০৭:১৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬

লন্ডন ক্লিনিকে ১৭ দিনের চিকিৎসা শেষে তারেক রহমানের বাসায় ফিরছেন বেগম জিয়া


বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া দীর্ঘ ১৭ দিন চিকিৎসা শেষে লন্ডনের দ্য লন্ডন ক্লিনিক থেকে তারেক রহমানের বাসায় যাবেন। স্থানীয় সময় শুক্রবার রাত ৯টায় তাকে ছেলের বাসায় নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন তার ব্যক্তিগত চিকিৎসক মোহাম্মদ আল মামুন।

তিনি জানান, হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ খালেদা জিয়াকে ছুটি দিয়েছে। চিকিৎসা শেষে কিছুটা সুস্থ বোধ করায় তাকে বাসায় নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে।

গত ৮ জানুয়ারি থেকে যুক্তরাজ্যের দ্য লন্ডন ক্লিনিক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন বেগম খালেদা জিয়া। তিনি লিভার, আর্থ্রাইটিস, কিডনি, ডায়াবেটিসসহ বিভিন্ন জটিল রোগে ভুগছেন।

বেগম খালেদা জিয়া ২০১৮ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় সাজাপ্রাপ্ত হয়ে কারাগারে যান। তবে ২০২০ সালের মার্চে তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকার শর্তসাপেক্ষে তার সাময়িক মুক্তির আদেশ দেয়। এরপর প্রতি ছয় মাস পরপর তার মুক্তির মেয়াদ বাড়ানো হয়।

গত বছরের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পরদিন, বসুন্ধরার এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকা অবস্থায় রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের আদেশে বেগম জিয়ার স্থায়ী মুক্তি নিশ্চিত হয়।

দীর্ঘ রাজনৈতিক ও শারীরিক সংকটের পর এই মুক্তি এবং চিকিৎসার সুযোগ বিএনপির সমর্থকদের মাঝে স্বস্তি ফিরিয়েছে। দলের নেতাকর্মীরা আশা করছেন, চিকিৎসা শেষে খালেদা জিয়া শিগগিরই রাজনৈতিক কার্যক্রমে সক্রিয় ভূমিকা রাখতে পারবেন।

জনপ্রিয়

লন্ডন ক্লিনিকে ১৭ দিনের চিকিৎসা শেষে তারেক রহমানের বাসায় ফিরছেন বেগম জিয়া

প্রকাশিত : ০৮:১৪:০৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৫

বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া দীর্ঘ ১৭ দিন চিকিৎসা শেষে লন্ডনের দ্য লন্ডন ক্লিনিক থেকে তারেক রহমানের বাসায় যাবেন। স্থানীয় সময় শুক্রবার রাত ৯টায় তাকে ছেলের বাসায় নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন তার ব্যক্তিগত চিকিৎসক মোহাম্মদ আল মামুন।

তিনি জানান, হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ খালেদা জিয়াকে ছুটি দিয়েছে। চিকিৎসা শেষে কিছুটা সুস্থ বোধ করায় তাকে বাসায় নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে।

গত ৮ জানুয়ারি থেকে যুক্তরাজ্যের দ্য লন্ডন ক্লিনিক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন বেগম খালেদা জিয়া। তিনি লিভার, আর্থ্রাইটিস, কিডনি, ডায়াবেটিসসহ বিভিন্ন জটিল রোগে ভুগছেন।

বেগম খালেদা জিয়া ২০১৮ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় সাজাপ্রাপ্ত হয়ে কারাগারে যান। তবে ২০২০ সালের মার্চে তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকার শর্তসাপেক্ষে তার সাময়িক মুক্তির আদেশ দেয়। এরপর প্রতি ছয় মাস পরপর তার মুক্তির মেয়াদ বাড়ানো হয়।

গত বছরের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পরদিন, বসুন্ধরার এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকা অবস্থায় রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের আদেশে বেগম জিয়ার স্থায়ী মুক্তি নিশ্চিত হয়।

দীর্ঘ রাজনৈতিক ও শারীরিক সংকটের পর এই মুক্তি এবং চিকিৎসার সুযোগ বিএনপির সমর্থকদের মাঝে স্বস্তি ফিরিয়েছে। দলের নেতাকর্মীরা আশা করছেন, চিকিৎসা শেষে খালেদা জিয়া শিগগিরই রাজনৈতিক কার্যক্রমে সক্রিয় ভূমিকা রাখতে পারবেন।