতার মানদণ্ড নির্ধারণের প্রস্তাব আনতে যাচ্ছে স্থানীয় সরকার সংস্কার কমিশন। পৌরসভা ও সিটি করপোরেশনের মেয়র এবং ইউনিয়ন, উপজেলা ও জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করতে হলে প্রার্থীকে ন্যূনতম স্নাতক ডিগ্রিধারী হতে হবে। এছাড়া এসব পদে সরাসরি ভোটের ব্যবস্থা বাতিলেরও সুপারিশ করা হয়েছে।

কমিশনের প্রধান ড. তোফায়েল আহমদ জানিয়েছেন, বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের মতামত ও রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলোচনা করে এই সুপারিশ প্রস্তুত করা হয়েছে। ফেব্রুয়ারির শেষের দিকে এ সংক্রান্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।

ড. তোফায়েল গণমাধ্যমকে বলেন, “সাধারণ মানুষের অভিযোগ হলো দল-পেশিশক্তি ও টাকার দাপটের কারণে শিক্ষিত ও যোগ্য মানুষ জনপ্রতিনিধি হতে পারেন না। তাই এমন প্রস্তাব আনা হচ্ছে, যাতে শিক্ষিত ও দক্ষ প্রার্থীরা নির্বাচনে আসতে আগ্রহী হন এবং বিজয়ী হয়ে আসেন।”

নির্বাচন পদ্ধতিতে বড় পরিবর্তনের প্রস্তাব
সংস্কার প্রস্তাব অনুযায়ী, ইউপি সদস্যরা সরাসরি ভোটে নির্বাচিত হবেন। পরে এসব নির্বাচিত সদস্যরা ভোট দিয়ে চেয়ারম্যান নির্বাচন করবেন। ইউপি চেয়ারম্যান ও সভাধ্যক্ষের ক্ষেত্রে স্নাতক ডিগ্রি বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। একই নিয়ম সিটি করপোরেশন ও পৌরসভায় প্রযোজ্য হবে।

জনপ্রতিনিধিদের বেতন কাঠামোতেও পরিবর্তন
নতুন প্রস্তাব অনুযায়ী, সার্বক্ষণিক দায়িত্ব পালন করতে হবে মেয়র ও চেয়ারম্যানদের। এ জন্য তাদের বেতন কাঠামোতেও পরিবর্তন আনা হয়েছে। ইউপি চেয়ারম্যানদের বেতন উপজেলা পর্যায়ের প্রথম শ্রেণির কর্মকর্তার সমান এবং পৌর মেয়রদের বেতন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার সমান নির্ধারণের প্রস্তাব করা হয়েছে।

নির্বাচন পদ্ধতিতে এই সংস্কারের প্রস্তাব বাস্তবায়িত হলে স্থানীয় সরকার ব্যবস্থায় বড় ধরনের পরিবর্তন আসবে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।